kalerkantho

বুধবার । ১১ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৩ রবিউস সানি     

হুমায়ূন আহমেদের জন্মস্মরণ

গোড়াপত্তনে নন্দিত নরকে শঙ্খনীল কারাগার

তুহিন ওয়াদুদ   

১৫ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৯ মিনিটে



গোড়াপত্তনে  নন্দিত নরকে শঙ্খনীল কারাগার

অঙ্কন : প্রসূন

‘ভবিষ্যতে তিনি বিশিষ্ট জীবনশিল্পী হবেন—এই বিশ্বাস ও প্রত্যাশা নিয়ে অপেক্ষা করব।’ সাহিত্যের পুরোধা ব্যক্তিত্ব আহমদ শরীফ হুমায়ূন আহমেদের ‘নন্দিত নরকে’ উপন্যাসের ভূমিকাকথনে এই ভবিষ্যদ্বাণী লিখেছেন। আহমদ শরীফ এই বাণীর সত্যতা প্রত্যক্ষ করে গেছেন। আহমদ শরীফ প্রয়াত হওয়ার পর সেই সত্য আরো শাণিত হয়েছে। হুমায়ূন আহমেদ শুধু কথাশিল্পের আঙিনায় থাকেননি। তিনি সংগীত-নাটক-চলচ্চিত্র রচনা ও পরিচালনায়ও সমধিক খ্যাতি অর্জন করেছেন। জীবনজুড়ে তিনি স্বীকৃতিও কম পাননি। সবচেয়ে বড় স্বীকৃতি তাঁর পাঠকের ভালোবাসা। উপচে পড়া ভালোবাসা। লেখক হিসেবে এ ভালোবাসা এক পরম প্রাপ্তি।

‘নন্দিত নরকে’ উপন্যাসের মাধ্যমে সাহিত্যবলয়ে হুমায়ূন আহমেদের অভিষেক হয়েছে। এর পরই তাঁর প্রকাশিত ‘শঙ্খনীল কারাগার’ও পাঠক, সুধীজন এবং সাহিত্যবোদ্ধাদের কাছে গভীরভাবে সমাদৃত হয়েছে। তাঁর জনপ্রিয়তা আর কোনো দিন কমেনি। পরবর্তী সময়ে লেখকজীবনকেই বেছে নিয়েছিলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপনাও ছেড়ে দিয়েছিলেন। আমৃত্যু শিল্প-সাহিত্যের আঙিনায় কাটিয়ে গেছেন জীবনের সবটুকু। নিরবচ্ছিন্ন এই পথচলায় তাঁর জনপ্রিয়তা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পেলেও প্রথম দৃটি উপন্যাসের শিল্পমান অতিক্রম করা খুব বেশি সম্ভব হয়নি। প্রাজ্ঞজনের আলোচনায় হুমায়ূন আহমেদের এ দুটি উপন্যাস গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচ্য।

হুমায়ূন আহমেদ কথাসাহিত্যে প্রবেশই করেছেন মুনশিয়ানা নিয়ে। মধ্যবিত্তজীবনের উচ্চমার্গীয় বয়ানে তাঁর সেই মুনশিয়ানা ছিল অপরাজেয় কথাশিল্পীর মতো। শুধু বিষয়ের গুণে নয়, শৈলীর কারণেই এ উপন্যাস দুটি বাংলা সাহিত্যের উল্লেখযোগ্য উপন্যাসগুলোর অন্তর্ভুক্ত হয়ে উঠেছে। হুমায়ূন আহমেদের গদ্যের যে স্তুতির স্থান, তা-ও নির্দিষ্ট হয়েছিল প্রথম দুটি উপন্যাসেই। শব্দের খেলা কিংবা ভাবের বহু স্তরবিন্যাস তাঁর রচনায় অনুপস্থিত। তিনি কথার সরল বর্ণনায় নিরীক্ষার প্রবণতা উপেক্ষা করেছেন।

দেশবিভাগের পর বাংলা কথাসাহিত্যের বিষয় ও আঙ্গিকে পরিবর্তন আসতে শুরু করে। পাকিস্তান সরকারের সাংস্কৃতিক আগ্রাসননীতি ছিল। পূর্ববঙ্গে রাজনৈতিক স্বাধীনতাও ছিল না। কবি-শিল্পীরা সরল পথে চিন্তার প্রকাশ সহজভাবে করতে পারতেন না। ক্রমে ক্রমে পূর্ববঙ্গ তথা আজকের বাংলাদেশের রাজনৈতিক অবস্থা যখন চরম রূপ ধারণ করেছে, এ রকম সময়ে হুমায়ূন আহমেদ রাজনীতির বাতাবরণ ছেড়ে মধ্যবিত্তজীবন পাঠে ব্যস্ত ছিলেন। কথাশিল্প রচনার শুরুতেই আমরা হুমায়ূন আহমেদকে পরিণত লেখক হিসেবে পাই। শুরু করা মাত্রই সাফল্যে নিজেকে মেলে ধরতে পারা লেখকের সংখ্যা বাংলা সাহিত্যে নেই তা নয়। তবে বিরল। সেই বিরল শ্রেণিভুক্ত হুমায়ূন আহমেদ।

সত্তরের দশকের শুরুতে তাঁর আবির্ভাব। তিনি নিজেই ভূমিকা কথনে লিখেছেন—‘নন্দিত নরকে’ ও ‘শঙ্খনীল কারাগার’ উপন্যাস দুটির রচনাকাল খুব কাছাকাছি সময়ে। সত্তরের দশকে হুমায়ূন আহমেদ যে হৃদয়স্পর্শী গদ্যভাষা নির্মাণ করেছেন, তা তুলনারহিত। তুলনারহিত এ কারণে বলছি যে গদ্যের জটিলতা ছাড়াই যে কথাধর্মী ভাষাকাঠামো দাঁড় করিয়েছেন, তা অনেকটাই স্বতন্ত্র। অলংকারের ভারে ভারাক্রান্ত নয় তাঁর ভাষা। নিরালংকার, নিরাভরণ হলেও নান্দনিকতার সূচকে উঁচু দরের।

‘নন্দিত নরকে’ ও ‘শঙ্খনীল কারগার’—দুটি উপন্যাসেরই কাহিনির নির্মিতি উত্তমপুরুষের বয়ানে। চরিত্রের নামগুলো প্রায় অভিন্ন। দুটি আলাদা পরিবারের ঘটনাকে যেন লেখক অভিন্ন নামের মাধ্যমে তুলে এনেছেন। লেখক ‘শঙ্খনীল কারাগার’ উপন্যাসের ভূমিকায় লিখেছেন, ‘নন্দিত নরকে’, ‘শঙ্খনীল কারগার’ ও ‘মনসুবিজন’ নামে তিনটি আলাদা গল্প প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই লিখে ফেলি। নিজের ওপর বিশ্বাসের অভাবের জন্যই লেখাগুলো দীর্ঘদিন আড়ালেই পড়ে থাকে।’ লেখকের এই উদ্ধৃতিতে বোঝা যায়, তিনি রচনা দুটিকে গল্প বলেছেন। রচনার ধরন অনুযায়ী এ রচনা দুটিকে বড় গল্প কিংবা ছোট উপন্যাস বা উপন্যাসিকা বললেও ভুল হয় না। তবে ছোটগল্প, বড় গল্প, ছোট উপন্যাস কিংবা উপন্যাস—যা-ই বলা হোক না কেন, তা কথাসাহিত্যের অমূল্য সম্পদ।

নিম্নমধ্যবিত্ত সমাজকে কতটা বাস্তবসম্মতভাবে তুলে আনা যায়, কথাসাহিত্যে তার দৃষ্টান্ত এ দুটি উপন্যাস। পশ্চিম পাকিস্তানি শোষণে এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক অবস্থা ছিল চরম ভঙ্গুর। সমাজ নিম্নবিত্ত মানুষে ভরা। উচ্চবিত্ত পরিবারের সংখ্যা ছিল খুবই কম। উচ্চমধ্যবিত্ত পরিবারও খুব বেশি ছিল না। এ রকম একটি সমাজের নিম্নমধ্যবিত্ত সমাজের যে এক করুণ আর্তি, সেই চিত্রই তিনি অঙ্কন করেছেন এ দুটি উপন্যাসে। উপন্যাস দুটির বিষয়ভূমি নিত্যদিনের।

‘শঙ্খনীল কারাগার’ উপন্যাসের রাবেয়া, খোকা, রুনু, মণ্টু এবং এদের মা, বাবা প্রত্যেককে আমরা ‘নন্দিত নরকে’ উপন্যাসেও পাই। চরিত্রের নামগত ভিন্নতা না থাকলেও তারা আলাদা পরিবারের। তাদের সমস্যার উৎসমূল অভিন্ন হলেও ঘটনাপ্রবাহ আলাদা। ফলে দুটি উপন্যাস যে আলাদা উপন্যাস, একটি যে অপরটির সম্প্রসারিত রূপ নয়, তা সহজেই বোঝা যায়। নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারে সমস্যা ঢেকে রাখতে চাইলেও কোনো দিক দিয়ে সমস্যা বের হয়ে আসে। অন্যের কাছে নিজেদের দীনতা শেষ পর্যন্ত ধরা পড়ে। সেটি কখনো বাইরের লোকের সামনে, কখনো সন্তানের কাছে মা-বাবার।

দুটি উপন্যাসেই স্বল্প মাইনে পান রাবেয়ার বাবা। মা দুটোতেই গৃহিণী। দুটোতেই মায়ের নাম শিরিন। ‘নন্দিত নরকে’ উপন্যাসে শিরিনের দ্বিতীয় বিয়ে হয় রাবেয়ার বাবার সঙ্গে। আর ‘শঙ্খনীল কারাগার’ উপন্যাসে তাকে দেখা যায়, প্রথম বিয়েবিচ্ছেদের পর দ্বিতীয় বিয়ের সংসারে। ‘নন্দিত নরকে’ উপন্যাসে বিশাল পরিবারে বিবিধ টানাপড়েনের ভেতর দিয়ে শিরিন চরিত্রটির বিকাশ হতে দেখি। সন্তানের যেকোনো ছোট চাওয়াও তিনি পূরণ করতে পারতেন না। তখন তাকে খুবই অসহায় দেখাত। এ উপন্যাসে মেয়ে রাবেয়াকে আমরা অনেকটা অপ্রকৃতিস্থ হিসেবে পাই। মানসিকভাবে অসুস্থ রাবেয়াকে একসময় বিয়েবহির্ভূত অন্তঃসত্ত্বা হতে দেখি। নিম্ন আয়ের পরিবারে ভালো চিকিৎসকের কাছে নেওয়ার সামর্থ্য তাদের ছিল না। স্থানীয় কোনো টোটকা চিকিৎসায় গর্ভপাত করানোর চেষ্টা করা হলে তার মৃত্যু হয়। কার মাধ্যমে রাবেয়া অন্তঃসত্ত্বা হয়েছিল তা খুঁজে পাওয়ার চেষ্টা করেও পাওয়া যাচ্ছিল না। রাবেয়ার মৃত্যুর পরপরই মণ্টুকে দেখা যায়, তিনি তার বাবার বন্ধু শরীফ মিয়া নামের একজনকে খুন করেন। শরীফ মিয়া বিয়ে করেননি। রাবেয়াদের বাসায় থাকতেন। রাবেয়ার মৃত্যুর খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই শরীফ মিয়াকে হত্যা করার মধ্য দিয়ে বোঝা যায়, শরীফ মিয়ার মাধ্যমেই রাবেয়া অন্তঃসত্ত্বা হয়েছিল। পরিণতিতে মণ্টুর ফাঁসি হয়। মণ্টুর ফাঁসির মাধ্যমে উপন্যাসের সমাপ্তি। ‘নন্দিত নরকে’ উপন্যাসে শিরিন শেষ পর্যন্ত বেঁচে থাকলেও ‘শঙ্খনীল কারাগার’ উপন্যাসে তাঁকে একপর্যায়ে মৃত দেখানো হয়েছে। নিনুর জন্মের সময় তিনি মারা যান। খোকার মা দ্বিতীয় বিয়েতে ২৩ বছর সংসার করে মারা গেছেন। এই ২৩ বছরে তিনি খুব গম্ভীর জীবন যাপন করে গেছেন। 

খোকার বাবা শিরিনদের বাড়িতে থেকে চাকরির সন্ধান করছিলেন। তখন শিরিন এমএ পরীক্ষার্থী ছিলেন। সেই সময়ে পূর্বস্বামী আবিদ হোসেনের সঙ্গে তাঁর বিচ্ছেদ হয়। তারপর তাঁর দ্বিতীয় বিয়ে হয়। রাবেয়া প্রথম পক্ষের সন্তান। রাবেয়া নিজে জানতেন, তাঁর বাবা আবিদ হোসেন। কিন্তু এই সত্য তিনি ছোট ভাই-বোনদের জানতে দেননি। তাদের মা-বাবাও জানাননি। উপন্যাসের শেষে আমরা জানতে পারি এই সত্য। শিরিন ভালো গান জানতেন। দীর্ঘ ২৩ বছরে তিনি কোনো দিন গানও করেননি। জীবনের প্রতি অভিমান নিয়েই তিনি দেহত্যাগ করেছেন।

দুটি উপন্যাসেই কষ্টের পরিমাপ করলে দেখা যায়, কষ্টের অতলে নিম্নবিত্তের জীবন। বিচ্ছেদজনিত কষ্টের জীবন থাকলেও ‘শঙ্খনীল কারাগার’-এ আমরা সেই কষ্টের বিস্তর আলোকপাত দেখি না। বরং তার চেয়ে অনেক বড় করে দেখানো হয়েছে বিত্তের সংকটকে। নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারে যেসব সংকট আপনার থেকে ধরা দেয়, সেসব সমস্যায় আবর্তিত হয়েছে তাদের জীবন। রাবেয়া দুটি উপন্যাসেই দুঃখী মানুষ। ‘নন্দিত নরকে’ উপন্যাসে মানসিক রোগী। পরিণতিতে তাঁর মৃত্যু হয়। ‘শঙ্খনীল কারাগার’-এ রূপ না থাকায় তাঁর বিয়ে হয় না। মায়ের মৃত্যুর পর সংসারে ভাই-বোন-বাবার দেখাশোনা করতেন। শেষে একটি স্কুলের সুপারিনটেনডেন্ট হিসেবে দূরে চলে যান। রূপ না থাকলে একজন মেয়েকে কোন বাস্তবতার মধ্য দিয়ে হেঁটে যেতে হয়, সেই সত্য জ্বলে উঠেছে রাবেয়া চরিত্রে। এই উপন্যাসে রাবেয়ার বোনের বিয়ে নিয়েও জটিলতা কম হয়নি। রাবেয়ার আরো তিন বোন। রুনু, ঝুনু, নীনু। বিয়ের দুদিন আগে রুনুর বর অন্যকে লেখা প্রেমপত্র পেলে সে এ বিয়েতে অসম্মত হয়। পূর্বনির্ধারিত দিনে সে রুনুর ছোট বোন ঝুনুকে বিয়ে করে। রুনু এতে ভেঙে পড়ে। পরিণতিতে তাকে বাঁচিয়ে রাখা সম্ভব হয় না।

উপন্যাসে রাবেয়ার ভাই খোকা চরিত্রে যাকে আমরা পাই, তিনি দুটি উপন্যাসেই বাড়ির বড় ছেলে। এই চরিত্রের মাধ্যমেও লেখক নিম্নমধ্যবিত্ত জীবনের অনেক অনুষঙ্গই তুলে এনেছেন। দুটি উপন্যাসের সম্পূর্ণ কাহিনিও মূলত তাঁরই জবানীতে। ‘নন্দিত নরকে’ উপন্যাসে আমরা তাঁর চাকরিপ্রাপ্তিতে দেখি, সবারই অনেক আবদার। বাবার সামান্য আয়ে যত অপ্রাপ্তি আছে, সবটাই যেন ছেলের উপার্জনে পূরণ হবে।

হুমায়ূন আহমেদ দুটি উপন্যাসেই নিম্নমধ্যবিত্ত জীবনের আলেখ্য তুলে আনলেও দুটি উপন্যাসে আমরা উচ্চবিত্ত পরিবারও পাই। উচ্চবিত্ত পরিবারের কেউ-ই এখানে মুখ্য নয়। ‘নন্দিত নরকে’ উপন্যাসে কাহিনি কথকের পাশের বাসায় উচ্চবিত্ত শীলুরা থাকতেন। শীলুকে নিজের অজান্তে তিনি ভালোবাসতেন। কল্পনায় সেই ভালোবাসার কিছুটা ব্যাপ্তি থাকলেও কখনোই তা দ্বিপক্ষীয় প্রেমের কোনো অবস্থা সৃষ্টি করেনি। ‘শঙ্খনীল কারাগার’ উপন্যাসে তাঁর খালাদের উচ্চবিত্ত সম্ভ্রান্ত বংশীয় হিসেবে পাওয়া যায়। খালাতো বোন কিটকিকে পছন্দ করত খোকা। এই পছন্দও ছিল একপেশে। দ্বিপক্ষীয় প্রেমের আলাপের বিস্তার নেই।

নিম্নমধ্যবিত্ত জীবনের সবচেয়ে বড় সম্পদ তাঁদের পরস্পরের প্রতি পরস্পরের ভালোবাসা। পরস্পরের প্রতি পরস্পরের দায়। এ দুটি উপন্যাসে সেই বাস্তবতাকেও নিখুঁতভাবে তুলে এনেছেন। বড় ছেলে হিসেবে খোকাকে ভীষণ দায়িত্বশীল হিসেবে দেখতে পাই। ভাই-বোনদের আলাপচারিতায় নিখাদ ভালোবাসার দিকটি ফুটে উঠেছে। একে অপরের কষ্টে গভীরভাবে আহত হয়েছে। পরস্পরকে বোঝার চেষ্টাও আছে। স্বল্প মাইনে পাওয়া বাবা চরিত্রটি আত্মসম্মানের প্রশ্নে অটুট। পরতে পরতে সরল জীবনের ভাঁজে কত বিচিত্র জটিলতা এসে উপস্থিত হয়, তারই চালচিত্র এ দুটি উপন্যাসে পাওয়া যায়।

হুমায়ূন আহমেদ খ্যাতি আর প্রতিষ্ঠার চূড়ায় আসীন হলেও তাঁর গোড়াপত্তন হয়েছে এ দুটি উপন্যাসের মাধ্যমে। তাঁর পরবর্তী জীবনের বিপুল রচনার ওপর দিয়ে প্রথম দুটি উপন্যাস পাঠকচিত্তে আজও আলো ছড়ায়। তাঁর অনবদ্য সৃষ্টি ‘হিমু’, ‘রূপা’, ‘মিসির আলী’ থাকলেও প্রথম উপন্যাস দুটির চরিত্রগুলোর আলোকচ্ছটা ম্লান হয়নি। হুমায়ূন আহমেদের জন্মস্মরণে পাঠকের পক্ষে অন্তর্গত ভালোবাসা।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা