kalerkantho

মঙ্গলবার । ১০ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১২ রবিউস সানি     

বিশ্বসাহিত্য

২১ জুন, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৪ মিনিটে



বিশ্বসাহিত্য

নতুন মার্কেস

সাংবাদিকতাকে ‘পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ জীবিকা’ মনে করতেন গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস। এ কারণেই বোধ হয় তিনি বলেছিলেন, ‘ওয়ান হান্ড্রেড ইয়ারস অব সলিটিউড’ বা  নোবেল পাওয়ার জন্য মানুষ আমায় মনে রাখবে—এটা আমি চাই না। আমি চাই, মানুষ মনে রাখবে আমার সাংবাদিকতার জন্য। স্প্যানিশ ভাষাভাষীর বাইরে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা মার্কেস অনুরাগীরা এত দিন তাঁর উপন্যাস, গল্প কিংবা নন-ফিকশনের স্বাদ পেয়েছেন এগুলোর ইংরেজি বা অন্য অনুবাদ থাকার কারণে। কিন্তু দীর্ঘ সময় ধরে একাধিক সংবাদপত্রে প্রকাশিত মার্কেসের লেখালেখি ইংরেজিভাষী পাঠকদের সামনে আসেনি। এত দিন পর, সম্প্রতি ১৯৫০-১৯৮৪ সাল অবধি মার্কেসের লেখা পঞ্চাশটি প্রবন্ধ-নিবন্ধের সংকলন প্রকাশিত হয়েছে ইংরেজি ভাষায়। বহুল প্রতীক্ষিত এই সংগ্রহের নাম ‘দ্য স্ক্যান্ডাল অব দ্য সেঞ্চুরি অ্যান্ড আদার রাইটিংস’। রচনাগুলোতে প্রায় চার দশকের একটি সময় ধরা আছে। সেগুলো যেমন মার্কেসের স্বদেশ—অর্থাৎ কলম্বিয়ার রাজনৈতিক-সামাজিক পরিবর্তনের দলিল, তেমনই দক্ষিণ আমেরিকারও। আর একই সঙ্গে এগুলো সাহিত্যিক মার্কেসকে এক নতুন আলোয়ও উদ্ভাসিত করে। অন্যদিকে মার্কেস নিয়ে আরেকটি গ্রন্থ প্রকাশিত হতে চলেছে। জীবনীমূলক এই গ্রন্থের নাম ‘সলিটিউড অ্যান্ড কম্পানি : দ্য লাইফ অব গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস টোল্ড উইথ হেল্প ফ্রম হিজ ফ্রেন্ডস, ফ্যামিলি, ফ্যানস, আর্গুয়ার্স, ফেলো প্র্যাঙ্কস্টার্স, ড্রাঙ্কস অ্যান্ড আ ফিউ রেসপেক্টেবল সোলস’। এটি একটি ওরাল বায়োগ্রাফি।

টায়ারি জোনস

উইমেনস প্রাইজ পেলেন

টায়ারি জোনস

একটি বইয়ের প্রকাশনা কম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধি রায় এবং পুতুল নির্মাণশিল্পী সেলেস্টিয়াল দাম্পত্য জীবন শুরু করেছে মাত্র। বিয়ের এক বছর পরই একটি মিথ্যা ধর্ষণ মামলায় অভিযুক্ত হয়ে জেলে যেতে হয় রায়কে। সেলেস্টিয়ালও জানে, রায় নির্দোষ। বিচার চলাকালে বুঝতে পারে, সে গর্ভবতী। রায়ের সঙ্গে আলাপ করেই সে গর্ভপাতের সিদ্ধান্ত নেয়। আদালত রায়কে দোষী সাব্যস্ত করে ১২ বছরের কারাদণ্ড দেয়। তিন বছরের মাথায় সেলেস্টিয়াল তার বাল্যবন্ধু আন্দ্রের প্রেমে পড়ে। সে রায়কে ডিভোর্স দিয়ে আন্দ্রেকে বিয়ে করতে চায়। জেলে যাওয়ার পাঁচ বছর পর আদালত রায়ের মামলার আগের রায় রদ করে তাকে নির্দোষ বলে ঘোষণা করে এবং খালাস দেয়। জেল থেকে বেরিয়ে রায় চলে যায় তার সাবেক এক ক্লাসমেটের সন্ধানে। এ কাহিনি মার্কিন লেখক টায়ারি জোনসের ‘অ্যান আমেরিকান ম্যারেজ’ উপন্যাসের। আদালতের ভুল রায়ে এক আফ্রিকান আমেরিকান যুবকের জেল খাটা এবং এর ফলে তার দাম্পত্য জীবন বিপর্যস্ত হওয়ার চিত্র এ উপন্যাস। উপন্যাসটি এ বছরের উইমেন্স প্রাইজ ফর ফিকশনের পুরস্কার জিতে নিয়েছে। ৩০ হাজার পাউন্ড অর্থমূল্যের যুক্তরাজ্যের মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারটি দেওয়া হয় শুধু নারী লেখকদের।

মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র

কিং : স্রেফ কুত্সা, না সত্যি?

বহু বছর ধরেই একটা কুত্সা চালু রয়েছে। এমনকি মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র যখন বেঁচেছিলেন, তখনো তা ছিল। এবার সেটি সত্যি প্রমাণিত হতে চলেছে। সাউদার্ন ক্রিশ্চিয়ান লিডারশিপ কনফারেন্সের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা প্রেসিডেন্ট,  শান্তিতে নোবেলজয়ী মার্টিন সর্বদাই সরকারের বিরাগভাজন ছিলেন। ষাটের দশকে কিংয়ের চরিত্রে কালি লাগাতে উঠেপড়ে লেগেছিলেন এফবিআই প্রধান জে এডগার হুভার। এ কারণে তিনি কিংয়ের কথাবার্তা গোপনে টেপ করতেন। আর তা করতে গিয়েই একদিন অবাক হয়ে গেলেন এফবিআইয়ের গোয়েন্দারা। কিং হোটেলের যে ঘরে ছিলেন, তার পাশের ঘরে বসেই তাঁরা আড়ি পাতেন। সেখানেই অপ্রত্যাশিতভাবে তাঁরা জানতে পারেন, কিংয়ের ঘরে চলছে যৌন ফুর্তি, লাম্পট্য। একজন এক নারীকে ধর্ষণ করছে, কিং তা দেখে হাসছেন! সম্প্রতি কিংয়ের অন্যতম জীবনীকার ডেভিড গ্যারো জানিয়েছেন, এ রকমই কয়েকটি ফাইল তাঁর হাতে এসেছে। এফবিআই টেপে আরো জানা যায়, কিংয়ের নাকি চল্লিশের অধিক বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক ছিল! সমস্যা হচ্ছে, ২০২৭-এর আগে সেসব ফাইল জনসমক্ষে প্রকাশ করার অনুমতি নেই।

►►রিয়াজ মিলটন

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা