kalerkantho

বুধবার। ৬ মাঘ ১৪২৭। ২০ জানুয়ারি ২০২১। ৬ জমাদিউস সানি ১৪৪২

শুভসংঘ পাঠচক্রের নিভৃতচারী দুই কবি

নজরুল ইসলাম   

২৮ নভেম্বর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



শুভসংঘ পাঠচক্রের নিভৃতচারী দুই কবি

ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে শুভসংঘ পাঠচক্রের প্রবীণ দুই সদস্য নিভৃতচারী কাব্যসাধক কবি আব্দুল কাদের (৭২) ও শামছুল হুদা (৭০)। যুগ যুগ ধরে নিভৃতে কাব্য সাধনা করে চলেছেন। পাঠচক্রের প্রতিটি আসরে তাঁদের অপরিহার্য উপস্থিতি অন্যদের উজ্জীবিত করে। আব্দুল কাদের ১৯৭৫ সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার নির্মমতায় আঘাত পেয়ে কাব্যসাধনা শুরু করেন। আর শামছুল হুদা স্থানীয় মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করে অবসর নিয়েছেন। তবে কাব্যসাধনা ছাত্রজীবন থেকেই। আব্দুল কাদের পৌর শহরের ১ নম্বর ওয়ার্ড সালটিয়া এলাকার বাসিন্দা। একাত্তরে বঙ্গবন্ধুর ডাকে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করলেও সনদ নেননি। পরে অবশ্য সনদের জন্য আবেদন করেছেন। এ পর্যন্ত তিনি অসংখ্য কবিতা লিখেছেন। কোনো বই প্রকাশ না করলেও গল্পের দুটি খাতাসহ ১৫টি লেখার খাতা অতি যত্নে সংরক্ষণ করছেন। আব্দুল কাদের বলেন, পত্রপত্রিকায় কিছু কবিতা ছাপা হয়েছে। কষ্ট ও ক্ষোভ থেকে লেখা শুরু করলেও এখন লিখে মানসিক সুখ পাই। শুভসংঘ পাঠচক্রের আসরে কবিতা আবৃত্তি করে আনন্দ পাই। শামছুল হুদা উপজেলার কান্দিপাড়া আস্কর আলী উচ্চ বিদ্যালয়, আলিমুন্নেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, বেগম রাবেয়া মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করে অবসর নিয়েছেন। লেখালেখি করছেন ছাত্রজীবন থেকেই। উপন্যাস, নাটক, গান, হামদ-নাতসহ অসংখ্য কবিতা লিখেছেন। এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি ও ভক্ত শিক্ষার্থীদের সহায়তায় এ পর্যন্ত ২০টি কাব্যগ্রন্থ প্রকাশ করেছেন। আরো শতাধিক পাণ্ডুলিপি যত্ন করে আগলে রেখেছেন। শামছুল হুদা বলেন, মনের আনন্দে লিখি। লেখা পড়ে যখন মানুষ আনন্দ পায় তখন খুব ভালো লাগে।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা