kalerkantho

শনিবার । ২৫ জানুয়ারি ২০২০। ১১ মাঘ ১৪২৬। ২৮ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

খরনা খালে ঝুঁকিপূর্ণ সেতু বিপদ মাথায় চলাচল

আবদুল হাকিম রানা, পটিয়া (চট্টগ্রাম)   

১০ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



খরনা খালে ঝুঁকিপূর্ণ সেতু বিপদ মাথায় চলাচল

পটিয়ার খরনা-আজিমপুর সড়কের সেতুটির দুপাশে মাটি সরে গিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। ছবি : কালের কণ্ঠ

পটিয়ার খরনা-আজিমপুর সড়কের খরনা খালের ওপর সেতুটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। এরই মধ্যে সেতুর একাংশ ধসে পড়েছে। যেকোনো মুহূর্তে পুরো সেতু বিধ্বস্ত হতে পারে। বাসিন্দারা ঝুঁকি নিয়ে সেতু পারাপার হচ্ছে। সেতুটি দ্রুত সংস্কার জরুরি হয়ে পড়েছে। এলাকাবাসী এ ব্যাপারে স্থানীয় সংসদ সদস্য হুইপ সামশুল হক চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্টদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।

জানা যায়, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের পটিয়ার খরনা রাস্তার মাথা থেকে আজিমপুর সড়ক শুরু হয়ে কচুয়াই ইউনিয়নের অলির হাটের সঙ্গে সংযুক্ত হয়েছে। ওই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন বিভিন্ন স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রীসহ হাজারো মানুষ চলাচল করে। বিধ্বস্ত সেতুর কয়েক শ গজ দূরেই রয়েছে আজিমপুর প্রাথমিক বিদ্যালয় ও আজিমপুর হাই স্কুল। শিশু শিক্ষার্থীরাও সেতুটি দিয়ে যাতায়াত করে। সেতুর দুপাশের মাটি সরে যাওয়ায় এটি ঝুঁকির মুখে রয়েছে। যেকোনো মুহূর্তে পুরো সেতু ধসে পড়তে পারে। এতে জানমালের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।

স্থানীয় মনছুর আহমদ মন্জু বলেন, ‘ব্যস্ত এই সড়কের সেতুটি মারাত্মক ঝুঁকিতে রয়েছে। যেকোনো মুহূর্তে ঘটতে পারে বিপদ। এটি রক্ষায় অবিলম্বে ব্যবস্থা নিতে হবে।’

স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য জাগির হোসেন বলেন, ‘গেল বর্ষায় লাগাতার বৃষ্টিপাতে সেতুর দুপাশের মাটি সরে যাওয়ায় এটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। আমরা সেতুটি সংস্কার ও জানমালের ঝুঁকি দূর করার জন্য হুইপ সামশুল হক চৌধুরীর সুদৃষ্টি কামনা করছি।’

সমাজসেবক এনাম মজুমদার বলেন, ‘এখানে অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও অলির হাট রয়েছে। প্রতিদিন এখানে শত শত মানুষ যাতায়াত করে। সেতুটি বড় ধরনের বিপদ ডেকে আনতে পারে।’

বিশিষ্ট আওয়ামী লীগ নেতা শহীদুল ইসলাম চৌধুরী শামীম বলেন, ‘এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক। এ সড়ক দিয়ে প্রতিদিন হাজারে মানুষ চলাচল করে। কিন্তু সড়কের ওই সেতু গত তিন মাস ধরে ঝুঁকিতে রয়েছে। আমরা বিষয়টি সংশ্লিষ্টদের অবহিত করেছি। আশাকরি এ ব্যাপারে শিগগিরই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

কচুয়াই ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ইনজামুল হক জসিম বলেন, ‘সেতুটি গত বর্ষায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর উভয় পাশ তীব্র ঝুঁকিতে রয়েছে।’ তিনি এটি সংস্কারের জন্য হুইপ সামশুল হক চৌধুরীর প্রতি অনুরোধ জানান।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা