kalerkantho

সোমবার । ২৩ ফাল্গুন ১৪২৭। ৮ মার্চ ২০২১। ২৩ রজব ১৪৪২

জীবনবোধ নিয়ে ভাবিয়েছে ‘সপ্তপদী’

মাহমুদা মনিকা, বাংলা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

২২ জানুয়ারি, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ১ মিনিটে



জীবনবোধ নিয়ে ভাবিয়েছে ‘সপ্তপদী’

তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা আমার বরাবরই পছন্দ। সর্বশেষ পড়েছি তাঁর ‘সপ্তপদী’। ব্রাহ্মণের ঘরে জন্ম নেওয়া ঈশ্বরে বিশ্বাসহীন প্রাণপ্রাচুর্যে পরিপূর্ণ মেডিক্যাল কলেজের ছাত্র কৃষ্ণেন্দু। সে প্রেমে পড়ে খ্রিস্টান ধর্মানুরাগী রিনা ব্রাউনের। কিন্তু রিনার বাবার শর্ত, ধর্মান্তরিত হলেই শুধু রিনার সঙ্গে কৃষ্ণেন্দুর বিয়ে হবে। অন্যদিকে কৃষ্ণেন্দু খ্রিস্টান হয়ে রিনার সামনে গেলে তার ধর্মান্তরিত হওয়ার কথা শুনে রিনা আঁতকে ওঠে। সে কৃষ্ণেন্দুকে বিয়ে করবে না বলে জানায়। এ পর্যায়ে উপন্যাসের কাহিনি নতুন দিকে মোড় নেয়। গৃহত্যাগী হয়ে ঈশ্বরের খোঁজে বের হয় কৃষ্ণেন্দু। কিন্তু রিনা? কী এমন ঘটে, যার জন্য রিনার মনে হয়, মৃত ঈশ্বর তার নিজের মধ্যে পচছে, গন্ধ বেরোচ্ছে! লেখক কৃষ্ণেন্দু ও রিনার কথোপকথনের মধ্য দিয়ে এমনভাবে তাদের জীবনদর্শনের বর্ণনা দিয়েছেন, যা পাঠককে কিছুক্ষণের জন্য নিজের জীবনবোধ নিয়ে ভাবায়। একটা উক্তি এখনো মনে পড়ে—‘মানুষের সবচেয়ে বড় সর্বনাশ তার আত্ম-প্রবঞ্চনায়। নিজেকে সে যত বঞ্চনা করেছে তার চেয়ে বেশি বঞ্চনা আর কেউ করেনি।’

অনুলিখন : পিন্টু রঞ্জন অর্ক

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা