kalerkantho

সোমবার  । ১৬ চৈত্র ১৪২৬। ৩০ মার্চ ২০২০। ৪ শাবান ১৪৪১

উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা

পারকি সৈকতের সেই হোটেল বন্ধ করে দিতে চিঠি

আনোয়ারা (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি   

২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



আনোয়ারা পারকি সমুদ্রসৈকতে ইয়াবা কারবারি জালালের মালিকানাধীন ‘পারকি রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট’ বন্ধ করে দিতে উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় জেলা প্রশাসকের কাছে চিঠি দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

মঙ্গলবার কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। এদিকে সোমবার অসামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অপরাধে হোটেল ম্যানেজারসহ ১২ তরুণ-তরুণীকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় কর্ণফুলী থানায় মামলা হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পারকি সমুদ্রসৈকতে স্থায়ীভাবে ট্যুরিস্ট পুলিশ মোতায়েন না হওয়ায় সৈকতের অর্ধশতাধিক ভাসমান দোকানে অসামাজিক কর্মকাণ্ড ও মাদকের রমরমা কারবার চলে। এর ব্যাপকতা বাড়তে থাকায় গত বছর উপজেলা প্রশাসন সৈকতের তীরে গড়ে ওঠা সব ভাসমান দোকান গুঁড়িয়ে দেয়। ওই সুযোগে অসামাজিক কর্মকাণ্ডের একচেটিয়া ব্যবসাকেন্দ্রে পরিণত হয় ‘পারকি রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট’। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা একাধিকবার সেখানে অভিযান চালিয়ে অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করলেও অপকর্ম বন্ধ হয়নি। হোটেলটির মালিকানায় জালালের সঙ্গে আরো আছেন সেলিম ও জাফর। অবৈধ কারবারের মাধ্যমে জালাল প্রচুর অর্থসম্পদের মালিক। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এ বিষয়ে তদন্ত করছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ জোবায়ের আহমদের সভাপতিত্বে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় উপজেলা চেয়ারম্যান তৌহিদুল হক চৌধুরী, উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি অধ্যাপক এম এ মান্নান চৌধুরী, থানার ওসি দুলাল মাহমুদ, ইউপি চেয়ারম্যান মো. সোলাইমান, এম এ কাইয়ুম শাহ, শাহাদত হোসেন চৌধুরী, অসীম কুমার দেব, ইয়াছিন হিরু, মোরশেদুল আলম খোকা ও নাজিম উদ্দিন এবং বিআরডিবির চেয়ারম্যান এয়াকুব আলী চৌধুরী বক্তব্য দেন।

বারশত ইউপি চেয়ারম্যান ও সৈকত ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য এম এ কাইয়ুম শাহ বলেন, ‘জালাল শীর্ষ মাদক কারবারি। তাঁর হোটেলটি মাদক ও অসামাজিক কার্যকলাপের আখড়া।’

ইউএনও শেখ জোবায়ের আহমদ জানান, অসামাজিক কর্মকাণ্ড ও মাদক কারবারের কারণে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় পারকি রিসোর্ট বন্ধ করার সিদ্ধান্তের সুপারিশ জানিয়ে জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিতভাবে জানানোর সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

কর্ণফুলী থানার ওসি মো. ইসমাইল হোসেন জানান, অসামাজিক কাজে জড়িত থাকার অপরাধে হোটেল মালিক জালাল, সেলিম, ফারুক ও হোটেল ম্যানেজারসহ গ্রেপ্তার ১২ জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা হয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা