kalerkantho

বৃহস্পতিবার  । ১৯ চৈত্র ১৪২৬। ২ এপ্রিল ২০২০। ৭ শাবান ১৪৪১

দোকানে ক্রেতা সেজে চুরি, ৭ নারী ধরা

নোয়াখালী প্রতিনিধি   

৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নোয়াখালী সদর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে আন্তঃজেলা নারী চোরচক্রের ছয় সদস্যসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে ১৪ বস্তা চোরাই মালামাল জব্দ করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন জেলা শহর মাইজদীর নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকার জুলেখা আক্তার (৩৮), জেসমিন আক্তার (৩৮), লক্ষ্মীনারায়ণপুর এলাকার সেলিনা আক্তার (২৭), রোকসানা আক্তার (২৫), কাদির হানিফ ইউনিয়নের সফিপুর গ্রামের রোজিনা আক্তার (৩০), মনোয়ারা বেগম তানিয়া (৩৫) ও মাইজদী নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকার জহির আহম্মেদ (৫৫)।

জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের ওসি কামরুজ্জামান সিকদার জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপ-পরিদর্শক সাঈদ মিয়ার নেতৃত্বে সোমবার দিবাগত রাত ১২টা থেকে মঙ্গলবার ভোর পর্যন্ত পৃথক স্থানে অভিযান চালানো হয়। রাত ১২টার দিকে প্রথমে নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় জুলেখার বাসায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে আটক করা হয়। পরে তাঁর দেওয়া তথ্যমতে একই এলাকা থেকে জেসমিন ও তাঁর স্বামী অটোরিকশাচালক জহির, লক্ষ্মীনারায়ণপুর থেকে সেলিনা, রোকসানা ও সফিপুর থেকে রোজিনা এবং তানিয়াকে আটক করা হয়। পরে ভোরের দিকে সোনাপুর এলাকায় চোরচক্রের দুই সদস্য আজমীরি ও শান্তার বাড়িতে অভিযান চালালে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তাঁরা পালিয়ে যান। তবে তাঁদের বাড়িসহ আটককৃতদের বাড়ি থেকে মোট ১৪ বস্তা চোরাই মালামাল জব্দ করা হয়।

নোয়াখালী গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) সাঈদ মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, নারী চোর চক্রের এসব সদস্য নোয়াখালী, ফেনী ও কুমিল্লাসহ বিভিন্ন জেলা শহরের বড় শপিংমলগুলোকে টার্গেট করে কাজ করতেন। এঁরা ৭/৮ জন একসঙ্গে প্রথমে একটি দোকানে গিয়ে কোনো কর্মচারীকে টাকা দিয়ে হাত করে নিতেন। পরে তাঁদের মধ্যে ২/৩ জন দোকানের মালিক বা ম্যানেজারের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের ব্যস্ত রাখতেন। ওই সুযোগে অন্য সদস্যরা দোকান থেকে মালামাল চুরি করে। জব্দ করা মালামালের মধ্যে রয়েছে শাড়ি, থ্রি-পিস, জুতা ও কসমেটিকস ইত্যাদি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা