kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৭ ফাল্গুন ১৪২৬ । ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২০। ২৫ জমাদিউস সানি ১৪৪১

জমির নামজারি নিয়ে হয়রানি

দীঘিনালা (খাগড়াছড়ি) প্রতিনিধি   

২৭ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



দীঘিনালায় নামজারি নিয়ে হয়রানি ও ভূমি জবরদখলের অভিযোগ উঠেছে। এ ব্যাপারে ভুক্তভোগীরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন।

বড়মেরুং মৌজায় ৩৬৯ নম্বর হোল্ডিং মূলে ৫.০০ একর ভূমির মালিক আবুল কাশেম ২০০১ সালে মারা গেছেন। জমিটি ভুয়া নামজারি করা হয়েছে দাবি করে অভিযোগ করেছেন তাঁর ছেলে সুলতান। জানা যায়, ১৯৯৫ সালে কাশেম তাঁর রেকর্ডমূলে কৃষি ব্যাংক থেকে ঋণ নেন। একই বছর ৮০ শতক জমি বিক্রিও করেন হাসমতের কাছে। হাসমত নাম পরিবর্তনের জন্য আবেদন করলে ২০০৩ সালে হেডম্যান (মৌজাপ্রধান) রেকর্ড সঠিক আছে মর্মে প্রতিবেদন দেন।

কিন্তু এখন রেকর্ডে নামজারি মূলে কাশেমের জমি থেকে ৪.৭৭ একর জমির মালিক একই এলাকার আবুল হোসেন লিডারের স্ত্রী আলেয়া বেগম। নামজারির সাল ১৯৮৭-১৯৮৮। এ ভূমি থেকে আবুল হোসেন লিডার ২.০০একর ভূমি আরেকজনের নিকট বিক্রিও করে দিয়েছেন ইতোমধ্যে।

অপরদিকে সংশ্লিষ্ট মৌজাপ্রধান (হেডম্যান) কুমুদ বিকাশ রোয়াজা জানান, ২০০৩ সালে কাশেমের নামে রেকর্ড সঠিক ছিল তবে কীভাবে ৮৭-৮৮সালে নামজারি হয় আলেয়ার নামে তা বোধগম্য নয়। এ নামজারি জালিয়াতির মাধ্যমে করা হয়েছে।

সুলতান (২৮) জানান, তাঁর বাবার নামিয় ভূমির রেকর্ডে কেটে অন্যের নাম থাকায় এখন তাঁরা সকল সুবিধা থেকে বঞ্চিত। এখন দিনমজুরি করে কোনোমতে দিনযাপন করছেন। রেকর্ড সংশোধন না হলে তাঁদের পরিবারের পথে বসতে হবে।

অপরদিকে আবুল হোসেন লিডারের পরিবারের বিভিন্নজনের নামে এ রকম আরো বেশকিছু ভুয়া নামজারি রয়েছে বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ উল্লাহ জানান, অভিযোগের বিষয়ে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা