kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৭ চৈত্র ১৪২৬। ৩১ মার্চ ২০২০। ৫ শাবান ১৪৪১

চকরিয়া

মনগড়া মূল্যে জমি অধিগ্রহণের অভিযোগ

চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি   

১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কক্সবাজারের মহেশখালীতে বাস্তবায়নাধীন মেগা প্রকল্প গভীর সমুদ্রবন্দর ও মাতারবাড়িতে কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্পের সংযোগ সড়ক, রেললাইন নির্মাণ প্রকল্পের জন্য ‘মনগড়া’ মূল্য নির্ধারণ করে চকরিয়ার উপকূলীয় বদরখালী ইউনিয়নে প্রায় ৫০০ একর জায়গা অধিগ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

ক্ষতিগ্রস্তরা বলছেন, সরকারি প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য যথাযথ মূল্য পেলে তাঁরা জায়গা ছেড়ে দিতে প্রস্তুত। কিন্তু অধিগ্রহণের বিপরীতে সরকারিভাবে যে মৌজামূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে তা একেবারেই অযৌক্তিক-অবাস্তব। বাজারমূল্যের চেয়ে প্রায় ১৯ গুণ কম দামে তাঁদের জমি কেড়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, ইতোমধ্যে বিষয়টি উচ্চ আদালত পর্যন্ত গড়ালে আদালত কক্সবাজার জেলা প্রশাসককে বিষয়টি একমাসের মধ্যে সমাধান করতে নির্দেশ দেন। কিন্তু দুই মাস পেরিয়ে গেলেও কার্যত সেই আদেশ ফাইলবন্দি পড়ে রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে উপকূলীয় বদরখালী বাজারে রবিবার মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে এলাকাবাসী।

মানববন্ধন কর্মসূচিতে লিখিতভাবে সাংবাদিকদের জানানো হয়, দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম সমবায়ী প্রতিষ্ঠান বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির মালিকানাধীন এক কানি (৪০ শতাংশ) জমির বাজারমূল্য প্রায় দেড় কোটি টাকা পর্যন্ত। কিন্তু সাবরেজিস্ট্রার কর্তৃক মনগড়া মৌজা মূল্য নির্ধারণ করা হয় মাত্র ৮ লক্ষ টাকা। যা বর্তমান বাজারমূল্যের চেয়ে অন্তত ১৯ গুণ কম। এরই মধ্যে উপর্যুক্ত মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে গিয়ে বদরখালী ইউনিয়নের প্রায় ৫০০ একর জায়গা অধিগ্রহণের আওতায় পড়েছে। কিন্তু ৯০ বছরেও বদরখালী ঘোনা মৌজার জমির ন্যায্যমূল্য নির্ধারণ করা হয়নি।

মানববন্ধনে বক্তব্য দেন সমিতির সভাপতি নুরুল আলম সিকদার, সহসভাপতি আলী মো. কাজল, ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান খাইরুল বশর, সমিতির সাবেক সভাপতি রশিদ আহমদ, সাবেক সম্পাদক দেলোয়ার হোছাইন ও খান জয়নাল আবেদীন, সাবেক চেয়ারম্যান নূরে হোছাইন আরিফ, সাংবাদিক আক্তার আহমদ প্রমুখ।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা