kalerkantho

বুধবার । ২৯ বৈশাখ ১৪২৮। ১২ মে ২০২১। ২৯ রমজান ১৪৪২

তবু জিততে চান কর্নেল

জান্নাতুল ফেরদাউস লাকি, উর্দু বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

২৩ এপ্রিল, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ১ মিনিটে



তবু জিততে চান কর্নেল

১৮৯৯-১৯০২ সালে কলম্বিয়ার গৃহযুদ্ধে পরাজিত পক্ষের হয়ে যুদ্ধ করেন এক কর্নেল। যুদ্ধের প্রাক্কালে দুই পক্ষের চুক্তি অনুযায়ী যোদ্ধাদের পেনশনের কথা থাকলেও পেনশন হাতে আসে না কর্নেলের। তিনি প্রতি শুক্রবার আট মাইল হেঁটে নদীর ঘাটে যান পেনশনের চিঠির আশায়। কিন্তু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ও সরকারি অবহেলায় পৌঁছায় না চিঠি। তবু কর্নেল অপেক্ষা করেন ৫৬ বছর ধরে। রফিক-উম-মুনীর চৌধুরীর অনুবাদে গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেসের ‘কর্নেলকে কেউ লেখে না’ উপন্যাসিকাটি কলম্বিয়ার গৃহযুদ্ধকালীন বাস্তবতার নির্মম চিত্র, যেখানে বহুদিন মানুষ স্বাভাবিক মৃত্যু দেখেনি। গোপন ইশতেহার বিলির অপরাধে কর্নেলের ছেলে আগুস্তিনের মৃত্যুও হয় রাজনৈতিক ইস্যুতেই। বার্ধক্য, অর্থকষ্ট, অসুখ ও ক্ষুধায় জর্জরিত কর্নেল, যিনি জীবনের সব পর্যায়ে হেরেছেন। তবু জয়ের আশা ছাড়েননি। শেষে দেখা যায় ছেলের রেখে যাওয়া লড়াইয়ের মোরগটাকে জিতিয়ে জিততে চান তিনি। একটা মোরগের ওপর নির্ভর করে একজন কর্নেলের সারা জীবনের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, নৈতিক ও মানসিক আত্মমর্যাদাবোধের জয়।



সাতদিনের সেরা