kalerkantho

সোমবার । ০৯ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১১ রবিউস সানি ১৪৪১     

শুভসংঘের তিন বন্ধুর মরণোত্তর চক্ষুদান

১৩ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



শুভসংঘের তিন বন্ধুর মরণোত্তর চক্ষুদান

অতিথিদের সঙ্গে মরণোত্তর চক্ষুদান করা তিন বন্ধু

বেঁচে থেকে মানবিক কাজ করেও যেন থেমে নেই শুভসংঘের অনেক বন্ধু। মৃত্যুর পরও নিজেদের শুভ কাজ অব্যাহত রাখার প্রচেষ্টা চালিয়ে যায় কেউ কেউ। এ যেন অন্যের চোখে আলো দিয়ে সুন্দর পৃথিবীর মাঝে নিজের করে যাওয়া ভালো কাজগুলো দেখার প্রচেষ্টা। এই প্রচেষ্টার অংশ হলেন শুভসংঘের তিন বন্ধু। শুভ কাজ যাদের রক্তে মিশে গেছে, মরণোত্তর চক্ষুদাতা শুভসংঘের সেই তিন বন্ধুকে সম্মামনা দিয়েছে শুভসংঘ। গত ৫ ও ৬ এপ্রিল সাভারের গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের পিএইচএ ভবনে অনুষ্ঠিত শুভসংঘের প্রথম সম্মেলনে দেওয়া হয় এই সম্মাননা। বন্ধুরা হলেন কেন্দ্রীয় কমিটির সমাজকল্যাণ সম্পাদক ও গণবিশ্ববিদ্যালয় শুভসংঘের সহসভাপতি জয়দেব নাথ, গণবিশ্ববিদ্যালয় শুভসংঘ শাখার তথ্য ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক সানজিদা আফরিন,  গণবিশ্ববিদ্যালয় শুভসংঘের আপ্যায়নবিষয়ক সম্পাদক বীথি আক্তার বৃষ্টি।

মরণোত্তর চক্ষুদান নিয়ে নিজের অনুভূতির কথা জানান সানজিদা আফরিন। তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয়েছে যে মৃত্যুর পর যদি শরীরের মূল্যবান একটি অংশ কোনো মানুষের কাজে লাগে, তবে কেন করব না। সেই চিন্তা থেকেই এমন সিদ্ধান্ত।’ জয়দেব নাথ বলেন, ‘আমরা অনেক কাজই করি; কিন্তু সঠিক ভালো ও কার্যকর ভালো কাজ কোনটা সেটা খুঁজে পাই না। আমার কাছে এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে একটা কার্যকর ভালো কাজ হতে পারে বলে মনে হয়েছে।’ আর বীথি আক্তার বৃষ্টি বলেন, ‘এমন সিদ্ধান্তে পারিবারিক একটু বাধা থাকে। তার পরও নিজের ইচ্ছাতেই এমন সিদ্ধান্ত। আমি চলে গেলেও যদি এই দুই চোখ আলো দেয়, মন্দ কী?’ শুভসংঘের এই তিন সদস্যের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে কালের কণ্ঠ শুভসংঘ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি সাদেকুল ইসলাম বলেন, আমরা অনেক চেষ্টা করেও হয়তো একটা ভালো কাজের কাছাকাছি যেতে পারি। আবার অনেক সময় তা পারিও না। তবে চেষ্টা চালিয়ে যাই। এই চেষ্টাটাই জরুরি। সবাই যদি শুভ কিছু করার চেষ্টা করে, তবে আর অকল্যাণ কিছু হবে না। যা হবে কল্যাণই হবে। মরণোত্তর চক্ষুদান করা শুভসংঘের সদস্যদের এমন সিদ্ধান্তকে স্যালটু।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা