kalerkantho

মঙ্গলবার । ৫ ফাল্গুন ১৪২৬ । ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০। ২৩ জমাদিউস সানি ১৪৪১

শহীদদের ইতিহাস জানল শিশুরা

লিমন বাসার   

২৫ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



শহীদদের ইতিহাস জানল শিশুরা

বগুড়া শুভসংঘ আয়োজিত ‘শহীদদের ইতিহাস জানো’ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিচ্ছেন বগুড়ার পুলিশ সুপার আলী আশরাফ ভূঁঞা। ইনসেটে সুবিধাবঞ্চিত শিশুরা। ছবি : ঠান্ডা আজাদ

সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের নিয়ে ব্যতিক্রমী অনুষ্ঠান ‘শহীদদের ইতিহাস জানো’ আয়োজন করেছে বগুড়া শুভসংঘ। আয়োজনটির মাধ্যমে মহান স্বাধীনতাযুদ্ধে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বরতা ও নৃশংসতা সম্পর্কে জানতে পারে অপেক্ষাকৃত পিছিয়ে পড়া দুই শতাধিক শিশু। একই সঙ্গে তারা ১৪ জন শহীদের কবর দেখার সুযোগ পায়।

গত ১৩ জানুয়ারি সোমবার বগুড়া জেলার শাহজাহানপুর উপজেলার বাবুরপুকুর বধ্যভূমিতে শুভসংঘ কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি লিমন বাসারের সভাপতিত্বে সকাল ১১টায় অনুষ্ঠান শুরু হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বগুড়ার পুলিশ সুপার আলী আশরাফ ভূঁঞা। বিশেষ অতিথি ছিলেন শুভসংঘ বগুড়ার প্রধান উপদেষ্টা আব্দুল মান্নান আকন্দ, উপদেষ্টা নাহারুল ইসলাম, শাহজাহানপুর উপজেলা চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেন সান্নু, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান হেফাজত আরা মিরা, খরনা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি সাজেদুর রহমান শাহীন, বগুড়া সদর থানার অফিসার ইনচার্জ এস এম বদিউজ্জামান, নন্দীগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ শওকত কবীর, শাহজাহানপুর থানার অফিসার ইনচার্জ আজিম উদ্দিন, শুভসংঘ বগুড়া জেলা শাখার সভাপতি ডা. সিরাজুল হক ফাইন, যুব শ্রমিক লীগ সভাপতি রাকিব উদ্দিন সিজার। বগুড়া শুভসংঘের সাধারণ সম্পাদক শিশির মোস্তাফিজের সঞ্চালনায় বাংলাদেশ প্রতিদিনের নিজস্ব প্রতিবেদক আব্দুর রহমান টুলু, শুভার্থী হাকিম আব্দুল কাদের, ঠান্ডা আজাদ, রফিকুল আলম, ফিরোজ কামাল ফারুক, জিয়াউর রহমান, রাকিব আহমেদ, রোমানা ইয়াসমিন রুমি, আল আদল আপন, মাবিয়া হোসাইন বিন্তু, তাসনিয়া রহমান, ইরা মণি, সিনথিয়া আক্তার, সুমাইয়া, মিনা, সাথি, সওদা, বগুড়া টাউন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা ইতি রানী মোদক, সাবরিনা নাসরিনসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

আলী আশরাফ ভূঞা বলেন, শুভসংঘ যেভাবে ভালো এবং ব্যতিক্রমী কাজ নিয়ে সামনে এগিয়ে যাচ্ছে তা অনেকের কাছেই অনুকরণীয় হয়ে থাকবে। এ ছাড়া অনুষ্ঠানে স্থানীয় খরনা ইউনিয়নের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মকবুল হোসেন ও আজাহার আলী এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা ইসরাফিল হোসেন ও নুরুজ্জামালকে উত্তরীয় পরিয়ে ও ক্রেস্ট দিয়ে সম্মাননা জানানো হয়।

দুই শতাধিক শিক্ষার্থী ও শুভসংঘের সদস্যরা লাল-সবুজ টি-শার্ট পরে ও ৪০ ফুটের বিশাল জাতীয় পতাকা প্রদর্শন করে ১৯৭১-এর শহীদদের প্রতি সম্মাননা জানায় ও একমিনিট নীরবতা পালন করে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা