kalerkantho

শনিবার । ১ অক্টোবর ২০২২ । ১৬ আশ্বিন ১৪২৯ ।  ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

বোচাগঞ্জ উপজেলা

অর্ধশত শিক্ষার্থীর জন্য শিক্ষা উপকরণ

হযরত খাতুনে জান্নাত (রা.) ইন্টারন্যাশনাল মহিলা মাদরাসার ৫০ শিক্ষার্থীকে খাতা, কলম দেওয়া হয়

মো. রাসেল ইসলাম   

১৩ আগস্ট, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ উপজেলার সেতাবগঞ্জ পৌর এলাকায় অবস্থিত হযরত খাতুনে জান্নাত (রা.) ইন্টারন্যাশনাল মহিলা মাদরাসা। মেয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য গড়ে ওঠা এই মাদরাসায় সচ্ছল ও অসচ্ছল সব পরিবারের মেয়েরাই পড়াশোনা করে। প্রতিষ্ঠান থেকে বই সরবরাহ করা হলেও একটু দরিদ্র ঘরের মেয়েরা অনেক সময়ই শিক্ষা উপকরণের অভাবে পড়ে। বিষয়টি নজরে নিয়ে এই শিক্ষার্থীদের জন্য সহায়তায় এগিয়ে আসেন শুভসংঘ উপজেলা শাখার বন্ধুরা।

বিজ্ঞাপন

সম্প্রতি এই মাদরাসার অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের জন্য খাতা, কলমসহ নানা রকম শিক্ষা উপকরণ নিয়ে হাজির হন কালের কণ্ঠ শুভসংঘের বন্ধুরা। হঠাৎ করে তারা এভাবে শিক্ষা উপকরণ পাবে ধারণাই করতে পারেনি মেয়েগুলো। আগে থেকে তারা কিছুই জানত না। খাতা-কলম উপহার পেয়ে শিক্ষার্থীদের মুখে দেখা যায় উজ্জ্বল হাসি। তারা বলে, আজকেই প্রথম জানতে পারলাম শুভসংঘ একটি সামাজিক সংগঠন। তারা শুভ কাজে সবার পাশে থাকে। এই সংগঠনের ভাইয়া-আপুরা আমাদের শিক্ষা উপকরণগুলো দিয়েছে। এর আগে আমাদের কেউ এভাবে শিক্ষা উপকরণ দেয়নি।

অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন বোচাগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আফছার আলী। তিনি বলেন, ‘তোমরা যে এভাবে করে ছোট ছোট ভালো কাজ করছ এ জন্য শুভসংঘকে অসংখ্য ধন্যবাদ। কাজগুলো দেখে আমার খুব ভালো লেগেছে। এই ভালো কাজগুলোর পাশে আমি আছি এবং সব সময় থাকব। ’ মাদরাসার মুহতামিম মাওলানা মোতাহার হোসেন বলেন, ‘আমাদের মাদরাসায় এসে আপনারা শিক্ষা উপকরণ দিয়েছেন। শুভসংঘের সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা। ’ বোচাগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি মাহবুব আলম বলেন, ‘আমরা শুভসংঘের বন্ধুরা সব সময় সমাজের অসহায় মানুষ থেকে শুরু করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের পাশে থেকে সহযোগিতা করি। শুভসংঘ এখন দেশের বৃহত্তম একটি সামাজিক সংগঠনে পরিণত হয়েছে। সারা দেশে শুভসংঘের বন্ধুরা স্বেচ্ছায় সামাজিক কাজগুলো করে। সামনের দিনেও আমরা শুভ কাজে সবার পাশে থাকব। ’

সাধারণ সম্পাদক মো. শাহনেওয়াজ সৌরভ বলেন, ‘আমাদের মতো করে এই উপজেলায় এখন পর্যন্ত কোনো সামাজিক সংগঠন এভাবে কাজ করেনি। সব ভালো কাজে আমাদের অংশগ্রহণ থাকবে। ’ আজাদ আলী জাপান বলেন, ‘এতগুলো শিক্ষার্থীর পাশে দাঁড়াতে পেরে খুব ভালো লাগছে। সামনের দিনেও এভাবে করে কাজ করব। ’ ইত্তেহাদ আজাদ দিহান বলেন, ‘শুভসংঘের সঙ্গে থেকে এভাবে করে মানুষকে সহযোগিতা করতে ভালো লাগে। তাই শুভসংঘের প্রগ্রামের কথা শুনলেই অংশগ্রহণ করি। ’



সাতদিনের সেরা