kalerkantho

সোমবার । ৫ আশ্বিন ১৪২৮। ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১। ১২ সফর ১৪৪৩

বেস্ট সেলারস

২৫ জুন, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



বেস্ট সেলারস

দ্য প্রেসিডেন্ট’স ডটার : বিল ক্লিনটন ও জেমস প্যাটারসন

 

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন ও বেস্ট সেলিং লেখক জেমস প্যাটারসন আগেও যৌথ উপন্যাস লিখেছেন। তাঁদের দ্বিতীয় যৌথ উপন্যাস ‘দ্য প্রেসিডেন্ট’স ডটার’। তাঁদের প্রথম উপন্যাসের নাম ‘দ্য প্রেসিডেন্ট ইজ মিসিং’। সেই উপন্যাসের কাহিনিতে প্রেসিডেন্ট হারিয়ে যান। এই উপন্যাসেও হারানোর ঘটনা আছে। প্রেসিডেন্টের উনিশ বছর বয়সী মেয়ে মেলানি অপহরণের শিকার হয়। তবে নতুন উপন্যাসে চরিত্রদের পরিচয় অনেকটাই আলাদা। আগের উপন্যাসটির প্রেসিডেন্টের নাম জনাথন লিংকন ডানকান; নতুন উপন্যাসের প্রেসিডেন্টের নাম ম্যাথিউ কিটিং। ক্লিনটনের দেওয়া তথ্য এবং প্যাটারসনের কুশলী-শৈলী উপন্যাসের মধ্যে অটুট বিশ্বাসযোগ্যতা আর টান টান উত্তেজনা তৈরি করেছে। যেমন—হোয়াইট হাউসে বসে প্রেসিডেন্ট দেখতে পাচ্ছেন, তাঁর সামরিক বাহিনীর লোকরা লিবিয়ায় ভয়ানক খুনি আসিম আল-আশিদকে ধরার জন্য এগিয়ে যাচ্ছে মরুভূমির ভেতর দিয়ে। আশিদ পার্বত্য এলাকায় আত্মগোপনে চলে যায়। মাত্র দুই মাসের মধ্যেই সে প্রেসিডেন্টের মেয়েকে অপহরণ করে। বিভিন্ন সংস্থা এগিয়ে আসতে চাইলেও মেয়েকে উদ্ধার করতে কিটিং নিজেই প্রস্তুত হন। প্রেসিডেন্ট ও বাবা হিসেবে সমান দায়িত্ব পালন করতে চান তিনি।

দ্য সাইলেন্ট পেশেন্ট : অ্যালেক্স মাইকেলাইডস

অ্যালেক্স মাইকেলাইডসের প্রথম উপন্যাস ‘দ্য সাইলেন্ট পেশেন্ট’। ২০১৯ সালে প্রকাশিত হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত পাঠক জয়ের মাপকাঠিতে বেস্ট সেলার হিসেবে গণ্য হয়ে আসছে এই উপন্যাস। এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র এলিসিয়া বেরেনসনের জীবন আপাত নিরিবিলিই চলে। চিত্রকর এলিসিয়ার বিয়ে হয় একজন ফ্যাশন ফটোগ্রাফারের সঙ্গে। লন্ডনের একটা চমৎকার এলাকায় সুন্দর এক বাড়িতে তাদের বসবাস। বাড়ির এক পাশে একটা নয়নাভিরাম পার্ক। কিন্তু এমন পরিবেশে থেকেও এলিসিয়া অঘটন ঘটায় : একদিন সন্ধ্যায় কাজ শেষে তার স্বামী গ্যাব্রিয়েল বাড়িতে আসে। পরমুহূর্তেই এলিসিয়া পর পর পাঁচটা গুলি করে হত্যা করে গ্যাব্রিয়েলকে। স্বামীকে খুন করা এলিসিয়া বেরেনসনের চুপ থাকা এবং কাউকে কোনো ব্যাখ্যা না দেওয়ার বিষয়টিই এই উপন্যাসকে পারিবারিক ট্র্যাজেডির পরিচয় ছাপিয়ে এক রহস্যবলয়ে নিয়ে যায়। এলিসিয়া কেন তার স্বামীকে খুন করেছে সে রহস্য উদঘাটনের চেষ্টায় ফেবার জড়িয়ে পড়ে এক ভয়াবহ জটিলতায়। সত্য সন্ধানের প্রক্রিয়ায় সে নিজেই বিপন্ন হয়ে পড়ে।

টম ক্ল্যান্সি : টার্গেট অ্যাকোয়ার্ড—ডন বেন্টলে

ডন বেন্টলের উপন্যাস ‘টম ক্ল্যান্সি : টার্গেট অ্যাকোয়ার্ড’। এই উপন্যাসে দেখা যায়, জ্যাক রায়ান জুনিয়র বন্ধুর জন্য সব কিছুই করতে পারে। সিআইএকে সাহায্য করতে গিয়ে রায়ান নিজেই পড়ে যায় পেশাদার খুনিদের নজরে। বন্ধু ডিং শেভেজকে সাহায্য করার জন্য এগিয়ে আসে রায়ান। সেনাবাহিনীতে কর্মরত অবস্থায় ডিংয়ের বন্ধুত্ব হয় পিটারের সঙ্গে। পিটার বদলি হয়ে কাজ করতে চলে যায় সিআইএতে। আর সিআইকে সাহায্য করার কথা প্রথমত ডিংয়েরই থাকে। সে আশা করে, বছর দেড়েক পরে বন্ধু পিটারের সঙ্গে দেখাও হয়ে যাবে এবার। তবে শেষ মুহূর্তে সে আর আসতে পারে না। সে অন্য বন্ধু রায়ানকে অনুরোধ করে তার হয়ে সিআইএর সঙ্গে ওই বিশেষ মিশনে কাজ করতে। মাত্র দুই ঘণ্টার একটা কাজ। তবে বেশ লোভনীয় কাজটা। আর বন্ধুর জন্য কাজ করতে সে তো প্রস্তুত আছেই। ঔপন্যাসিক ডন বেন্টলে একসময় সেনাবাহিনীতে কাজ করতেন। আফগানিস্তানে হেলিকপ্টার পাইলট হিসেবে কাজ করে কৃতিত্বের পুরস্কার পেয়েছেন। সে অভিজ্ঞতাই কাজে লাগিয়েছেন তাঁর এ উপন্যাসে। 

    ►  দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস অবলম্বনে

             দুলাল আল মনসুর