kalerkantho

সোমবার । ২০ জানুয়ারি ২০২০। ৬ মাঘ ১৪২৬। ২৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

পালিয়ে বিয়ে করার ১৫ দিন পর যুবক খুন

চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি   

১১ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



চকরিয়ায় পালিয়ে বিয়ে করার প্রায় ১৫ দিন পর যুবককে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করেছে একদল সন্ত্রাসী। নিহত যুবক একটি চিংড়িঘেরের কর্মচারী। খবর পেয়ে পুলিশ চিংড়িজোনের একটি প্রকল্প থেকে তাঁর ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করে। সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

সোমবার রাত ১১টার দিকে উপজেলার সাহারবিল ইউনিয়নের রামপুর মৌজার একটি চিংড়িপ্রকল্প থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়।  নিহতের নাম আবদুল হামিদ ছোটন (২৫)। তিনি সাহারবিল ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বইল্যাপাড়ার মো. দেলোয়ার হোসেনের ছেলে।

স্থানীয়রা জানান, দুই বছর ধরে আবদুল হামিদ ছোটনের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক চলছিল ওই ইউনিয়নের এক মেয়ের। এরই মধ্যে একই এলাকার নুরুল আলমের ছেলে শহীদুল্লাহর সঙ্গে ওই মেয়েকে বিয়ে দেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিতে থাকে তার পরিবার। এই অবস্থায় মেয়ের প্রস্তাবে প্রেমিক আবদুল হামিদ ছোটন মেয়েটিকে নিয়ে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করে ফেলেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে শহীদুল্লাহ এবং মেয়ের এক ভাই প্রকাশ্যে ঘোষণা দেন আবদুল হামিদকে মেরে ফেলার। হামিদ বিয়ে করার কয়েকদিন পর স্ত্রীকে নিয়ে বাড়িতে ফিরে আসলে সবাই এই বিয়ে মেনে নেন। সোমবার রাতে আবদুল হামিদ তাঁর কর্মস্থল চিংড়িপ্রকল্পে যাচ্ছিলেন মোবাইল ফোনে কথা বলতে বলতে। সেখানে আগে থেকে ওত পেতে থাকা শহীদুল্লাহর নেতৃত্বে চারজনের একদল সন্ত্রাসী ধারালো অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামলে পড়ে আবদুল হামিদের ওপর। এ সময় এলোপাতাড়ি ধারালো অস্ত্রের আঘাতে ঘটনাস্থলে পড়ে থাকে হামিদের নিথর দেহ।

চকরিয়া থানার ওসি মো. হাবিবুর রহমান বলেন, ‘ক্ষতবিক্ষত অবস্থায় নিথর দেহ পড়ে থাকার খবর পেয়ে রামপুরের একটি চিংড়িপ্রকল্প থেকে ছোটনকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

ওসি বলেন, ‘নারী সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে মর্মে প্রাথমিকভাবে তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য একজনকে আটক করা হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ দিলে মামলা নেওয়া হবে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা