kalerkantho

মঙ্গলবার । ৫ ফাল্গুন ১৪২৬ । ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০। ২৩ জমাদিউস সানি ১৪৪১

রায়ের পর প্রথম ‘চট্টগ্রাম গণহত্যা’ দিবস পালন

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম   

২৫ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



‘চট্টগ্রাম গণহত্যা’ দিবস পালিত হয়েছে গতকাল শুক্রবার। এ উপলক্ষে স্বৈরাশাসক এরশাদবিরোধী আন্দোলনে জীবন উৎসর্গকারী রাজনৈতিক কর্মীদের গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করেছেন আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা। দীর্ঘ ৩২ বছর পর ওই হত্যাকাণ্ডের বিচার শেষ হওয়ায় এবার দায়মুক্তি নিয়ে শহীদদের শ্রদ্ধা জানানা হয়।

স্বৈরাশাসক এরশাদবিরোধী আন্দোলনের সময় ১৯৮৮ সালের ২৪ জানুয়ারি চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে যাওয়ার পথে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার গাড়িবহরে গুলি চালান পুলিশ সদস্যরা। সে সময় পুলিশের এলোপাতাড়ি গুলিতে নিহত হয় ২৪ জন। আহত হয় শত শত মানুষ। শেখ হাসিনার প্রাণনাশের চেষ্টা হিসেবে আলোচিত ঘটনাটি ‘চট্টগ্রাম গণহত্যা’ হিসেবে পরিচিতি পায়।

এরশাদের পতনের পর ১৯৯২ সালে এই ঘটনায় মামলা দায়ের হয়। ঘটনার ৩২ বছর পর গত ২০ জানুয়ারি আদালত মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায়ে আদালত পাঁচ পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দেন।

‘চট্টগ্রাম গণহত্যা’ দিবস উপলক্ষে গতকাল সকালে মহানগর ও দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ এবং সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের নেতারা চট্টগ্রাম আদালত ভবনের প্রবেশপথে শহীদদের স্মরণে নির্মিত বেদিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। পরে আয়োজিত এক আলোচনাসভায় চট্টগ্রাম সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, ‘স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন যখন তুঙ্গে, তখন বিরোধীদলীয় নেতা শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে পুলিশ নির্বিচারে গুলিবর্ষণ করে ২৪ জনকে হত্যা করে। এ গণহত্যা ছিল পূর্বপরিকল্পিত, যা আদালতের রায়ে প্রমাণিত হয়েছে। আজ ৩২ বছর পর এই রায়ে শহীদদের আত্মা শান্তি পেয়েছে, তাঁদের পরিবারের মাঝে স্বস্তি এসেছে।’

নগর আওয়ামী লীগের আইনবিষয়ক সম্পাদক শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরীর সঞ্চালনায় সভায় আরো বক্তব্য দেন নগর কমিটির সহসভাপতি নঈম উদ্দিন চৌধুরী, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান, সুনীল কুমার সরকার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বদিউল আলম প্রমুখ।

এদিকে শহীদ বেদিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছে সিপিবি চট্টগ্রাম জেলা শাখা, চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগসহ বিভিন্ন সংগঠন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা