kalerkantho

মঙ্গলবার । ১২ শ্রাবণ ১৪২৮। ২৭ জুলাই ২০২১। ১৬ জিলহজ ১৪৪২

বেস্ট সেলারস

১১ জুন, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৪ মিনিটে



বেস্ট সেলারস

পিপল উই মিট অন ভ্যাকেশন : এমিলি হেনরি

আমেরিকার বেস্ট সেলার লেখক এমিলি হেনরির নতুন উপন্যাস ‘পিপল উই মিট অন ভ্যাকেশন’ লেখা হয়েছে বন্ধু এবং প্রেমিক যুগলের সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার শেষ চেষ্টা সম্পর্কিত ঘটনার সমন্বয়ে। কাহিনিতে দেখা যাচ্ছে, পপি ও অ্যালেক্স দুজনই একেবারে আলাদা স্বভাবের মানুষ। পপির চালচলনে অদম্য বুনো উদ্দামতা; সে ঘুরে বেড়াতে খুব পছন্দ করে। অ্যালেক্সের পরনে খাকি পোশাক; বই নিয়ে ঘরের কোনে সময় কাটানোই পছন্দ তার। তবু অনেক দিন আগে বাড়ি থেকে কলেজে একই গাড়িতে যাতায়াতের কারণে তাদের মধ্যে চমৎকার বন্ধুত্ব তৈরি হয়। বছরের বেশির ভাগ সময় তাদের অবস্থান একে অন্যের থেকে অনেক দূরে : পপি থাকে নিউ ইয়র্ক নগরে; অ্যালেক্স থাকে তাদের ছোট শহরে। তবে গত এক দশক ধরে তারা গ্রীষ্মের সময় একটা সপ্তাহ একসঙ্গে ছুটি কাটায়। কিন্তু বছর দুয়েক আগে একটা রূঢ় সত্য তাদের মাঝে বিভাজনের মতো এসে দাঁড়িয়েছে। পপি জীবনে যা যা চেয়েছে সবই পেয়েছে। তবু মনে সুখ নেই। অ্যালেক্সের সঙ্গে চমৎকার সম্পর্ক আবার ফিরিয়ে আনতে চায়। সংশয় নিয়েই পপি অ্যালেক্সকে প্রস্তাব দেয় আরেকবার একসঙ্গে ছুটি কাটানোর।

টোয়েন্টিফার্স্ট বার্থডে : জেমস প্যাটারসন এবং ম্যাক্সিন পেট্রো

জেমস প্যাটারসন ও ম্যাক্সিন পেট্রোর নতুন বেস্ট সেলার উপন্যাস ‘টোয়েন্টিফার্স্ট বার্থডে’। এ উপন্যাসের কাহিনিতে দেখা যায়, বয়স ২১ বছর হওয়ার আগেই বিয়ে করে এক সন্তানের মা হয়ে যায় টারা বার্ক। বার্কের মা পুলিশকে জানায়, তার মেয়ে ও নাতনিকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। মায়ের ভাষ্যমতে জানা যায়, তার মেয়ের সংসারে অশান্তি চলছে বেশ কিছুদিন ধরে। মেয়ের স্বামী লুকাস তার ওপর অত্যাচার করে। তার নালিশের পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ লুকাসকে জিজ্ঞাবাদ করে। তবে কোনো ব্যবস্থা নিতে পারে না। লুকাসের কাছ থেকে পুলিশ জানতে পারে, বার্ক আসলে হারিয়ে যাওয়ার মতো মেয়েই নয়। বার্কের হারানো কেস সম্পর্কে পুলিশের কাছ থেকে জানতে পারে ‘ক্রনিকল’-এর প্রতিবেদক সিনডি টমাস এবং তার মাধ্যমে গোয়ন্দা কর্মকর্তারাও জানতে পারে। লুকাস যা যা বলে তার মধ্যে যদি সামান্য সত্যও থেকে থাকে, তাহলে ক্যালিফোর্নিয়ার কোনো নারীই আর নিরাপদ নয় পেশাদার খুনির নজর থেকে। সব কিছু শুনে এসএফপিডি কর্মকর্তা লিন্ডসে বক্সার প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হন, তিনি পেশাদার খুনির টার্গেটে থাকা বার্ককে ফিরিয়ে আনবেন।

প্রজেক্ট হেইল ম্যারি : অ্যান্ডি ওয়ের

আমেরিকার বেস্ট সেলিং সায়েন্স ফিকশন লেখক অ্যান্ডি ওয়েরের নতুন উপন্যাস ‘প্রজেক্ট হেইল ম্যারি’-এর কেন্দ্রীয় চরিত্র রিলান্ড গ্রেস। দীর্ঘ ঘুমের পর জেগে ওঠে গ্রেস বুঝতে পারে, সে বাড়ি থেকে, এমনকি পৃথিবী থেকেও অনেক দূরে। মানবজাতির বেঁচে থাকা-না থাকা এখন তার হাতে। সর্বশেষ এই মিশনে সে সফল হলে মানবজাতিকে রক্ষা করতে পারবে, নিজেও বাঁচবে। না হলে আশা নেই। তবে এত বড় বিপদের কথাটা সে নিজে জানে না। নিজের নামটা পর্যন্ত সে ভুলে গেছে। তার ওপর যে কাজের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সেটার ধরনও ভুলে গেছে। কিভাবে সেটা সম্পন্ন করবে তা-ও মনে নেই গ্রেসের। তার শুধু মনে পড়ছে, সে অনেক দিন পর ঘুম থেকে জেগে উঠেছে। জেগে উঠে বুঝতে পারছে, সে এখন বাড়ি থেকে কোটি কোটি মাইল দূরে অবস্থান করছে। আশপাশে কেউ নেই, কিছু নেই। আছে শুধু তার দুজন সঙ্গীর মৃতদেহ। একসময় ধীরে ধীরে ঝাঁপসা মনে পড়তে থাকে তার সঙ্গীদের কথা। মনে পড়তে থাকে তার ওপরে দায়িত্ব রয়েছে এক অসম্ভব কাজ সম্পন্ন করার। ছোট মহাশূন্য যানে থেকেই সে মানবজাতিকে রক্ষা করবে বিলুপ্তির হাত থেকে।

দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস অবলম্বনে

দুলাল আল মনসুর