kalerkantho

রবিবার । ৩ জুলাই ২০২২ । ১৯ আষাঢ় ১৪২৯ । ৩ জিলহজ ১৪৪৩

শুভসংঘ শিক্ষাবৃত্তি

পূরণ হবে সুমাইয়া যুবায়েরের স্বপ্ন শুভসংঘ শিক্ষাবৃত্তি

বাবা অসুস্থ হওয়ার পর আমাদের মধ্যে কিছুটা হতাশা কাজ করেছে। আমার বাবা মেরিনে চাকরি করতেন। তাই আমারও স্বপ্ন মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং পড়া। শুভসংঘ শিক্ষাবৃত্তি প্রদান করে আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছে, এ জন্য আমরা কৃতজ্ঞ

এনায়েত হোসেন মিঠু   

২১ মে, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পূরণ হবে সুমাইয়া যুবায়েরের স্বপ্ন শুভসংঘ শিক্ষাবৃত্তি

মেধাবী শিক্ষার্থী মির্জা সুমাইয়া আনজুম ও মির্জা আহমেদ যুবায়ের। তারা দুজন ভাই-বোন। সুমাইয়ার  স্বপ্ন এরোনটিকস ইঞ্জিনিয়ার কিংবা বিমানের পাইলট হওয়া। আর যুবায়েরের স্বপ্ন মেরিন ইঞ্জিনিয়ার হওয়া।

বিজ্ঞাপন

স্কুলের গণ্ডি থেকে কলেজের শুরুটা তাদের ঠিকঠাকভাবেই চলছিল। হঠাৎ বাবা মির্জা শাহরিয়ার কবির অসুস্থ হয়ে পড়ায় সংসারের উপার্জন থেমে যায়। পাশাপাশি এ দুই মেধাবী শিক্ষার্থীর স্বপ্নপূরণে উঁকি দেয় অনিশ্চয়তার মেঘ। তাদের পাশে দাঁড়াল শুভসংঘ। দুজনের স্বপ্নপূরণে প্রতি মাসে দেওয়া হচ্ছে শিক্ষাবৃত্তি।

শুভসংঘের শিক্ষাবৃত্তি পাওয়ার খবরে মির্জা সুমাইয়া আনজুম তার অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে বলে, ‘যখন একদম ছোট ছিলাম, তখন থেকে স্বপ্ন দেখতাম বড় হলে বিমান চালাব। যখন একটু বড় হলাম, তখনো ছোট্ট বেলাকার স্বপ্নটি দেখি। শুভসংঘ আমাদের দুই ভাই-বোনের স্বপ্ন পূরণের জন্য শিক্ষাবৃত্তি দিচ্ছে। এটি অবশ্যই আমাদের জন্য ভালো খবর। ’

মির্জা আহমেদ যুবায়ের নিজের অনুভূতির কথা জানাতে গিয়ে বলে, ‘বাবা অসুস্থ হওয়ার পর আমাদের মধ্যে কিছুটা হতাশা কাজ করেছে। আমার বাবা মেরিনে চাকরি করতেন। তাই আমারও স্বপ্ন মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং পড়া। শুভসংঘ শিক্ষাবৃত্তি প্রদান করে আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছে, এ জন্য আমরা কৃতজ্ঞ। ’

চট্টগ্রামের মিরসরাই পৌর সদরের পশ্চিম গোভানীয়া গ্রামের এ দুই শিক্ষার্থী ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে স্থানীয় সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসিতে জিপিএ ৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়। বর্তমানে তারা মিরসরাই কলেজে এইচএসসি প্রথম বর্ষে বিজ্ঞান বিভাগে অধ্যয়ন করছে।

এ দুই মেধাবী শিক্ষার্থী সম্পর্কে কলেজের অধ্যক্ষ নুরুল আফছার বলেন, ‘আমার কলেজের এ দুই শিক্ষার্থী একদম আলাদা ধরনের। তাদের মধ্যে কিছু একটা করার বা হওয়ার তীব্র আকাঙ্ক্ষা আমি দেখতে পাই। ’

শুভসংঘের দেওয়া শিক্ষাবৃত্তি প্রসঙ্গে অধ্যক্ষ বলেন, ‘আমি এরই মধ্যে জেনেছি শুভসংঘ সমগ্র দেশে এ ধরনের মহতী নানা উদ্যোগ গ্রহণ করছে। আমার এ দুই মেধাবী শিক্ষার্থীর পাশে দাঁড়ানোর জন্য শুভসংঘ পরিবারকে ধন্যবাদ। ’



সাতদিনের সেরা