kalerkantho

শনিবার । ১৬ ফাল্গুন ১৪২৬ । ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০। ৪ রজব জমাদিউস সানি ১৪৪১

লামায় গৃহবধূ খুন স্বামী গ্রেপ্তার

নোয়াখালীতে পুকুরে শিশুর লাশ, হত্যার অভিযোগ

নোয়াখালী ও লামা (বান্দরবান) প্রতিনিধি   

২৮ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



নোয়াখালীর সেনবাগ পৌরসভার একটি পুকুর থেকে তূর্জয় সরকার নামে তিন মাস ১০ দিন বয়সী শিশুর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সে সেনবাগ থানার পুলিশ কনস্টেবল সুমন সরকারের ছেলে। সোমবার সকালে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহতের বাবার দাবি, তাঁর শিশুকে হত্যা করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, কনস্টেবল সুমন সরকার তাঁর পরিবারের সঙ্গে পৌরসভার বিন্নাগনি এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকেন। রবিবার সন্ধ্যায় বাসা সংলগ্ন দোলনায় তূর্জয়কে শুইয়ে রেখে শৌচাগারে যান সুমনের স্ত্রী। সেখান থেকে ফিরে দোলনায় তূর্জয়কে দেখতে না পেয়ে স্বামীসহ আশপাশে খোঁজাখুঁজি করেও কোনো সন্ধান পাননি। এক পর্যায়ে রাত ৯টার দিকে বাসা থেকে কিছুটা দূরের একটি পুকুরে তূর্জয়ের ভাসমান লাশ দেখা যায়।

সেনবাগ থানার ওসি মো. মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের মা বাদী হয়ে তাঁর ছেলেকে হত্যার অভিযোগে অচেনা একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে থানায় একটি হত্যা মামলা করেছেন। পুলিশ ঘটনাটি খতিয়ে দেখছে।

বান্দরবান : লামায় শাহিনা আক্তার (২৭) নামে এক গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। পরে তাঁর স্বামীর হামলায় অন্য একজন আহত হন। সোমবার ভোরে উপজেলার আজিজনগর ইউনিয়নের দুর্গম পাহাড়ি  এলাকা তেলুনিয়া পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর নিহতের স্বামী মো. জাকির হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শাহিনা আক্তার তেলুনিয়া পাড়ার বাসিন্দা মৃত ইব্রাহিমের মেয়ে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, আজিজনগর ইউনিয়নের তেলুনিয়া পাড়ার নজির আহমদের ছেলে জাকির হোসেন পেশায় ভাড়ায় মোটরসাইকেল চালক। একই এলাকার হারুনুর রশিদের ছেলে মিযানুর রহমানের সঙ্গে তাঁর স্ত্রীর পরকীয়ার সম্পর্ক রয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে এমন সন্দেহ করে আসছেন তিনি। এ বিষয়ে বিভিন্ন সময়ে স্বামী-স্ত্রীর মাঝে ঝগড়া বিবাদও হয়। সোমবার ভোররাতে জাকির হোসেন ঘুমন্ত অবস্থায় স্ত্রী শাহিনা আক্তারকে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করেন। স্ত্রীকে হত্যা করে একই গ্রামের একটি মুরগির খামারে ঘুমন্ত অবস্থায় কথিত প্রেমিক মিযানুর রহমানকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা করে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করেন। এ সময় সোহাগ নামের আরেক যুবকও আহত হন।

স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। মিযানুর রহমানের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় জাকির হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

আজিজনগর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. জসিম উদ্দীন বলেন, ‘পরকীয়া সন্দেহে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনাটি খুবই দুঃখজনক।

লামা থানা উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. খালেদ মোশারফ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘নিহত শাহিনা আক্তারের লাশ উদ্ধার করে প্রাথমিক সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে ময়নাতদন্তের জন্য বান্দরবান সদর মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার পরেই এলাকাবাসীর সহায়তায় ঘাতক মো. জাকির হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা