kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২১ শ্রাবণ ১৪২৮। ৫ আগস্ট ২০২১। ২৫ জিলহজ ১৪৪২

বেস্ট সেলারস

৭ মে, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৪ মিনিটে



বেস্ট সেলারস

চেইন অব আয়রন : কাসান্ড্রা ক্লেয়ার

কাসান্ড্রা ক্লেয়ারের ‘চেইন অব গোল্ড’ উপন্যাসের পরবর্তী অধ্যায় নিয়ে তৈরি হয়েছে তাঁর পরবর্তী উপন্যাস ‘চেইন অব আয়রন’। জীবনের একটা সময় পর্যন্ত কর্ডেলিয়া কার্সটেয়ার্স যা চেয়েছে তা-ই পেয়েছে মনে হয়। ছোটবেলা থেকে যাকে ভালোবেসে এসেছে, সেই জেমস হেরোন্ডেলকেই জীবনসঙ্গী হিসেবে পেতে যাচ্ছে কর্ডেলিয়া। তাদের বিয়ে ঠিক হয়ে গেছে। তার সবচেয়ে কাছের বান্ধবী লুসি হেরোন্ডেল ও জেমসের ঘনিষ্ঠ সহচর মেরি থিভসদের সঙ্গেও তার সম্পর্ক চমৎকার। প্রিয় বাবার সঙ্গেও পুনর্মিলন হতে যাচ্ছে কর্ডেলিয়ার। কিন্তু পরে দেখা গেল, কঠিন বাস্তবতা তার স্বপ্নের সঙ্গে মিলছে না। জেমস ও কর্ডেলিয়ার বিয়ে আসলে সাজানো। জেমস ভালোবাসে রহস্যময়ী গ্রেসকে। এদিকে একজন রহস্যময় খুনি অন্ধকারে মিলিয়ে যাচ্ছে একের পর এক মানুষ খুন করে। মেরি থিভস, লুসি ও জেমসকে নিয়ে কর্ডেলিয়া লন্ডনের বিপজ্জনক রাস্তায় বিচরণ করছে খুনির সন্ধান করতে।  এমনই এক ভয়াবহ গোপন বিষয় হতে পারে—জেমস নিজেই সেই খুনি, যাকে অন্যদের সঙ্গে নিয়ে সে নিজেও খুঁজে বেড়ানোর ভান করছে।

গুড কম্পানি : সিনথিয়া ডি’আপ্রিক্স সুইনি

টেকসই দাম্পত্য আর বন্ধুত্বের সম্পর্ক নিয়ে তৈরি হয়েছে সিনথিয়া ডি’আপ্রিক্স সুইনির উপন্যাস ‘গুড কামপানি’। ফ্লোরা মানসিনির বিবাহিত জীবন ২০ বছরের বেশি হবে। তার নিজের সম্পর্কে, তার বিয়ে সম্পর্কে এবং তার সবচেয়ে কাছের বান্ধবী মার্গট সম্পর্কে এত দিন যা ভেবে এসেছে সব ভেঙে চুরমার হয়ে যায় একটা খাম হাতে পাওয়ার পর। খামের ভেতরে পাওয়া যায় তার স্বামী জুলিয়ানের বিয়ের আংটি। তাদের মেয়ে রুবির বয়স যখন পাঁচ বছর, তখনই তার স্বামী জানিয়েছিল, আংটিটা হারিয়ে গেছে। মেয়েকে ম্যানহাটানে রেখে মানুষ করা এবং জুলিয়ানের থিয়েটার প্রতিষ্ঠান চালু রাখার জন্য অনেক কিছু জোড়াতালি দিয়ে অনেক বছর ধরে তারা সংগ্রাম চালিয়ে এসেছে। শেষে লস অ্যাঞ্জেলেস যাওয়ার পর তারা সফলতার দেখা পায়, স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে। তখনই বহুদিন পর তারা দেখা পায় মার্গটের। মার্গট এখন টেলিভিশনের তারকাব্যক্তি। তবে এখন ফ্লোরার মনে প্রশ্ন জাগছে, তাদের নতুন জীবন কি মিথ্যার ওপর দাঁড়িয়ে গেল? জীবনে কিছু সম্পর্ক মাঝে মাঝে ক্ষত সৃষ্টি করে, একসময় সে ক্ষত সেরেও যায়—এমন অভিজ্ঞতার গল্পের রসালো উপস্থাপনা আছে এ উপন্যাসে।

দ্য রেড বুক : জেমস প্যাটারসন ও ডেভিড এলিস

জেমস প্যাটারসন ও ডেভিড এলিসের ব্ল্যাক বুক থ্রিলারের দ্বিতীয় বই ‘দ্য রেড বুক’। এ উপন্যাসে শিকাগোর গোয়েন্দা বিলি হার্নির অতীতের দিকে অনুসন্ধানী দৃষ্টি ফেলা হয়েছে। হার্নির বাবা একসময় গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান ছিলেন। তাঁর যমজ বোন প্যাটিও গোয়েন্দা হিসেবে কর্মরত। সুতরাং হার্নির কাছে কোনো দুর্ঘটনার সূত্রপাত ধরতে পারা খুব কঠিন মনে হয় না। শিকাগোর পশ্চিম এলাকায় ঘটে যাওয়া গোলাগুলির ঘটনার পেছনে রাজনীতি আছে বলে প্রমাণ পাওয়া যায়। ন্যায়বিচারপ্রত্যাশী সাধারণ মানুষ দাঙ্গা সৃষ্টি করতে পারে—এ তথ্য জানার পরই সে বুঝতে পারে, দুর্ঘটনার শিকার আপাতত পরিচয় পাওয়া গেছে এমন তিনজন মানুষ ছাড়া আরো কেউ কেউ আছে। কে দোষী—এমন প্রশ্ন জিজ্ঞেস করার পর যেসব সহজ উত্তর পায় হার্নি সেগুলো সঠিক নয় বলেই প্রমাণিত হয়। যতই মনে হয়, সে তদন্ত বিষয়ে খুব বেশি জানতে পারছে না, ততই দীর্ঘ হতে থাকে তার তদন্তকাজ। শিকাগোর জনজীবন নষ্ট করতে থাকা অশুভ শক্তিকে খুঁজে বের করার অনুসন্ধানকর্ম হার্নিকে তার নিজের অতীতের দিকেই নিয়ে যায়। অবশ্য সে একসময় নিজের কাছেই প্রতিজ্ঞা করেছিল, ওই সমস্যা জর্জরিত অতীতের দিকে আর কখনো ফিরে যাবে না।

► দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস অবলম্বনে

দুলাল আল মনসুর



সাতদিনের সেরা