kalerkantho

বুধবার । ১৩ ফাল্গুন ১৪২৬ । ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০। ১ রজব জমাদিউস সানি ১৪৪১

নাপোড়া বাজারে পাঁচ দখলদার চিহ্নিত

বাঁশখালী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি   

২৪ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বাঁশখালীর ব্যস্ততম নাপোড়া বাজারের বিস্তীর্ণ জায়গা দীর্ঘদিন ধরে দখলদারদের হাতে রয়েছে। এতে উপজেলার প্রধান সড়কে নিত্য যানজটে পথচারীদের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। অপরদিকে সরকার হারাচ্ছে প্রচুর রাজস্ব। দখলদারদের উচ্ছেদে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা প্রশাসনের কাছে কয়েকবার আবেদন করেও কাজ হয়নি। এদিকে বৃহস্পতিবার উপজেলা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার আমানাতুল মৌলা নাপোড়া বাজারের কিছু অংশ পরিমাপ করে পাঁচজন দখলদার চিহ্নিত করলেও উচ্ছেদ করেননি।

স্থানীয় মাস্টার রহমত উল্লাহ চৌধুরী, ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মো. শের আলী, বাজারের ইজারাদার মীর আবু তাহের বলেন, আমরা দখলদারদের উচ্ছেদে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে দীর্ঘদিন ধরে আবেদন করে আসলেও উপজেলা ভূমি অফিসের কতিপয় সার্ভেয়ার তদন্ত করে আর প্রতিবেদন দেন না উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে। সর্বশেষ ২০১৯ সালের ২৫ আগস্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে আবেদন করলে ৫ মাস পর গতকাল বৃহস্পতিবার সার্ভেয়ার আনাতুল মৌলা তদন্ত করতে আসেন। তিনি দীর্ঘক্ষণ পরিমাপ করে অবৈধ দখলদার হিসেবে চিহ্নিত করেন পাঁচজন। এঁরা হলেন দুলাল কান্তি দেব, মো. সায়েদ, জহিরুল হক, বিধান দাশ ও ধীরেন্দ্র মহাজন। আমরা লিখিত অভিযোগে ওই পাঁচজন দখলদারের নাম দিয়েছিলাম। প্রতিবারই ভূমি কর্মকর্তারা তদন্ত করে চিহ্নিত করার পর রহস্যজনক কারণে দখলদারদের উচ্ছেদ করা হয় না। অথচ এসব অবৈধ দখলের কারণে প্রধান সড়কে দীর্ঘ যানজট হয় এবং বর্ষা মৌসুমে পানি জমে পুরো বাজার কর্দমাক্ত হয়ে যায়।

বাজারের ইজারাদার মীর আবু তাহের বলেন, ‘বাজারের জায়গা অবৈধ দখলে থাকায় সড়কের ওপরই বাজার বসে।’

উপজেলা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার আমানাতুল মৌলা বলেন, ‘অবৈধ দখলদার চিহ্নিত করা হয়েছে। ইউএনওর কাছে এসব দখলদার উচ্ছেদে প্রতিবেদন দেব। তবে আমি প্রাথমিকভাবে মৌখিক নোটিশ দিয়েছি সরে যাওয়ার জন্য।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা