kalerkantho

রবিবার । ১৭ শ্রাবণ ১৪২৮। ১ আগস্ট ২০২১। ২১ জিলহজ ১৪৪২

চাঁদমামা

শিবলী মোকতাদির

১৮ জুন, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ১ মিনিটে



রক্তকরবী গাছের নিচে চট পেড়ে বসেছি,

ব্রহ্মাণ্ডের সস্তা কিছু সামগ্রী শিশুদের উপহার দেবো বলে।

 

শুনে, পরিক্রমায় কাহিনির ভিতর কাহিনি ঢুকে

নগর-গ্রাম উজাড় করে ভিড় ভেঙে ছুটে আসছে

দলে দলে রঙবেরঙের শিশুসহ শিশুকাল।

 

সেই ভোর থেকে বিলিয়ে যাচ্ছি

মুখে কুলুপ এঁটে একটানা নিরবধি।

 

একজনকে এক মুঠো মাটি দিয়ে বললাম—এই হলো ‘মা’।

এভাবে কাউকে বেলুনবদ্ধ বাতাস, পেনসিলে আঁকা বাড়ি,

কাউকে গোধূলি, কাউকে দিলাম গোলাপের পাপড়ি।

 

গোধূলি দেবে আকাশের পরিসীমা

পাপড়ি থেকে পাবে নখপালিশের স্মৃতি।

উপহার পেয়ে সবাই বুথ দখলের মতো আনন্দে আত্মহারা।

 

সূর্যাস্তের ঠিক আগে শেষ উপহারটি ছিল—

একটি শোলার তৈরি চন্দ্রবিন্দু। রুপালি রঙের।

 

লাইনের গালফোলা শেষ বাচ্চাটি এলো

চন্দ্রবিন্দুটি তার হাতে তুলে দিয়ে বললাম—

পছন্দ হয়েছে? তোমার পরিচয়?

শুক্লপক্ষে আকাশের দিকে তাকিয়ে

ছেলেটি বলল—অবশ্যই;

আমি মাইকেল কলিন্সের ছোট নাতি!



সাতদিনের সেরা