kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৮ জানুয়ারি ২০২০। ১৪ মাঘ ১৪২৬। ২ জমাদিউস সানি ১৪৪১     

দীঘিনালা

কৃষকের কাছ থেকে ধান কেনায় অনিয়ম

দীঘিনালা (খাগড়াছড়ি) প্রতিনিধি   

১৪ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



দীঘিনালায় কৃষকের কাছ থেকে ন্যায্য মূল্যে ধান ক্রয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। গতকাল সোমবার উপজেলার মেরুং ইউনিয়নের ৪০/৫০ জন কৃষক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে এ ব্যাপারে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

অভিযোগে জানা যায়, কৃষক তালিকায় যাঁদের নাম রয়েছে এবং ধান উৎপাদন করেছেন এমন অনেক কৃষক ধান বিক্রি করতে গিয়ে ফেরত এসেছেন। কোটা পূরণ হয়েছে-এমন অজুহাতে ধান নেওয়া হয়নি। অথচ যাঁরা জমি চাষ করেননি এমন লোকের কাছ থেকে ধান নেওয়ায় প্রকৃত চাষিরা বঞ্চিত হয়েছেন।

কৃষক সুধাকর চাকমা বলেন, ‘কৃষকের তালিকায় নাম থাকলেও আমার কাছ থেকে ধান কেনা হয়নি। কোটা পূরণ হয়ে গেছে বলে ধান নেয়নি খাদ্য গুদাম।’

মেরুং ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ (দক্ষিণ) শাখার সাধারণ সম্পাদক কৃষক মো. রশিদ বলেন, ‘তালিকায় ৭০ নম্বরে থাকা ইলিয়াছ ধানচাষ করেননি। অথচ তাঁর নিকট থেকেও ধান কেনা হয়েছে।’

কৃষি বিভাগের তালিকায় ইলিয়াছের নামের পাশে থাকা তাঁর মোবাইল নম্বরে কল করা হলে ফোন ধরেন আশ্রাফ আলি। তিনি নিজেকে ইলিয়াছের ভাই পরিচয় দিয়ে বলেন, ‘রশিদ দূরে কোনো পাহাড়ি জমি চাষ করেছিল যা

স্থানীয়রা জানেন না। এ ছাড়া আমি মেরুং ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ (দক্ষিণ) শাখার সভাপতি। আমার ভাইয়েরা কৃষক। কিন্তু তালিকায় আমার মোবাইল নম্বর দেওয়া হয়েছে; তাতে সমস্যা কি? আমার ভাই রশিদ ধান দিয়েছে, তাঁর কোটা পূরণ করার জন্য। আমিও তাঁকে ধান ধার দিয়েছি।’

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ওঙ্কার বিশ্বাস বলেন, ‘কৃষকদের তালিকা তৈরি করা হয়েছে ২০১৩ সালে। তাই অনেকে তালিকায় নেই। এ বছর তালিকা তৈরির সময় সবাই অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবেন। এ ছাড়া দীঘিনালায় যে পরিমাণ ধান উৎপাদন হয়েছে, সরকারের ধান ক্রয়ের লক্ষ্যমাত্রা এর চেয়ে অনেক কম। তাই সবার ধান ক্রয় করা হয়তো সম্ভব হচ্ছে না।’

মেরুং খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা পিনাকি দাশ বলেন, ‘কে কৃষক তা যাচাই করার দায়িত্ব কৃষি বিভাগের। কৃষি বিভাগের তালিকার লোক ধান বিক্রি করতে আনলে আমরা কিনতে বাধ্য।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা