kalerkantho

বৃহস্পতিবার  । ২৬ চৈত্র ১৪২৬। ৯ এপ্রিল ২০২০। ১৪ শাবান ১৪৪১

প্রদর্শনী

দ্বীপ গ্যালারিতে হামিদুজ্জামানের একক প্রদর্শনী

১৫ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



দ্বীপ গ্যালারিতে হামিদুজ্জামানের একক প্রদর্শনী

শিল্পী হামিদুজ্জামান খানের একক শিল্পকর্ম চলছে রাজধানীর দ্বীপ গ্যালারিতে। ‘ফিলিং দ্য ভয়েড’ শিরোনামে এই প্রদর্শনীতে স্থান পেয়েছে পেইন্টিং, ভাস্কর্য ও ইনস্টলেশন। হামিদুজ্জামান ৪০টির মতো একক প্রদর্শনী করেছেন। জাতীয় জাদুঘরের বিশাল গ্যালারি থেকে ছোট্ট গ্যালারিতেও হয়েছে তাঁর প্রদর্শনী। এবারের প্রদর্শনী ধানমণ্ডিতে ছোট্ট একটি গ্যালারিতে। গ্যালারি ছোট হলেও কাজের গভীরতা ও উপস্থাপনের কারণে এই প্রদর্শনীর গুরুত্ব অনেক বেশি। ছোট্ট এ গ্যালারির ভেতরেই স্থান পেয়েছে শখানেক শিল্পকর্ম। প্রদর্শনীটি দেখে যে কারো চোখ জুড়াবে। আমাদের দেশে প্রদর্শনীর অর্থ কোনো উপাদান যেকোনোভাবে দর্শকের সামনে উপস্থাপন করা। এই চিন্তার বাইরে এসে এ প্রদর্শনী। প্রদর্শনীতে রয়েছে চোখ জুড়ানোর কিউরেটিং। বাছাই করা কাজ সাজানো হয়েছে একটার সঙ্গে আরেকটার লিংক রেখে। কাজের  পৌনঃপুনিকতা না থাকার কারণে দর্শক প্রতিনিয়ত নতুনের খোঁজে এগিয়ে যায়। পুরো প্রদর্শনীটি কিউরেটিং করেছেন শিল্পী ও চিত্রসমালোচক মোস্তফা জামান।

প্রদর্শনীতে স্থান পাওয়া কাজের মধ্যে বেশির ভাগই কাগজে জলরঙে আঁকা ছবি। ছোট ছোট সেই কাজের গভীরতা অনেক বেশি। হামিদুজ্জামান নিয়মিত কাজের সঙ্গে আছেন। কখনো আঁকেন, কখনো গড়েন ভাস্কর্য। যার কারণে তাঁর ক্যানভাস বদলায় প্রতিনিয়ত। তাঁর ক্যানভাস বদলের সাম্প্রতিক রূপ দেখা যাবে এই প্রদর্শনীতে। এই কাজগুলো শিল্পীর রঙের সঙ্গে খেলা। দীর্ঘ জীবনের কাজের আধুনিক রূপ। ক্যানভাসে কোথাও রঙের ছন্দোবদ্ধ খেলা, কোনোটায় বিমূর্ত রঙের মূর্ছনা। তাঁর বিমূর্ত কাজগুলোও বাস্তবের সঙ্গে যুক্ত করে। মেটাল ও পাথরের রয়েছে অনেক ভাস্কর্য। ভাস্কর্য ও ছবির সঙ্গে রয়েছে যোগসূত্র। ক্যানভাসে ভেসে ওঠে ভাস্কর্যের অবয়ব। রঙের মূর্ছনায় আবার ক্যানভাসে ফিরে যায়। প্রদর্শনীর প্রতিটি উপাদান দর্শককে কাছে টেনে নেবে। ছোট ছোট কাঠের ভাস্কর্য (মাকেট) দিয়ে গড়া ইনস্টলেশন শুরুতেই দর্শককে দাঁড়াতে বাধ্য করবে। হামিদুজ্জামান পেস্টেলের রেখায় এই শিল্পকর্মকে ভিন্ন এক মাত্রায় নিতে পেরেছেন। ছন্দোবদ্ধ এই প্রদর্শনী শিল্পপ্রেমীদের শিল্পকর্ম দেখতে উৎসাহিত করবে। ১১ অক্টোবর এই প্রদর্শনী উদ্বোধন করেন লেখক হাসনাত আবদুল হাই ও শিল্পী মনিরুল ইসলাম।

 

মোহাম্মদ আসাদ

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা