kalerkantho

রবিবার । ১৯ জানুয়ারি ২০২০। ৫ মাঘ ১৪২৬। ২২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

ভাড়া কমে ৩৫০ টাকা

কর্ণফুলীতে ওয়াটার বাস চালু

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম   

১০ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কর্ণফুলীতে ওয়াটার বাস চালু

শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অতিথি পাখির কলকাকলিতে মুখরিত হয়ে ওঠেছে কক্সবাজারের চকরিয়ার ডুলাহাজারার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্ক। এখানকার দুটি কৃত্রিম হ্রদ, চেরাইত্ত্যার ঢেবা ও হাতির ঢেবায় এসব পাখি বিচরণ করছে। এরা দর্শনার্থীদের বাড়তি আনন্দ দিচ্ছে। গতকাল বিকেলে। ছবি : ছোটন কান্তি নাথ

কর্ণফুলী নদীতে চট্টগ্রামের প্রথম ওয়াটার বাস সার্ভিস চালু হল। কোনো আনুষ্ঠানিকতা ছাড়াই গতকাল সোমবার সকালে যাত্রা শুরু করে নদীপথে যাত্রীবাহী এই বিলাসবহুল জাহাজ চলাচল। এই রুটে চড়তে ভাড়া কমিয়ে রাখা হয়েছে জনপ্রতি ৩৫০ টাকা। এর আগে ভাড়া ঠিক করা হয়েছিল ৪০০ টাকা। এই ভাড়ায় একজন যাত্রী সদরঘাট থেকে পতেঙ্গায় পৌঁছে সেখান থেকে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত বাসে বিমানবন্দর টার্মিনাল যেতে পারবেন। আসার পথে সেই বাসে করে পতেঙ্গা পৌঁছে আবার সদরঘাট পর্যন্ত আসতে পারবেন।

বিমানবন্দরগামী যাত্রীদের টার্গেট করে এই সার্ভিস চালু করা হয়েছে। নগরের সদরঘাট থেকে পতেঙ্গা বিমানবন্দর গেটের পাশে থাকা জেটি পর্যন্ত ১৬ কিলোমিটার দীর্ঘপথ পাড়ি দিতে সময় লাগবে মাত্র ২০ মিনিট। ২৫ আসনের এই জাহাজটি বিমানযাত্রীদের জন্য বেশ আরামদায়ক এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করেই তৈরি করা হয়েছে।

মুলত চট্টগ্রাম শহর থেকে বিমানবন্দরমুখী সড়কে ভয়াবহ যানজট এড়াতে বিকল্প এই পথ চালুর উদ্যোগ নেয় বন্দর কর্তৃপক্ষ। জাহাজটি তৈরি হয়েছে চট্টগ্রাম ড্রাইডক জেটিতে। আর সার্ভিসটি পরিচালনা করবে এস এস ট্রেডিং। এর আগে অন্তত ১৫ দিন ধরে পরীক্ষামূলক যাতায়াত চলে এই সার্ভিসের। এতে চট্টগ্রামের জনপ্রতিনিধি, শিল্পপতি, সাংবাদিকসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিদের এই সার্ভিসে ভ্রমণ করায় পরিচালনাকারী কর্তৃপক্ষ।

পরিচালনাকারীরা বলছেন, প্রতিদিন সদরঘাট থেকে সকাল সাতটা, আটটা, ১২টা ২৫, বিকেল তিনটা ও সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত পাঁচটি ট্রিপ চলবে। আর পতেঙ্গা থেকেও সকাল সাড়ে আটটা, সাড়ে ১১টা, বিকাল ২টা ২৫ মিনিট, সাড়ে চারটা, রাত সোয়া নয়টায় ছেড়ে যাবে।

এস এস ট্রেডিং এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাবাব হোসেন বলেন, ‘বিমানযাত্রীদের টার্গেট করেই আমরা উন্নত ব্যবস্থাপনা তৈরি করেছি। দুটি জেটি নির্মাণ, জাহাজ নির্মাণ, জাহাজে সিট, লাগেজ রাখার ব্যবস্থা, ইনটেরিয়র, ওয়াইফাইসহ সব আধুনিক সুবিধা রাখা হয়েছে। আর জেটি থেকে বিমানবন্দর টার্মিনাল পর্যন্ত বাস সার্ভিস সবকিছুতেই মান বজায় রেখেছি।’

তিনি বলেন, ‘বিমানবন্দরে বিমান সংস্থাগুলোর ফ্লাইট শিডিউল মাথায় রেখেই আমরা ওয়াটার ট্যাক্সির সময় চূড়ান্ত করেছি। আগামী জানুয়ারিতে যোগ হবে আরও দুটি ট্যাক্সি। তখন ট্রিপের সংখ্যা আরও বাড়বে। বিমান সংস্থাগুলোর সঙ্গে কথা বলেই সূচি চূড়ান্ত করা হয়েছে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা