kalerkantho

সোমবার। ২৭ জানুয়ারি ২০২০। ১৩ মাঘ ১৪২৬। ৩০ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

পার্বত্য ভূমি কমিশন

দুজন বাঙালি প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্তির দাবি

বান্দরবান ও খাগড়াছড়িতে বাঙালিদের ঐক্যবদ্ধ একক সংগঠন ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিবেদক, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি   

১৩ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসকারী পাহাড়ি-বাঙালিদের মধ্যকার বৈষম্য দূর করে সবার জন্য সমান অধিকার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে নব গঠিত পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ। বৃহস্পতিবার বান্দরবান প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে নেতারা এই দাবি জানিয়েছেন।

অধিকার আদায়ের সংগ্রামে মাঠে থাকা সব সংগঠনকে বিলুপ্ত করে বাঙালিদের অধিকার আদায়ে নতুন একক সংগঠন ঘোষণা উপলক্ষে এই সংবাদ সম্মেলন ডাকা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে ৪২ সদস্যবিশিষ্ট পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদের স্টিয়ারিং কমিটির অন্যতম নেতা কাজী মজিবুর রহমান সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন। অবসরপ্রাপ্ত অনারারি ক্যাপ্টেন তারু মিঞার সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন নাছির উদ্দিন।

এক প্রশ্নের জবাবে কাজী মজিবুর রহমান বলেন, ‘আজকের এই সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে পার্বত্য বাঙালি পরিষদ, সম অধিকার আন্দোলনসহ সব কটি সংগঠনকে বিলুপ্ত ঘোষণা করা হলো। এখন থেকে ঐক্যবদ্ধ একক সংগঠন কাজ করবে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা সরকার বিরোধী নই। আমরা শান্তিচুক্তির পক্ষের শক্তি। কিন্তু শান্তিচুক্তিতে যেসব গণবিরোধী ও মানবতাবিরোধী শর্ত আছে, আমরা তার সংশোধন চাচ্ছি মাত্র।’

তিনি প্রশ্ন তুলেন, মানুষের প্রয়োজনে দেশের সংবিধান সংশোধন হতে পারলে শান্তিচুক্তির কিছু আপত্তিকর ধারা কেন সংশোধন করা যাবে না?

পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশনে (ল্যান্ড কমিশন) স্থানীয় বাঙালিদের কোনো প্রতিনিধি না থাকায় এই কমিটি ‘ভয়েস অব অল পিপল’ কমিটি নয় বলে দাবি করা হয়। এ অবস্থায় সমান অধিকার নিশ্চিত করতে পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশনে দুজন বাঙালি প্রতিনািধ অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানানো হয়।

খাগড়াছড়ি : পার্বত্য চট্টগ্রামে মানুষের মৌলিক অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের বিকল্প নেই। বিক্ষিপ্তভাবে আন্দোলন করে পাহাড়ের সমস্যা সমাধান কখনও সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন নবগঠিত পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদের নেতারা।

বৃহস্পতিবার সকালে খাগড়াছড়ি প্রেস ক্লাবে সংগঠনের নতুন কমিটির সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা এসব কথা বলেছেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট আলম খান। সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বাঙালি ছাত্র পরিষদ, সম-অধিকার আন্দোলন, অধিকার ফোরামসহ কয়েকটি সংগঠনের বিলুপ্তি ঘোষণা করা হয়।

পরে খাগড়াছড়ি প্রেস ক্লাবের সামনে থেকে একটি আনন্দ শোভাযাত্রা বের করা হয়। এটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

উল্লেখ্য, গত ৫ ডিসেম্বর পাহাড়ের সকল বাঙালি আঞ্চলিক সংগঠন বিলুপ্ত করে ঢাকায় সংবাদ সম্মেলনের মধ্য দিয়ে আত্মপ্রকাশ ঘটে পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা