kalerkantho

সোমবার। ২৭ জানুয়ারি ২০২০। ১৩ মাঘ ১৪২৬। ৩০ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

স্বামীর মারধর

থানায় অভিযোগ করায় সেনবাগে গৃহবধূ খুন

নোয়াখালী প্রতিনিধি   

১৩ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ রাজারামপুর গ্রাম থেকে হাছিনা আক্তার পাখি (২৯) নামে এক গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতের পরিবারের অভিযোগ, স্বামীর মারধরের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করায় তাঁকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। তবে পুলিশ বলছে, থানায় এরকম কোনো অভিযোগ আসেনি। ঘটনার পর থেকে নিহতের স্বামী আনোয়ার হোসেন (৩৮) ও তাঁর পরিবারের লোকজন পলাতক। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে নিহতের লাশ উদ্ধার করা হয়।

নিহত হাছিনা আক্তার পাখি দাগনভূঁঞা উপজেলার পূর্ব চন্দ্রপুর ইউনিয়নের বেটারপাড়া গ্রামের আবু তাহেরের মেয়ে। তিনি দুই ছেলে ও এক মেয়ের জননী।

নিহতের চাচাতো ভাই ইউনুছ অভিযোগ করে বলেন, ‘১২ বছর আগে সেনবাগ উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ রাজারামপুর গ্রামের রুহুল আমিনের ছেলে আনোয়ারের সঙ্গে পাখির বিয়ে হয়। এরপর থেকে বিভিন্ন অজুহাতে তাকে মারধর করত আনোয়ার। সে কোনো কাজ করত না দেখে কয়েক মাস আগে তার ভাই ও শ্বশুর মিলে তাকে একটি অটোরিকশা কিনে দেয়। এরপরও বিভিন্ন সময় টাকার জন্য আনোয়ার পাখিকে মারধর করা হত। সর্বশেষ গাড়ির লাইসেন্স করার টাকার জন্য পাখিকে চাপ দেয় আনোয়ার। দুদিন আগে পাখির বাবা আনোয়ারকে ২০ হাজার টাকা দেন। কিন্তু তাতেও আনোয়ারের হয়নি সে আরো টাকার জন্য পাখিকে মারধর করে।’

ইউনুছের দাবি, বুধবার পাখি থানায় গিয়ে তাঁকে মারধরের ঘটনায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন এবং তাঁর একটি কপি বাড়িতে নিয়ে আসেন। এ ঘটনার জের ধরে রাতে আনোয়ার বাড়িতে এসে কপিটি ছিঁড়ে আগুনে পুড়িয়ে পেলে এবং পাখিকে মারধর করে হত্যার পর ঘরের মধ্যে লাশ ঝুলিয়ে রেখে পালিয়ে যায়।

সেনবাগ থানার ওসি মিজানুর রহমান বলেন, ‘নিহত হাছিনা আক্তার পাখির কোনো লিখিত অভিযোগ আমরা পাইনি। লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা