kalerkantho

বৃহস্পতিবার  । ১৯ চৈত্র ১৪২৬। ২ এপ্রিল ২০২০। ৭ শাবান ১৪৪১

সাগরপাড়ে ‘মুনিয়া’ বাহিনীর রাজত্ব

নির্যাতিত মালেককে উদ্ধার করল পুলিশ

বিশেষ প্রতিনিধি, কক্সবাজার   

১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কক্সবাজার সাগরপাড়ের দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী ‘মুনিয়া বাহিনী’র প্রধান শাহাদত হোসেন মুনিয়ার নির্যাতনের শিকার প্লট পাহারাদার আবদুল মালেককে ঘটনার আট দিন পর পুলিশ উদ্ধার করেছে। ৯ ফেব্রুয়ারি রাতে সন্ত্রাসী মুনিয়া ‘টর্চার সেলে’ নিয়ে গিয়ে নির্মম নির্যাতন চালিয়ে প্লট পাহারাদার মালেকের ডান পা ভেঙে দেয়। এরা এর পর থেকে মালেককে তাঁর ঝুপড়ি ঘর থেকে বের হতে দেয়নি। যেতে দেয়নি চিকিত্সার জন্য হাসপাতালে। এতে মালেক আইনের আশ্রয়ও নিতে পারেননি। এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন গতকাল মঙ্গলবার কালের কণ্ঠে প্রকাশিত হয়।

খবর পেয়ে জেলা পুলিশ সুপার এ বি এম মাসুদ হোসেনের নির্দেশে কক্সবাজার সদর মডেল থানার পুলিশ সোমবার রাতে নির্মমতার শিকার মালেককে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। পরে তাঁকে চিকিত্সার জন্য জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। এ ব্যাপারে থানায় একটি মামলা করা হয়েছে।

নির্যাতিত আবদুল মালেক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে বলেন, ‘সাগরপাড়ের গণপূর্ত বিভাগের সি ব্লকের ৬০ নম্বর প্লটটি জবরদখল করে নেয় সন্ত্রাসী মুনিয়া। সেখানেই সে তার বাহিনী নিয়ে অফিস স্থাপন করে। অফিসের নামে স্থাপিত টর্চার সেলেই লোকজনকে ধরে নিয়ে গিয়ে নির্মম নির্যাতন চালানো হয়।’

‘৬০ নম্বর প্লটটি দখল করার পর মুনিয়ার নজর পড়ে ৪৭ নম্বর প্লটে। এ জন্য মালেককে সেই প্লট থেকে চলে যেতে বলেছিল মুনিয়া। কিন্তু রাজি না হওয়ায় আমাকে ধরে নিয়ে পৈশাচিক নির্যাতন চালানো হয়।’-যোগ করেন তিনি।

চট্টগ্রাম নগরের মোহাম্মদ ইউনুস নামে এক ব্যক্তির মালিকানাধীন সেই ৪৭ নম্বর প্লট দখল করার জন্য সন্ত্রাসী মুনিয়া মালেককে আটদিন আগে ডেকে নিয়ে যায় তার ‘টর্চার সেলে’। নির্যাতনের এক পর্যায়ে মালেকের ডান পা ভেঙে দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, কক্সবাজার শহরের বাহারছড়ার আবু শামার ছেলে সন্ত্রাসী শাহাদত হোসেন মুনিয়া এবং তাঁর বোন জেলা মহিলা দলের সভানেত্রী ও পৌর কাউন্সিলর নাসিমা আকতার বকুলসহ ৩০/৩৫ সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে জবর দখলের অভিযোগে ৬০ নম্বর প্লটের মালিক প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইউনুস হোছাইন পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা