kalerkantho

বুধবার । ১২ কার্তিক ১৪২৭। ২৮ অক্টোবর ২০২০। ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

শুভ কাজের মানুষ

অসহায় রোগীদের পাশে ডা. হরিশংকর দাশ

নিয়ামুল কবীর সজল   

২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



অসহায় রোগীদের পাশে ডা. হরিশংকর দাশ

করোনাকালে যেসব চিকিৎসক ভয় উপেক্ষা করে রোগীদের সেবায় নিজেদের নিয়োজিত করে রেখেছেন তাঁদের মধ্যে অন্যতম চক্ষু চিকিৎসক ডা. হরিশংকর দাশ। ময়মনসিংহে বসবাস করা হরিশংকরের বয়স ৭১ বছর। করোনাকালে এই চিকিৎসক এক দিনের জন্যও বন্ধ করেননি তাঁর চিকিৎসাসেবা। বন্ধ করেননি নিজের চিকিৎসাপ্রতিষ্ঠান। নিয়মিত রোগী দেখেছেন, কর্মীদের দিয়েছেন নিয়মিত বেতন-ভাতা। যুক্ত থেকেছেন বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডেও। চিকিৎসকদের অভিভাবক হিসেবে, দুর্নীতিবিরোধী সামাজিক আন্দোলনে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন। জীবনের পড়ন্ত বেলায়ও রোগীদের সেবায় মানুষটির নতুন সাহসী রূপ দেখল ময়মনসিংহবাসী।

১৯৫০ সালে টাঙ্গাইলের ভুয়াপুরে জন্মগ্রহণ করেন হরিশংকর দাশ। ১৯৭৪ সালে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাস করেন। চক্ষু চিকিৎসায় উন্নত প্রশিক্ষণের জন্য তিনি ভিয়েনায় যান। ১৯৮৪ সালে ময়মনসিংহ নগরীর চরপাড়া মোড়ে পারমিতা চক্ষু ক্লিনিক নামের একটি বেসরকারি হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেন। শুরু থেকেই দরিদ্র ও অসহায় রোগীদের তিনি বিনা মূল্যে চিকিৎসাসেবা দিয়ে যাচ্ছেন। চক্ষু চিকিৎসার ক্ষেত্রে এই প্রতিষ্ঠান বৃহত্তর ময়মনসিংহবাসীর কাছে এক আস্থার নাম। শুধু চিকিৎসক হিসেবে নন, সামাজিক মানুষ হিসেবেও ডা. হরিশংকর দাশ সব মহলে পরিচিতজন এবং শ্রদ্ধার পাত্র। করোনার সময়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে তিনি রোগী দেখেছেন নিয়মিত। এখনো প্রতিদিন তিনি গড়ে ২০-৩০ জন রোগী দেখেন। অপারেশন হয় নিয়মিত। চিকিৎসাসেবা, রোগীদের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ এবং সাক্ষাৎ চলছে সেই আগের মতোই। প্রবীণ এই চিকিৎসকের এমন মহতী ভূমিকা ময়মনসিংহবাসী  দীর্ঘদিন মনে রাখবে।

মন্তব্য