kalerkantho

বুধবার । ৬ ফাল্গুন ১৪২৬ । ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০। ২৪ জমাদিউস সানি ১৪৪১

বাঁশখালী

পাউবোর উন্নয়নকাজ ঠেকাতে কর্মসূচি!

বাঁশখালী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি   

১৭ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পাউবোর উন্নয়নকাজ ঠেকাতে কর্মসূচি!

বাঁশখালীর পুঁইছড়ি ইউনিয়নের ছনুয়া খাল ও গোবিন্দ খালের দুই পাড়ে বেড়িবাঁধের ওপর গড়ে ওঠেছে দুই শতাধিক অবৈধ স্থাপনা ও বাড়িঘর। ওই দুই খালের সংস্কার ও পানি নিষ্কাশন না হওয়ায় গ্রামের কয়েক হাজার কৃষক, লবণ চাষি ও মৎস্যজীবীদের কোটি কোটি টাকার উৎপাদন ভোগান্তি ছিল দীর্ঘদিনের।

গ্রামবাসীর দাবির প্রেক্ষিতে সরকার ওই এলাকায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের আওতায় ১১ কোটি টাকা ব্যয়ে রেগুলেটর স্থাপন, স্লুইচগেট নির্মাণ, ৯ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ সংস্কার ও ৫ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ খননের কাজ হাতে নিয়েছে। ওই প্রকল্পের নাম দেওয়া হয়েছে ‘৬৪/২এ পুঁইছড়ি পার্ট পুনর্বাসন ও নিষ্কাশন প্রকল্প’। এর কাজ পেয়েছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ইউনুচ অ্যান্ড ব্রাদার্স, গরীবে নেওয়াজ ও ট্রাম ইন্টারন্যাশানাল। এসব উন্নয়ন কাজে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে বেড়িবাঁধের ওপর অবৈধভাবে গড়ে ওঠা দুই শতাধিক দোকান ও ঘরবাড়ির মালিক।

বৃহস্পতিবার দুপুরে বাঁশখালী উপজেলা সদরে অবৈধ দখলদাররা সংঘবদ্ধ হয়ে মানববন্ধন করে এবং  উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোমেনা আক্তারের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে। ওই স্মারকলিপি পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

মানববন্ধনকারী আবুল কালাম আজাদ, আবু তাহের, মো. আযম, খোরশেদ আলম পাশা বলেন, ‘বেড়িবাঁধের ওপর ঘরবাড়ি বেঁধে আশ্রয় নিয়েছে দুই শতাধিক পরিবার। পানি উন্নয়ন বোর্ড কোনোরূপ পুনর্বাসন না করে আমাদের উচ্ছেদ করছে। তাই আমরা সংঘবদ্ধ হয়ে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান করেছি।’

পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী শাখা কর্মকর্তা মো. মঞ্জুরুল হক বলেন, ‘মানববন্ধনকারী ও স্মারকলিপি প্রদানকারী প্রত্যেকে অবৈধ দখলদার। দীর্ঘদিন ধরে এসব অবৈধ দখলদারদের সরে যাওয়ার অনুরোধ করলেও তারা পানি উন্নয়ন বোর্ডের জায়গা দখল করে আছে। অবৈধ দখল ছাড়বে না বলে হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছিল।’

বাঁশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোমেনা আক্তার বলেন, ‘আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলাপ করে জেনেছি স্মারকলিপি প্রদানকারীদের দখলে থাকা জায়গা সরকারি। এর পরও তাদের দেওয়া স্মারকলিপি আমি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠিয়ে দেব।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা