kalerkantho

বুধবার । ২৪ জুলাই ২০১৯। ৯ শ্রাবণ ১৪২৬। ২০ জিলকদ ১৪৪০

দ্বিতীয় জাতীয় জীববিজ্ঞান উৎসব

বিচিত্র প্রশ্নের কৌশলী জবাবে মুগ্ধ খুদে শিক্ষার্থীরা

জামাল হোসেইন ও রফিকুল ইসলাম   

৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ ০০:০০ | পড়া যাবে ৯ মিনিটে



বিচিত্র প্রশ্নের কৌশলী জবাবে মুগ্ধ খুদে শিক্ষার্থীরা

অতিথিদের সঙ্গে জীববিজ্ঞান উৎসবে বিজয়ী শিক্ষার্থীরা। ছবি : মঞ্জুরুল করিম

প্রযুক্তির কল্যাণে মায়ের পেটে থাকা সন্তানের লিঙ্গ আগে থেকেই জানা যায়। কিন্তু কুমিরের ডিম থেকে যে বাচ্চা বের হবে তার লিঙ্গ নির্ধারণ সম্ভব? অন্ধ মানুষ কী স্বপ্ন দেখে? এক্স ক্রোমোসোমের চেয়ে ওয়াই ক্রোমোসোম অনেক দূর্বল। অথচ বাস্তবতা হচ্ছে, মেয়েদের তুলনায় ছেলেরা অনেক বেশি শক্তিশালী কেন? এমন অবাক করা বিচিত্র প্রশ্ন ও তার কৌশলী জবাবে পেয়ে মুগ্ধ হয়েছে খুদে শিক্ষার্থীরা। তাদের উচ্ছলতা আর পদচারণায় জমে উঠেছিল বাংলাদেশে জীববিজ্ঞানের সবচেয়ে বড় আসর ‘দ্বিতীয় জাতীয় জীববিজ্ঞান উৎসব’।

শীতের সকালের হিমহিম পরিবেশ উপেক্ষ করে, কুয়াশাকে মাড়িয়ে খুদে শিক্ষার্থীরা গত ৫ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার উপস্থিত হয়েছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হল মাঠে। তাদের পদচারণায় মুখরিত ছিল পুরো কার্জন হল এলাকা। বিজ্ঞানের প্রতি আগ্রহ থেকেই দেশের নানা প্রান্ত থেকে ছুটে এসেছে খুদে শিক্ষার্থীরা। অলিম্পিয়াড পরীক্ষা, প্রশ্নোত্তর পর্ব ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের সরব উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত হলো জাতীয় জীববিজ্ঞান উৎসব।

ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো জীববিজ্ঞান উৎসবের আয়োজন করা হয়। রাজধানীর বিভিন্ন স্কুলসহ ৪৭টি জেলা থেকে প্রায় সাড়ে ১১’শ শিক্ষার্থী উৎসবে অংশগ্রহণ করে। এই উৎসবের মিডিয়া পার্টনার ছিল দৈনিক কালের কণ্ঠ।

কালের কণ্ঠ শুভসংঘ ও জীববিজ্ঞান অলিম্পিয়াডের যৌথ আয়োজেন এবারই প্রথম উৎসবে প্রবর্তন করা হয় বিজ্ঞানী গোপাল চন্দ  ভট্টচার্য, এ কে এম নুরুল ইসলাম, এসএম হাসানুজ্জামান ও উপেন্দ  নাথ ব্যানার্জীর নামে পুরস্কার। পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নম্বরধারী চার শিক্ষার্থীকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়। তারা হলেন স্কলাসটিকার হূদ্ধি হূত্তিকা বসু, ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের সৈয়দা আয়শা সিদ্দিকা ও তাসনিম মুনতাহা, নটরডেম কলেজের খন্দকার আফতারুল ইসলাম। এছাড়াও তিনটি ক্যাটগরিতে চ্যাম্পিয়ন প্রথম রানার্স আপ ও দ্বিতীয় রানার্স আপ হিসেবে ৬০ জনকে পুরস্কার দেওয়া হয়।

সকাল ৯টায় কার্জন হলের মূল ফটকের সামনের মাঠে বেলুন ও জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে উৎসবের শুরু হয়। উৎসবের উদ্বোধন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক সহিদ আকতার হোসাইন। বেলা পৌনে ১০টায় শুরু হয় পরীক্ষা। কার্জন হলের চারটি বিভাগের শ্রেণীকক্ষে এক ঘন্টাব্যাপী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষা শেষে সোয়া ১১টায় শুরু হয় খুদে শিক্ষার্থীদের নিয়ে প্রশ্নোত্তর পর্ব। শিক্ষার্থীরা বিজ্ঞানের নানা অজানা নিয়ে প্রশ্ন করে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও ডাক্তার শিক্ষার্থীদের প্রশ্নের উত্তর দেন।

অন্ধ মানুষেরা কী স্বপ্ন দেখে? যদি দেখে থাকে, তবে কিভাবে?’ উত্তরদাতার কাছে প্রশ্ন করে উত্তরে অপেক্ষা তাকিয়ে রইলেন নোয়াখালী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সাবিনা ইয়াসমিন। জবাবে উত্তরদাতাদের একজন বললেন, ‘ঘুমের একটা পর্যায়ে আমাদের চোখের মনি নাড়াচড়া করে। এ সময় মনে মনে যা চিন্তা করা হয়, তাই চোখের সামনে ভেসে উঠে। এ দৃশ্যকে আমরা স্বপ্ন বলি। তবে যাদের চোখের দৃষ্টি নেই, তাদের স্বপ্ন দেখার প্রক্রিয়াটি সাধারণ মানুষের চেয়ে একটু আলাদা। অন্ধদের কেউ কেউ স্বপ্ন দেখেন ঠিকই, কিন্তু তারা কোনো দৃশ্য দেখতে পায় না। গবেষণায় দেখা গেছে, যারা ৫ থেকে ৭ বছর বয়সের আগেই অন্ধ হন, তারা তাদের স্বপ্নে দৃশ্যমান কোনো কিছুই দেখতে পায় না। তাদের শুধু কিছু দেখার মতো অনুভূতি হয়। ঘুম থেকে জেগে ওঠার পর তা মনে করতে পারে না। আর মনে করতে পারলেও তার বর্ণনা দিতে পারেন না। যারা ৫ থেকে ৭ বছর বয়সের পরে যে কোনো বয়সে অন্ধত্ববরণ করে থাকে, তারা সাধারণ মানুষের মতোই স্বপ্ন দেখেন। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তাদের স্বপ্নের দৃশ্যমান বিষয়গুলো অস্পষ্ট হতে থাকে। তারা তখন শুধু স্বপ্নে বিভিন্ন রংয়ের আনাগোনা দেখতে পায়। এক সময় তাদের স্বপ্নে দেখার অনুভূতিটি পুরোপুরি বিলুপ্ত হয়।’

এমন শতাধিক বিচিত্র প্রশ্ন নিয়ে হাজির হয়েছিলেন জীববিজ্ঞান উৎসবে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা। তাদের বুদ্ধিদীপ্ত প্রশ্ন শুনে অবাক হয়েছেন উত্তরদাতারা। প্রায় দুই ঘন্টার প্রশ্নোত্তর পর্ব ছিল প্রাণবন্ত ও উচ্ছল।

ময়মনসিংহ জেলা স্কুলের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী ফয়সাল হোসেন। তার প্রশ্ন ছিল, দুধ একটি আদর্শ খাবার। তবে সবাই দুধ হজম করতে পারে না কেন? জবাবে উত্তরদাতাদের একজন বললেন, ‘প্রাণিরা জীবনে একবার মায়ের  দুধ খেয়ে থাকে। একমাত্র মানুষ ব্যতিক্রম। তারা মায়ের দুধ ছাড়াও অন্যান্য প্রাণির দুধ খেয়ে থাকে। দুধ না খেলে এটা হজম করার জন্য এনজাইম তৈরি হয় না। যার কারণে হঠাৎ কেউ দুধ খেলে হজম করতে পারে না। তবে দীর্ঘদিন দুধ খেলে হজমকারী এনজাইম তৈরি হয়।’

তবে সবচেয়ে অবাক করা প্রশ্ন ছিল নোয়াখালী বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নিয়ামুল কবিরের। তিনি জানতে চান, এক্স ক্রোমোসোমের চেয়ে ওয়াই ক্রোমোসোম অনেক দূর্বল। অথচ বাস্তবতা হচ্ছে, মেয়েদের তুলনায় ছেলেরা অনেক বেশি শক্তিশালী। কেন এমন হয়? জবাবে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. শাহিদুর রশিদ ভূইয়া বলেন, ‘এক্স ক্রোমোসোমে জীন অনেক বেশি থাকে। তাই এটা খুব শক্তিশালী। আর ওয়াই ক্রোমোসোমে জীন একটু দূর্বল থাকলেও অন্যান্য উপাদান বেশি থাকে। তাই মেয়েদের তুলনায় ছেলেরা বেশি শক্তিশালী হয়।’

সবশেষে আসে ফলাফল ঘোষনা ও পুরস্কার বিতরণের পালা। অধীর আগ্রহে অপেক্ষারত শিক্ষার্থীরা একএকজনের নাম ঘোষনার সাথে সাথে উল্লাসে হয় মাতোয়ারা।

পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জীববিজ্ঞান অনুষদের ডীন ড. ইমদাদুল হক. কালের কণ্ঠের নির্বাহী সম্পাদক মোস্তফা কামাল, জীববিজ্ঞান অলিম্পিয়াডের সভাপতি অধ্যাপক ড. রাখা হরি সরকার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবারি কালচার সেন্টারের পরিচালক মিহিল লাল সাহা, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের জীবন কুমার বিশ্বাস, মেডিনোভা হাসপাতালের সার্জন ডা. নিত্য রঞ্জন পাল, ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের সহযোগী অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার, শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আনোয়ারুল হক বেগ, ডা. মনিরুল ইসলাম, দ্বিতীয় জীববিজ্ঞান উৎসবের আয়োজক কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. শহীদুর রশীদ ভূঁইয়া ও জীববিজ্ঞান অলিম্পিয়াডের সাধারণ সম্পাদক সৌমিত্র চক্রবর্তী।

বিজ্ঞানমনস্ক জাতি গঠনে অলিম্পিয়াড গুরম্নত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে উল্লেখ কালের কণ্ঠের নির্বাহী সম্পাদক মোস্তফা কামাল বলেন, ‘দেশে বিজ্ঞানমনস্ক জাতি কতটা প্রয়োজন উন্নত দেশ এটি আগেই বুঝতে সক্ষম হয়েছিল। কিন্তু আমরা দেরিতে হলেও এখন বুঝতে পেরেছি। পদার্থ, গণিত ও জীববিজ্ঞান অলিম্পিয়াড অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বিজ্ঞানমনস্ক জাতি গঠনে এ ধরনের অলিম্পিয়াডের প্রয়োজন রয়েছে।’

অলিম্পিয়াড বিজ্ঞানের ভীতি দূর করেছে উলেস্নখ করে তিনি বলেন, একসময় বিজ্ঞানে ভয় ছিল। কিন্তু এখন অলিম্পিয়াড সেই ভয় কাটিয়েছে। এই অলিম্পিয়াডকে আন্তজার্তিক পর্যায়ে ছড়িয়ে দিতে হবে। দেশের বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়েও আয়োজন করতে হবে। বিজ্ঞানমনস্ক জাতি গঠনে যারা অবদান রাখছে তাদের প্রতি কৃতজ্ঞা ও ধন্যবাদ জানান তিনি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জীববিজ্ঞান অনুষদের ডীন ড. ইমদাদুল হক বলেন, পুরস্কার পাওয়ার চেয়ে অলিম্পিয়াডে অংশগ্রহণই বড় কথা। কারণ পুরস্কার একটি প্রতীকী বিষয়। তার মানে এই নয় যে, যারা পুরস্কার পায়নি তারা কম মেধাবী। সবাইকে বিজ্ঞান থেকে শিক্ষা নিতে হবে ও বিজ্ঞানে আগ্রহী হতে হবে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবারি কালচারাল সেন্টারের পরিচালক মিহির লাল সাহা বলেন, ‘এটা খুব আনন্দের বিষয় যে, খুদে শিক্ষার্থীরা বিজ্ঞানের প্রতি আগ্রহ থেকে এখানে এসেছে। বিজ্ঞানের প্রতি তরুণ প্রজন্মের আগ্রহ সৃষ্টি করতে হবে।’

 

ফলাফল

উচ্চ মাধ্যমিক ক্যাটাগরীতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন অক্সফোর্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের মাইশা এম প্রমি, রাজউক উত্তরা মডেল কলেজের ইসমত দোহা বিন মিশেল এবং শহীদ পুলিশ স্মৃতি কলেজের সাইফ বিন ছালাম। প্রথম রানার আপ হয়েছেন নটরডেম কলেজের শেফাইরি সাজন ও আবদুল মুকিত, সেন্ট জোসেফ স্কুল অ্যান্ড কলেজের আহমদ মুসা ও শাহ ইশমাম মোহতাসিম এবং শহীদ পুলিশ স্মৃতি কলেজের সাবরিনা সুলতানা সুচি। দ্বিতীয় রানার আপ হয়েছেন ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের কানিজ ফাতেমা, সাদিয়া জাহান প্রভা ও মাহবুবা রহমান সেবা, সেন্ট জোসেফ স্কুল অ্যান্ড কলেজের অণিবার্ন আহমেদ, মাষ্টারমাইন্ড কলেজের ইবতিশাম হক ও ওয়াসিক হাসান, রাজশাহী কলেজের আব্দুল্লাহিল ক্বাফি এবং হলিক্রস কলেজের নাফিজা তাসনিম আহমেদ ও মণিশা চাকলাদার।

মাধ্যমিক ক্যাটাগরীতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন মাষ্টারমাইন্ড স্কুলের অর্ণব চক্রবর্ত্তী ও সৌবির দত্ত গুপ্ত, দিনাজপুরের টিউলিপ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের ইসাইয়াহ ট্রিপল্যান্ড হেভেন এবং সানিডেল স্কুলের পারমিতা প্রতিক দাস। প্রথম রানার আপ হয়েছেন ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মালিহা ফেরদৌস, গভ. ল্যাবরেটরী স্কুলের মুবিন ইবনে মকবুল ও আহমেদ ইয়েসভি রাফা, বিএএফ শাহীন স্কুলের মির্জা আহমেদ সাদি, বিএসিএইচএ ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের নিলয় গোমেজ, নরসিংদী সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নূরে জান্নাত হূদা ও সুমাইয়া সুলতানা এবং ড. খাস্তগীর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শ্রেষ্ঠা চৌধুরী। দ্বিতীয় রানার আপ হয়েছেন মাষ্টারমাইন্ড স্কুলের সৈয়দা রানা প্রাপ্তি ও শ্রিকা তাসনিম শায়লা, বিএএফ শাহীন ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের প্রিতম কৃষ্ণ কুন্ডু, বিআইএসসি’র প্রমা দোন্না, আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ইফরিত তাহমিদ, ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের নাফিসা আনজুম, ধানমন্ডি গভ. বয়েজ স্কুলের মীর জুবায়ের রহমান, শহীদ পুলিশ স্মৃতি কলেজের মো. আসিফ হোসাইন, মেথডিস্ট ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের সাদমান শাহরিয়া অর্ণব, নিউ মডেল হাই স্কুলের ইমামুল হোসাইন, শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টমমেন্ট কলেজের কায়েস আহমেদ বিপ্লব এবং ব্রাক্ষ্মনবাড়িয়া সরকারি স্কুল অ্যান্ড কলেজের মো. ইব্রাহিম খলিল।

জুনিয়র ক্যাটাগরীতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন শের-ই-বাংলা নগর সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের রিয়াদিল জান্নাত, স্কলাসটিকার ওয়াসি রহমান চৌধুরী এবং সিরাজগঞ্জ বি এল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের সৌমিক রঞ্জন পাল। প্রথম রানার আপ হয়েছেন বিআইএসসি’র রোদশী রহমান, ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের শারার আহসান ও সিরাজুম মুনিরা রাইমা, শের-ই-বাংলা নগর সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নুসরাত জাহান বেগ, মিরপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের মারিয়া আক্তার আশামনি এবং সেন্ট জোসেফ স্কুল অ্যান্ড কলেজের আয়মান ওয়াদুদ ও সাদমান রহমান। দ্বিতীয় রানার আপ হয়েছেন বিআরআরআই উচ্চ বিদ্যালয়ের অমিত বিশ্বাস, চেরি ব্লসম ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের স্বপ্নিল মোস্তাফিজ সিয়াম, বিআইএসসি’র ফারাহ্ ইসমাইল ও রোকেয়া বিনতে আলী, রায়ের বাজার হাই স্কুলের মো. মোর্শেদুল ইসলাম সাকিব, ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের আয়শা সিদ্দিকা ও নুসরাত সায়েম, হলিক্রস কলেজের আঞ্জুমান আরা আল জান্নাতি দিয়া এবং মিরপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের তাসমীম আনান প্রতিভা।

মন্তব্য