kalerkantho

শনিবার । ২৭ আষাঢ় ১৪২৭। ১১ জুলাই ২০২০। ১৯ জিলকদ ১৪৪১

নজরুলের মাতৃভাষার মাধ্যমে ধর্মচর্চার তাগিদ

মোহীত উল আলম

২৯ মে, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ১০ মিনিটে



নজরুলের মাতৃভাষার মাধ্যমে ধর্মচর্চার তাগিদ

২৪ মে ১৮৯৯ সালে (১১ জ্যৈষ্ঠ, ১৩০৬ বঙ্গাব্দ) জন্মগ্রহণ করেছিলেন পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার আসানসোল মহকুমার (বর্তমানে জেলায় পরিগণিত; নতুন নাম পশ্চিম বর্ধমান জেলা) জামুরিয়া থানার অন্তর্গত চুরুলিয়া গ্রামে পিতা কাজী ফরিদ আহমেদের ঔরসে এবং মাতা জাহেদা খাতুনের গর্ভে বাংলা সাহিত্যের অত্যন্ত ক্ষণজন্মা পুরুষ আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম। সেদিন ছিল মঙ্গলবার।

এখন যেহেতু ঈদের মৌসুম গেল, তাই লিখতে বসে ভাবছি কবি নজরুলের ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে লিখি। কারণ তাঁর কাব্যসত্তার একটি দিক ছিল ধর্মকে মানবিক উপায়ে কিভাবে চর্চা করা যায়। তাই লেখাটা হবে কবি নজরুলের ধর্মচিন্তা ও কাব্যচিন্তাকে সমন্বয় করে। নজরুল উভয় ইসলাম এবং হিন্দু ধর্মকে বিষয় করে ধর্মীয় গান ও ভক্তিমূলক গান রচনা করেছিলেন। কিন্তু এ প্রবন্ধে শুধু তাঁর ইসলামী গান ও  ইসলাম ধর্মবিষয়ক কবিতা চুম্বকাকারে আলোচনা করব, যাতে বোঝা যাবে যে নজরুল কিভাবে বাংলা ভাষার মাধ্যমে বাঙালি মুসলমানকে ধর্মচর্চায় উদ্বুদ্ধ করে প্রকৃত ইসলাম প্রতিষ্ঠা হোক সেটি চেয়েছিলেন।

প্রথমে তাঁর ঈদের কবিতাটি দিয়ে শুরু করি, ‘ও মন রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশীর ঈদ।’ কিংবা ‘আজি ঈদ ঈদ ঈদ এলো/ঈদ মোবারক ঈদ মোবারক...।’

বছর পাঁচেক আগে আমি চুরুলিয়া গ্রাম দর্শন করতে গেলে কবি নজরুলের বাড়ির ঠিক উল্টো দিকের বাড়ির সীমানাপ্রাচীর গাত্রে বড় বড় অক্ষরে একটি বাণী দেখে থমকে যাই। বাণীটির সারমর্ম মনে থাকলেও কিন্তু চরণটি মুখস্থ ছিল না। কিন্তু আজকে (২৪ মে ২০২০) লিখতে বসে বইয়ের তাক থেকে আচম্বিত নজরুল রচনাবলির (বাংলা একাডেমি প্রকাশিত) ষষ্ঠ খণ্ড হাতে নিয়ে এমনি ওল্টালে চোখ পড়ল ১৪২ পৃষ্ঠায় গ্রন্থিত ‘ক্ষমা করো হজরত!’ শীর্ষক কবিতাটিতে, যেটির প্রথম স্তবকটি এ রকম :

‘তোমার বাণীরে করিনি গ্রহণ, ক্ষমা করো হজরত।

ভুলিয়া গিয়াছি তব আদর্শ, তোমার দেখানো পথ ক্ষমা করো হজরত।’

আশ্চর্য যে ঠিক এই বাণীটিই (যদি আমার স্মৃতি আমাকে প্রতারিত না করে) ওই দেয়ালগাত্রে উত্কীর্ণ দেখে সেদিন আমি বিশ্বাস করতে পারিনি যে এটি কবি নজরুলের লেখা হতে পারে। কারণ কবি নজরুল সম্পর্কে আমার প্রাক-ধারণা ছিল যে তিনি ধর্মীয় চেতনায় পারিবারিক ঐতিহ্যগত দিক থেকে ঋদ্ধ চেতনার অধিকারী হলেও তাঁর পক্ষে ওইভাবে ক্ষমাপ্রার্থী হিসেবে চরণগুলো লেখা সম্ভব ছিল না। আমি ভেবেছিলাম যে ওইটি হয়তো কেউ কালের পরিবর্তনে কোনো রাজনৈতিক কারণে কবি নজরুলের ধর্মীয় প্রীতির সমর্থনে রচনা করে ফলাও করেছে। যদিও আমার এই ভুল অনুমান করার কোনো অধিকার ছিল না, তার পরও সেটা আমার মনে মনে ছিল এবং থেকেই যেত যদি না আজকে কবিতাটিতে চোখ পড়ত। এখন এ প্রসঙ্গে আরেকটি কথা মনে পড়ছে, কিছুদিন আগে শ্রদ্ধেয় আনিস স্যার মারা গেলে বন্ধু, বিশিষ্ট লেখক মোরশেদ শফিউল হাসান তাঁর ফেসবুক স্ট্যাটাসের শ্রদ্ধাঞ্জলিতে জানান যে আনিস স্যার জানিয়েছিলেন যে ‘চল চল চল’ শীর্ষক গানটিতে ‘মহাশ্মশান’ আর ‘গোরস্তান’ নিয়ে যে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছিল এবং বলা হয় যে পাকিস্তানি সাম্প্রদায়িকতা মনোভাবাপন্ন লোকেরা প্রথম শব্দটিকে কেটে দ্বিতীয় শব্দটি বসিয়ে দিয়েছিল, সেটি আসলে ঠিক নয়, সেটি নজরুলই ‘শিখা’ গোষ্ঠীর একটি সম্মেলনে কবিতাটি পাঠ করার সময় বদলে দিয়েছিলেন। এবং আনিস স্যার ভুল উদ্ধৃতি দেওয়ার লোক নন। (আমার সংগ্রহে অধ্যাপক রশিদুন্ নবী সম্পাদিত ‘নজরুল-সঙ্গীত সংগ্রহ’ গ্রন্থটিতে নজরুলের হাতের লেখায় ‘নব নবীনের গাহিয়া গান সজীব করিব মহাশ্মশান’ গানটি ছাপা আছে যেমন, তেমনি ২৯৬ পৃষ্ঠায় ছাপা হওয়া গানেও ওই একই শব্দটি আছে, ‘গোরস্তান’ নেই।)

নজরুল সম্পর্কে আমার আগের অনেক লেখায় আমি বলেছি যে নজরুলের উচ্চকিত বিদ্রোহী সুরধারার কারণে তাঁর অতি প্রচ্ছন্ন একটি আবেগ চাপা পড়ে গেছে বা কম পরিচিত থেকে গেছে।  সেটি হলো তাঁর ধর্মচিন্তা। ধর্মের আনুষ্ঠানিক এবং প্রাতিষ্ঠানিক চর্চাকে তিনি একান্তই অমানবিক মনে করতেন এবং এর সাধ্যমতো বিরোধিতাও করেছিলেন, অনেকটা মনে হয় তাঁর নিজের জীবনকে সাক্ষী করেও, যে প্রতিবাদের প্রচণ্ডতাকে  সুচালো করে নিয়ে শুধু ‘মানুষ’ কবিতাটির ওপর আলো ফেললেই বোঝা যাবে, যেখানে একই ক্ষুধার্ত ভিখারি খাবার চেয়ে যুগপৎ মন্দিরের পুরোহিত এবং মসজিদের ইমাম কর্তৃক প্রত্যাখ্যাত হয়। তারপর জুড়ে দিলেন সেই অমোঘ বাণীনিচয় :

হায় রে ভজনালয়,

তোমার মিনারে চড়িয়া ভণ্ড গাহে স্বার্থের জয়!    মানুষেরে ঘৃণা করি’/ও কারা কোরান, বেদ, বাইবেল চুম্বিছে মরি’ মরি’

. . . . .                 মূর্খরা সব শোনো,/মানুষ এনেছে গ্রন্থ;—গ্রন্থ আনেনি মানুষ কোনো।

কিন্তু নজরুল যদি সাধারণ মানের বিদ্রোহী হতেন, তাহলে ওপরের চরণগুলো লিখেই তিনি কাঠমোল্লাদেরকে যথেষ্ট ব্রহ্মাঘাত করেছেন মনে করে থেমে যেতেন, এবং ভক্তদের হাততালি পেয়ে সন্তুষ্ট হতেন। কিন্তু নজরুল ছিলেন বড় মাপের বিদ্রোহী। বিদ্রোহ ব্যাপারটা তাঁর কাছে ছিল একটি মহান দায়িত্ব পালনের মতো। সে দায়িত্বটি কী? তিনি বুঝেছিলেন, বাঙালি মুসলমানরা যে ভাষায় ধর্ম পালন করে সেটি তাদের মাতৃভাষা নয়। মাতৃভাষার মাধ্যমে ধর্ম পালিত না হলে ধর্মের মূল চেতনা বা ইসলামের মহান ভ্রাতৃত্ববোধের চেতনা মানুষের বিবেকে প্রবিষ্ট হবে না। তখন ধর্ম পালনের নামে চলবে কুসংস্কারাচ্ছন্ন আচার-আচরণ, লোভ এবং মাৎসর্যের চর্চা, ধর্মের নামে ধনীকে দিয়ে গরিবকে শোষণের পন্থা পাকা করা ওই পুরোহিত এবং মোল্লার মতো। এ কথাগুলো নজরুল হয়তো স্পষ্টভাবে বলেননি, কিন্তু আমরা তাঁর লেখাকে ভিত্তি করে অনুমান করতে পারি। (আমার একটি ইংরেজি লেখায় এই বিষয়ে বিস্তারিত আলাপের সময় ইংল্যান্ডের ইতিহাসের ষোড়শ শতাব্দীর প্রথমার্ধে উইলিয়াম টিনডেলের লাতিন থেকে বাইবেল ইংরেজিতে অনুবাদ করার প্রসঙ্গ সমীকরণ হিসেবে টেনেছি।)

তিনি অর্থাৎ কবি নজরুল তাই আরবি ভাষা থেকে বাংলায় অনুবাদের কাজে নামলেন। যে সুরাগুলো মুসলমানরা নামাজ আদায়ের সময় সাধারণত পাঠ করে থাকেন, সে সুরাগুলোর ৩৮টি  তিনি বাংলায় অনুবাদ করলেন। নাম দিলেন কাব্য আমপারা, প্রকাশিত হয় ১৯৩৩ সালে। তিনি ভূমিকায় এটির তর্জমার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে লিখলেন,

ইসলাম ধর্মের মূলমন্ত্র—পুঁজি ধনরত্ন মণি-মাণিক্য সব কিছু কোরআন মাজিদের মণি-মঞ্জুষায় ভরা, তাও আবার আরবি ভাষায় চাবি দেওয়া। আমরা বাঙালি মুসলমানেরা তা নিয়ে অন্ধভক্তি ভরে শুধু নড়াচড়া করি। ...আজ যদি আমার চেয়ে যোগ্যতর ব্যক্তিরা এই কোরআন মাজিদ, হাদিস, ফেকা প্রভৃতির বাংলা ভাষায় অনুবাদ করেন, তাহলে বাঙালি মুসলমানের তথা বিশ্ব মুসলিম সমাজের অশেষ কল্যাণ সাধন করবেন। অজ্ঞান-অন্ধকারের বিবরে পতিত বাঙালি মুসলমানদের তাঁরা বিশ্বের আলোক-অভিযানের সহযাত্রী করার সহায়তা করবেন। (মনোয়ারা হোসেন, ‘নজরুলের কাব্য আমপারা’—(২০০১) গ্রন্থের ভূমিকা থেকে উদ্ধৃত।)

নজরুল কোরআন শরিফ থেকে অনুবাদ করতে গিয়ে কখনো সহজীকরণের নামে অপব্যাখ্যা করেননি। এই সুরাগুলো হলো, সুরা ফাতিহা তো আছেই, তারপর ৭৮ নম্বর সুরা ‘নাবা’ থেকে শেষ সুরা ১১৪ নম্বর ‘নাস’ পর্যন্ত। করলেন অবশ্য কোনো এক অব্যাখ্যাত কারণ থেকে উল্টো দিক দিয়ে, অর্থাৎ ‘সুরা নাস’ দিয়ে শুরু করলেন এবং শেষ করলেন ‘সুরা নাবা’ দিয়ে। কিন্তু লক্ষ রাখলেন, অনুবাদ যেন যথার্থ থাকে, এবং সাথে সাথে সুরাগুলোর সুরেলা মেজাজটি যেন ঠিক থাকে। নজরুল আনুষ্ঠানিক ও প্রাতিষ্ঠানিক ধর্ম পালনকে মানবতার শত্রু মনে করলেও, সঠিক ধর্ম পালনকে তিনি মানবতায় উত্তরণের সোপান মনে করতেন। তাঁর অসাম্প্রদায়িক মানবতাবোধের প্রচারক হওয়ার পেছনে তাঁর জন্মকাল থেকেই পারিবারিক ও পারিপার্শ্বিক জগৎ থেকে ধর্ম সম্পর্কে শক্তিশালী যে ভিত্তি তৈরি হয়, সেটি তাঁকে সাহায্য করেছে বলে ধারণা করি। নজরুল শিশু বয়স থেকে মসজিদকেন্দ্রিক ধর্মীয় সহবত ও আচার-আচরণ সম্পর্কে গভীরভাবে পরিচিত ছিলেন। কাজেই ধর্মকে প্রশ্ন করতে হলে ধর্ম সম্পর্কে ভালো জ্ঞান থাকতে হবে, নজরুলের তাই ছিল।

অসাম্প্রদায়িকতার উজ্জীবন সবচেয়ে বেশি আছে ১০৯ নম্বর সুরা ‘কাফিরুন’-এ, যেখানে আছে এ পঙিক্তনিচয় : ‘ওয়া লা আনা আবিদুম মা আবাত্তুম / ওয়া লা আন্তুম আবিদুনা মা আবুদ / লাকুম দিনেকুম ওয়া লিয় দিন।’ শেষ পঙিক্তটির সাধারণভাবে বাংলায় তর্জমাকৃত কোরআন শরিফে অনুবাদ হয় এভাবে, ‘তোমাদের দীন তোমাদের, আমার দীন আমার।’ কিন্তু নজরুল করলেন কাব্যিক সুষমায় মণ্ডিত করে : ‘তোমাদের ধর্ম যাহা তোমাদের তরে, / আমার যে ধর্ম র’বে আমারি উপরে।’

কাব্যিক ব্যঞ্জনায় অনূদিত সুরাটি সহজেই মানব মনের গভীরে প্রবিষ্ট হবে।

ধর্মের এই মানবতাবাদী চিন্তাটিকে অর্থাৎ ‘লাকুম দিনেকুম ওয়া লিয় দিন’ কথাটিকে তাঁর সাহিত্যকর্মের মাধ্যমে প্রকাশ করার ক্ষেত্রে আরেকটি বড় কবিতা হলো—‘উমর ফারুক’। এক অর্থে বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ এ কবিতাটির মধ্য দিয়ে নজরুল অসাম্প্রদায়িকতা কিংবা যার যার ধর্মের ওপর তার তার অধিকার নিয়ে চমৎকার একটি আলেখ্য ফুটিয়ে তুলেছেন।

 জেরুজালেম নগরীর সঙ্গে ইসলামিক খেলাফতের একটি সন্ধিচুক্তি হবে। এই সন্ধিচুক্তি সম্পাদনে ইসলাম জাহানের খলিফা ওমর (রা.) একটি উট ও তার চালকসহ দুরন্ত-দুষ্কর মরুভূমি পাড়ির যাত্রা শুরু করে দিলেন। চালক ক্লান্ত হয়ে পড়ছে বলে খলিফা ওমর (রা.) মাঝে মাঝে তাকে উটের পিঠে বসালেন আর নিজেই উটের রশি ধরে যাত্রা অব্যাহত রাখলেন। এভাবে ক্রমশ দান উলোটপালট করতে করতে যখন জেরুজালেমের গির্জার মূল ফটকে পৌঁছালেন, তখন উটের পিঠে বসা উটের চালক আর উটের রশি ধরা হজরত ওমর (রা.) স্বয়ং। প্রথম দিকে গির্জার কর্তৃপক্ষ বুঝতেই পারলেন না, কে খলিফা আর কে চালক। সে যাই হোক, একপর্যায়ে সন্ধিচুক্তি স্বাক্ষরিত হলো, জেরুজালেম মুসলমানদের করতলগত হলো। তখন আসর নামাজের সময় হয়ে গেছে। খলিফা নামাজের জামাত করতে পারেন সে রকম জায়গার খোঁজ নিচ্ছেন, তখন গির্জার প্রধান যাজক বললেন যে সন্ধি যেহেতু হয়ে গেছে, খ্রিস্টান-মুসলমানে আর ভেদাভেদ নেই, খলিফা তো জামাত গির্জার প্রাঙ্গণেই সেরে ফেলতে পারেন। তখন খলিফা ওমর (রা.) কী বললেন সেটি নজরুলের অনুপম বয়ানে শুনুন :

হাসিয়া বলিলে, ‘তার তরে নয়, আমি যদি হেথা আজ/নামাজ আদায় করি, তবে কাল অন্ধ লোক-সমাজ/ভাবিবে খলিফা করেছে ইশারা হেথায় নামাজ পড়ি’/আজ হতে যেন এই গির্জারে মোরা মসজিদ করি!/ইসলামের এ নহে ক’ ধর্ম, নহে খোদার বিধান,/কারো মন্দির গির্জারে ক’রে মজিদ মুসলমান!’/কেঁদে কহে যত ঈশাই ইহুদী অশ্রু-সিক্ত আঁখি,/এই যদি হয় ইসলাম, তবে কেহ রহিবে না বাকি,/সকলে আসিবে ফিরে/গণতন্ত্রের ন্যায় সাম্যের শুভ্র এ মন্দিরে!”

অর্থাৎ মুসলমানের খলিফা যদি গির্জায় জামাত আদায় করেন, পরবর্তী সময়ে এটাই রেওয়াজ হয়ে যাবে যে ভিন্ন ধর্মের উপাসনালয়ে নামাজ আদায় করা মুসলমানদের জন্য জায়েজ।

মানুষের সব কাজই কোনো না কোনো সামাজিক উদ্দেশ্য সম্পাদনের ইচ্ছা থেকে উদ্ভাবিত। সে সূত্রে নজরুলের কাব্য আমপারার প্রচেষ্টা, ইসলামী বিষয় নিয়ে গান ও কবিতা রচনার পেছনে স্পষ্টত না হলেও গৌণভাবে একটা চেষ্টা ছিল বাংলা ভাষার মাধ্যমে বাঙালি মুসলমানকে ইসলাম ধর্ম পালনে উদ্বুদ্ধ করা।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা