kalerkantho

শনিবার । ৯ শ্রাবণ ১৪২৮। ২৪ জুলাই ২০২১। ১৩ জিলহজ ১৪৪২

তোমাকে না, তোমার আত্মাকে ধরতে চাই

সাবরিনা আলম, বাংলা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

২৫ জুন, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ১ মিনিটে



তোমাকে না, তোমার আত্মাকে ধরতে চাই

আপনাকে যদি কয়েকটি ব্যক্তি, বস্তু বা উপাদানের নাম বলতে বলা হয় যা প্রাচীনকাল থেকে এখনো আছে, আপনি বোধ হয় যে কটি বিষয়ের উল্লেখ করবেন প্রেম-ভালোবাসা তার একটি। প্রেম অবিনশ্বর। মৈত্রেয়ী দেবীর ‘ন হন্যতে’-এর অর্থ, যার শেষ নেই বা অবিনশ্বর। একটি আত্মজৈবনিক উপন্যাস, যা তাঁর সাবেক প্রেমিক মির্চা এলিয়াদের ‘লা নুই বেঙ্গলি’ বইয়ের প্রত্যুত্তরে লেখা। ১৯৩০ সালে লেখিকা ষোড়শী। ১৯৭২ সালে ৪২ বছর পর তাঁর ও তাঁর প্রেমিক মির্চার প্রণয়কাহিনির স্মৃতির সমন্বয়ে গড়ে ওঠা এই উপন্যাস। যৌবনের প্রেম যখন পৌঢ়ত্বে এসে পৌঁছায়, জীবনের শেষ প্রান্তে এসে সাবেক প্রেমিককে সামনে রেখে প্রেমের যেই পুনরুজ্জীবিত রূপ তা নির্দ্বিধায় প্রমাণ করে পরিস্থিতি, পারিপার্শ্বিকতা কিংবা সময় মানুষকে বদলে দিতে পারে। কিন্তু মানুষের ভালোবাসাকে মুছে দিতে পারে না। মির্চার প্রতি মৈত্রেয়ী দেবীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার নিদর্শন এই বই। যা আমাদের উপলব্ধি করায় প্রেম ভালোবাসা শুধু শরীরসর্বস্ব নয়, অসীম বিস্তৃত। মির্চার ইচ্ছাই যেন পরিপূর্ণতা পেল, ‘মৈত্রী—আমি তোমাকে না তোমার আত্মাকে ধরতে চাই!’

            অনুলিখন : পিন্টু রঞ্জন অর্ক