kalerkantho

শনিবার । ২০ আগস্ট ২০২২ । ৫ ভাদ্র ১৪২৯ । ২১ মহররম ১৪৪৪

জাতীয় সম্মেলন-২০২২

এক ফ্রেমে পুরো বাংলাদেশ

জাহিদ হাসান শাকিল ও রানা মিত্র   

২ জুলাই, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ১০ মিনিটে



এক ফ্রেমে পুরো বাংলাদেশ

আষাঢ় তার চিরচেনা রূপে প্রকৃতির পরিচ্ছন্নতায় ব্যস্ত। আকাশে ঘন মেঘের চোখ-রাঙানি। বজ্রপাতের বিকট শব্দে প্রকৃতিতে আছড়ে পড়ছে বৃষ্টি। ভোরের আলো তখনো ফোটেনি।

বিজ্ঞাপন

সারা দেশ থেকে একে একে আসতে শুরু করেছে শুভার্থীরা। গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র পিএইচএ ভবন তখন শুভসংঘ বন্ধুদের বিচরণে যেন নতুন প্রাণ ফিরে পেয়েছে। ভোরের পাখিদের সঙ্গে তাদের অভ্যর্থনা জানাতে প্রস্তুত ছিল জাতীয় সম্মেলনের আয়োজক কমিটি।   এসেই জাতীয় সম্মেলনের আইডি কার্ড, ব্যাজ, টি-শার্ট, সকালের খাবার নিয়ে যার যার বরাদ্দকৃত রুমে চলে গেল। সেই সঙ্গে চলে এসেছে প্রতিভার খোঁজে প্রতিযোগিতায় বিজয়ী প্রতিযোগীরা। কেউ নাচের কস্টিউম নিয়ে, কেউ বা এসেছে অভিনয়ের চরিত্র উপস্থাপনের অবয়বে। হাজির শুভার্থীদের এই মিলনমেলায় এসে খুবই আনন্দিত সবাই। আইইউবিএটিটতে (ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যাগ্রিকালচার অ্যান্ড টেকনোলজি)  অধ্যয়নরত ভুটান, ভারত, উগান্ডা, সোমালিয়া, নেপাল ও সেনেগালের ১৭ জন বিদেশি বন্ধু যোগ দেয় এই সম্মেলনে।

খাওয়ার পর দুপুরের বিরতি শেষে ঘড়ির কাঁটায় তখন বিকেল ৩টা। অডিটরিয়ামে হাজির পুরো আয়োজনের মধ্যমণি ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপের পরিচালক ও দুই বাংলার জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক ইমদাদুল হক মিলন। তাঁর সঙ্গে হাজির বসুন্ধরা গ্রুপের মাননীয় চেয়ারম্যানের একান্ত সচিব মাসুদুর রহমান মান্না। পুরো অডিটরিয়াম মুখরিত শুভার্থীদের হৈ-হুল্লোড় আর আড্ডায়। জাতীয় সংগীতের মধ্য দিয়ে শুরু হয় সম্মেলনের মূল অনুষ্ঠান। এরপর ফিতা কেটে সম্মেলনের উদ্বোধন ঘোষণা করেন ইমদাদুল হক মিলন ও মাসুদুর রহমান মান্না। সঙ্গে সঙ্গেই শুভসংঘের থিম সং বেজে ওঠে। বড় পর্দায় ভেসে ওঠে শুভসংঘের বিগত দিনের কাজগুলো। করোনায় অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চিত্র আর সারা দেশে শুভার্থীদের ভালো কাজগুলো।

আগত শুভার্থী ও প্রতিভার খোঁজে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের উদ্দেশে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন ইমদাদুল হক মিলন। তিনি বলেন, ‘আমাদের ডাকে সাড়া দিয়ে আজকের এই আয়োজনে উপস্থিত হওয়ার জন্য শুভসংঘের সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা। করোনার কারণে আমরা অনেক দিন একত্রে কোনো আয়োজন করতে পারিনি। শুভসংঘ ১২ বছর অতিক্রম করেছে। এই ১২ বছরে অনেক চড়াই-উতরাই পেরিয়ে এখন ১৩ লাখ সদস্যের বিশাল পরিবার। এর চেয়ে বড় পাওয়া আমার কাছে আর কিছুই নেই। এই বিশাল পরিবারকে আমি একত্র করতে পেরেছি শুধু বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহানের কল্যাণে। করোনাকালে শুভসংঘ ৫০ হাজার মানুষের কাছে খাবার পৌঁছে দিয়েছে জাকারিয়া জামানের নেতৃত্বে। গত শীতে প্রায় দেড় লাখ মানুষকে বসুন্ধরা গ্রুপের পক্ষ থেকে কম্বল দিয়েছি। ২০০ ছেলেমেয়ে শুভসংঘের বৃত্তিতে পড়াশোনা করছে। এই সব কিছুর পেছনে অবদান বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান মহোদয়ের। আমি মহান এই মানুষটির দীর্ঘায়ু কামনা করছি। ’

মাসুদুর রহমান মান্না বলেন, ‘বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান উদ্যোগ নিচ্ছেন। আমরা সেই লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি। দেশ গঠনে সামর্থ্য অনুযায়ী সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের পাশে দাঁড়াতে বিত্তশালীদের এগিয়ে আসতে হবে। যদি সমাজের সবাইকে সচেতন করতে পারি, তাহলে দেশের সার্বিক উন্নতি সম্ভব। আগামী প্রজন্মকে সচেতনতার বিষয়ে সজাগ করতে পারলে দেশ এগিয়ে যাবে। এই বার্তা পৌঁছে দিতে কাজ করছে শুভসংঘ। এই সংগঠনের ছেলেমেয়েরা বিনা স্বার্থে কাজ করে যাচ্ছে। আমি সবার মঙ্গল কামনা করি। ’

এবার পুরো বাংলাদেশকে এক ফ্রেমে আনার পালা। সারা দেশের ৬৪ জেলার সব বন্ধু নিজ জেলার প্ল্যাকার্ড উঁচিয়ে ধরে আগত অতিথিদের জানান দেয় তাদের আগমনী বার্তা। পুরো হল তখন করতালিতে মুখরিত। এই মানুষগুলোই তো করোনা কিংবা বন্যা, ঝড়, রোদ মাথায় নিয়ে যেকোনো দুর্যোগে পাশে থেকে সেবা করে যাচ্ছে অসহায় মানুষের।

এরপর আসে প্রতিভার খোঁজে প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণের পালা। করোনাকালীন ঘরে বসে প্রতিভা বিকাশের সুযোগ করে দিতেই শুভসংঘ এই ব্যতিক্রমধর্মী আয়োজন করেছিল। শুধু দেশ থেকেই নয়, প্রতিবেশী দেশ ভারত থেকেও শতাধিক প্রতিযোগী অংশ নেয় প্রতিযোগিতায়। নাচ, গান, আবৃত্তি, একক অভিনয়, ফটোগ্রাফি, চিত্রাঙ্কন, গল্প, কবিতা লেখাসহ সাতটি ক্যাটাগরিতে প্রায় পাঁচ হাজার প্রতিযোগী অংশ নেয়। দুটি ধাপে বিচারকাজ সম্পন্ন করে ৫৭ জনকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। বিজয়ীদের হাতে নগদ অর্থ, ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট তুলে দেন অতিথিরা। প্রতিযোগিতায় প্রধান বিচারক ছিলেন ইমদাদুল হক মিলন। সহকারী বিচারক হিসেবে ছিলেন মাসুদ হাসান, হানযালা হান, জাকারিয়া জামান, জান্নাত মার্জান ঐশি ও সুচিত্রা পূজা।

পুরস্কার গ্রহণ শেষে নেচেগেয়ে আর আবৃত্তিতে মঞ্চ মাত করে প্রতিভার খোঁজে প্রতিযোগিতার বিজয়ীরা। প্রথমেই চমক নিয়ে হাজির জুনিয়র ক্যাটাগরিতে আবৃত্তিতে বিজয়ী তাজকিয়া ফাইরুজ আরুশী। কবি নির্মলেন্দু গুণের ‘স্বাধীনতা, এই শব্দটি কিভাবে আমাদের হল’ কবিতা আবৃত্তি করে সবার চোখে জল এনে দেয় পাঁচ বছর বয়সী ছোট্ট আরুশী। মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে তাঁর কবিতা শোনে উপস্থিত সবাই। ইমদাদুল হক মিলন ও মাসুদুর রহমান মান্না আরুশীর আবৃত্তিতে মুগ্ধ হয়ে মঞ্চে ছুটে যান। তাকে কোলে তুলে নিয়ে আদর করেন ও শুভ কামনা জানান। এরপর একে একে নাচেগানে মঞ্চ মাতায় জারিন তাসনিয়া রূপকথা, কুঞ্জন দাস, সুনিপুণ বড়ুয়া চৌধুরী। জয়িতা বিনতে রশিদের মিমিক্রি শুনে স্তব্ধ পুরো দর্শক গ্যালারি। এর পরই গানে গানে মঞ্চ মাতান শুভসংঘ বন্ধু সুচিত্রা পূজা। ভাওয়াইয়া গানের মধুর সেই ভুবন-ভোলানো সুরের মায়ায় ইন্দ্রজাল সৃষ্টি করেন শুভসংঘ গাইবান্ধা জেলা শাখার বন্ধু তনু রায়। শুভসংঘ বন্ধু জান্নাত মারজান ঐশির চিরচেনা সুরের মূর্ছনায় হারিয়ে যায় সবাই। অনেকেই মঞ্চের সামনে এসে ঐশির গানের তালে নাচতে থাকে। দেখতে দেখতে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে শেষ হয় প্রথম দিনের সব প্রগ্রাম। কিন্তু শুভার্থীদের আড্ডা চলতে থাকে রাতভর। গান, নাচে পুরো হলরুম প্রাণবন্ত করে তোলে সবাই। সবার সঙ্গে তাল মিলিয়ে নাচেগানে কম যায়নি বিদেশি বন্ধুরাও। সেদিন নিস্তব্ধ মায়াবী রাতও যেন তার মায়ায় বেঁধেছিল শুভার্থীদের। রাতে একপশলা বৃষ্টি যেন ধুয়ে দিয়ে যায় সব অশুভ, দুঃখ আর জরা। আয়োজক কমিটির প্রস্তুতি এবার দ্বিতীয় দিনের।

দ্বিতীয় দিন ভোরের আলো সবে ফুটেছে। মেঘাচ্ছন্ন গগনে ততক্ষণে উঁকি দিচ্ছে সূর্যদেব। পাখির কলকাকলি আর শুভসংঘ বন্ধুদের এদিক-ওদিক বিচরণে পুরো পিএইচএ এলাকা তখন মুখরিত। সকালের খাবার খেয়ে বন্ধুরা যে যার মতো আড্ডায় ব্যস্ত। সারা দেশের শুভসংঘ বন্ধুরা একই সুতায় গাঁথা মালার মতো একে অন্যের সঙ্গে পরিচিত হচ্ছে। এত দিন সবাই সবার অপরিচিত ছিল। কেউ এসেছে টেকনাফ থেকে, কেউ তেঁতুলিয়া, কেউ ঠাকুরগাঁও, কেউ বা চট্টগ্রাম থেকে। তার পরও একে অন্যের প্রতি ভালোবাসা, সৌজন্যবোধ, সহমর্মিতা অবাক করে সবাইকে। হ্যাঁ, এটাই শুভসংঘ। সবাই শুভ কাজের মানুষ। সবার প্রাণ মিলিত হয় একই ধারায়। দুপুর তখন ১২টা। মঞ্চে আইইউবিএটির বন্ধুরা প্রস্তুতি নিচ্ছেন রম্য বিতর্কের। শুভসংঘ বন্ধু উজ্জ ছিলেন মডারেটর। বিতর্কের বিষয় ছিল ‘এই সংসদ মনে করে প্রেমকে মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া উচিত’। পক্ষে-বিপক্ষে দারুণ সব যুক্তিতে মেতে ওঠে পুরো অডিটরিয়াম।

দুপুরের খাবারের পর শুরু হয় মূল অনুষ্ঠান। শুভসংঘ পরিচালক জাকারিয়া জামানের উপস্থাপনায় প্রথমেই সারা দেশের বন্ধুদের নিয়ে পরিচিতি পর্ব শুরু হয়। একে একে ৬৪ জেলার বন্ধুদের মঞ্চে ডেকে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয় সবার সঙ্গে। এরপর শুভসংঘের বন্ধুদের প্রতি দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন ইমদাদুল হক মিলন। তিনি বলেন, ‘শুভসংঘের সঙ্গে যারা আছ, তোমাদের মধ্যে দেশপ্রেম থাকতে হবে। মানবসেবার জন্য নিজেকে তৈরি করো। তাহলে অবশ্যই জীবনে উন্নতি করা সম্ভব। শুভসংঘের প্রত্যেকটি সদস্য ফুল হয়ে ফুটবে এই সমাজে। আমরা চাই শুভ কাজের মাধ্যমে সমাজ ও দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে। আমরা সেটা পেরেছি। তোমরা সবাই আলোকিত মানুষ হয়ে গড়ে উঠবে। তাহলে তোমাদের আলোয় আলোকিত হবে পুরো বাংলাদেশ। ’

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আইইউবিএটির উপাচার্য আব্দুর রব ও শুভসংঘের কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা মাহবুবুর রহমান মনির, শুভসংঘ কাজীপুর উপজেলা শাখার উপদেষ্টা শাখাওয়াত হোসেন। তাঁদের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন ইমদাদুল হক মিলন। আব্দুর রব বলেন, ‘শুভসংঘের কাজ দেখে বুঝতে পেরেছি, এটি বেশ সক্রিয় একটি সামাজিক সংগঠন। শিক্ষার্থীরাই জাতির চালিকাশক্তি। এখন থেকেই মানুষের দুঃখ-দুর্দশা নিয়ে কাজ করলে ভবিষ্যতে এই শিক্ষার্থীরা যখন বড় পদে যাবে বা জনপ্রতিনিধি হবে, তাদের কাজ করতে সহজ হবে। সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারবে। কালের কণ্ঠ পত্রিকার শুভসংঘ শুধু নামেই নয়, কাজ দিয়ে তাদের অবস্থান তৈরি করেছে। ’

এরপর মঞ্চে আসেন বিভিন্ন দেশ থেকে অংশ নেওয়া শুভসংঘের বন্ধুরা। শুভসংঘে তাঁদের কাজ করার অনুভূতি জানান প্রত্যেকে। আধো আধো বাংলায় প্রকাশ করেন শুভসংঘের প্রতি তাঁদের ভালোবাসা। তারপর ভুটানের বন্ধুদের নাচে মেতে ওঠে পুরো অডিটরিয়াম। চমক আরো অনেক বাকি তখনো। উগান্ডার বন্ধু সুলতান মঞ্চে উঠেই শুরু করেন প্রয়াত কিংবদন্তি শিল্পী আইয়ুব বাচ্চুর কালজয়ী গান ‘সেই তুমি কেন এত অচেনা হলে’। উচ্ছ্বাস আর আনন্দে ভেসে ওঠে অনুষ্ঠানস্থল। সবাই একযোগে কণ্ঠ মেলায় সুলতানের সঙ্গে। বাংলাদেশের একজন শিল্পীর গান দূর উগান্ডার সেই তরুণকে ছুঁয়ে গেছে—এর চেয়ে আনন্দের আর ভালো লাগার মতো ঘটনা আর কী হতে পারে! এবার পালা দেশসেরা সংগঠনগুলোকে সম্মানিত করার, যারা সমাজের অসহায় মানুষের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে। দেশসেরা সংগঠন হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে দিনাজপুর জেলা, গাইবান্ধা জেলা, গলাচিপা উপজেলা, স্বরূপকাঠি উপজেলা। তাদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন  ইমদাদুল হক মিলন এবং শুভসংঘের উপদেষ্টা মাহবুবুর রহমান মনির। এরপর দেশসেরা ২৩ জন সংগঠকের হাতে তুলে দেওয়া হয় পুরস্কার। এ ছাড়া পাঁচজন উদীয়মান সংগঠকের হাতেও তুলে দেওয়া হয় সম্মাননা স্মারক। কয়েক মাসের কাজের বিবেচনায় উদীয়মান সংগঠক নির্বাচিত হয়েছেন ইমন চৌধুরী, শারমিন মনি, কাজী আয়েশা ফারজানা, আহসান হাবীব ও সোহান আহমেদ। এবার পালা কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার। সাদেকুল ইসলামকে সভাপতি এবং রানা মিত্রকে সাধারণ সম্পাদক করে শুভসংঘের কেন্দ্রীয় কমিটির ঘোষণা দেন জাকারিয়া জামান।

সবশেষ চমক নিয়ে হাজির হয় এবারের সম্মেলনের আয়োজক কমিটি। হারিয়ে যাওয়া পুরনো দিনের গানের সঙ্গে নাচ নিয়ে একে একে হাজির হয় মঞ্চে। তাদের মন-মাতানো পারফরম্যান্স দেখে মুগ্ধ হয় সবাই। দর্শকের তুমুল করতালিতে আয়োজক কমিটির সবাই দুই দিনের কাজের ধকল ভুলে যান। অনুষ্ঠান ধীরে ধীরে এগিয়ে যায় শেষের দিকে। সবার আকর্ষণ তখনো র‌্যাফল ড্রর দিকে। রাতের খাবারের আগে সবশেষ আয়োজন ছিল র‌্যাফল ড্র। প্রথম পুরস্কার বিজয়ীকে দেওয়া হয় মাইক্রোওয়েভ ওভেন। আরো ৫০ জনকে পুরস্কার দেওয়া হয়। সবার হাতে উপহার হিসেবে তুলে দেওয়া হয় বই, কলম, ক্যালেন্ডার ও টি-শার্ট। রাতের খাবার খেয়ে সবাই ব্যস্ত হয়ে পড়ে বাড়ি ফেরার জন্য।



সাতদিনের সেরা