kalerkantho

সোমবার । ০৯ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১১ রবিউস সানি ১৪৪১     

সম্পাদক পদেই নজর

কাল নোয়াখালী জেলা আ. লীগের সম্মেলন উদ্বোধন করবেন ওবায়দুল কাদের

সামসুল হাসান মীরন, নোয়াখালী   

১৯ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



সম্পাদক পদেই নজর

প্রায় পাঁচ বছর পর নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন হচ্ছে আগামীকাল বুধবার। সম্মেলন ঘিরে নানা সাজে সেজেছে জেলা শহর মাইজদী প্রবেশদ্বার মাইজদী বাজার থেকে শুরু করে পুরো শহরে অসংখ্য তোরণ, সড়কের দুপাশে নেতাদের ছবি সম্বলিত বিশাল হুডবোর্ড, বিলবোর্ড ও প্ল্যাকার্ডের ছড়াছড়ি। প্রতিটি ভবন, সরকারি-বেসরকারি অফিস থেকে শুরু করে প্রধান সড়কের দীর্ঘ পাঁচ কিলোমিটারজুড়ে আলোকসজ্জা রাতের শহর করে তুলেছে মোহনীয়। সম্মেলনস্থল শহীদ ভুলু স্টেডিয়ামকে সাজানো হয়েছে বর্ণিল সাজে। বিশাল নৌকার ওপর বানানো হচ্ছে নান্দনিক মঞ্চ।  ১০ দিন ধরে চলছে মঞ্চ তৈরির কাজ।

সকাল ১০টায় সম্মেলন উদ্বোধন করবেন প্রধান অতিথি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। বিকেলে কাউন্সিল অধিবেশন বসবে জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে। সেখানে ৪৫১ কাউন্সিলর নতুন নেতা নির্বাচন করবেন।

সরেজমিন দেখা যায়, সম্মেলন ঘিরে জেলার সর্বত্র উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। দলীয় নেতাকর্মীদের পাশাপশি জেলার সর্বস্তরের মানুষ সম্মেলনস্থলে ভিড় জমাচ্ছে। জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সংসদ সদস্য একরামুল করিম চৌধুরীকে আবারও ওই পদে দেখতে চেয়ে অনেক নেতাকর্মী তাঁদের ছবি সম্বলিত তোরণ বানিয়েছেন। স্থাপন করেছেন বিলবোর্ড, এ ছাড়া  পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও মেয়র শহিদ উল্লাহ খানকে ওই পদে দেখতে চেয়ে বিলবোর্ডও দেখা গেছে। তবে সভাপতি পদে এমন প্রচার চোখে পড়েনি।

এদিকে সভাপতি পদে কারো প্রার্থিতা শোনা না গেলেও বর্ষীয়ান নেতা বর্তমান সভাপতি ও সুবর্ণচর উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ খায়রুল আনম চৌধুরী সেলিম আবারও সভাপতি হতে যাচ্ছেন বলে নেতাকর্মীরা মনে করছেন।

অধ্যক্ষ খায়রুল আনম সেলিম বলেন, ‘বিগত ১৫ বছর আমরা নবীণ-প্রবীণের সমন্বয়ে কাজ করেছি। যার ফলশ্রুতিতে নোয়াখালী এখন আওয়ামী লীগের দুর্গ। আশাকরি আসন্ন কাউন্সিলে নেতাকর্মীরা আমাদের কাজের মূল্যায়ন করবেন।’

একরামুল করিম চৌধুরী বলেন, ‘সম্মেলন সফল করতে সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’

‘সবার ভালোবাসা পেয়েছি। নেতাকর্মীদের সবাই চান, আমি যেন আবার সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী হই। তবে এ ব্যাপারে জননেত্রী শেখ হাসিনা এবং আমাদের অভিভাবক জননেতা ওবায়দুল কাদের যে সিদ্ধান্ত দেবেন তা মাথা পেতে নেব।’-যোগ করেন একরামুল।

শহিদ উল্লাহ খান সোহেল বলেন, ‘ছাত্র রাজনীতি করে জেল-জুলুম হামলা-মামলা খেয়ে আজকের পর্যায়ে এসেছি। তৃণমুল নেতাকর্মীদের দাবির প্রেক্ষিতে সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী হয়েছি।’

নোয়াখালী শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুল ওয়াদুদ পিন্টু বলেন, ‘এবারের সম্মেলন ঘিরে আমাদের নেতা একরাম চৌধুরী শহরকে অপরূপ সাজে সাজিয়েছেন। যা আগে কখনো হয়নি। আমরা চাই, তিনি আবারও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হোক।’

সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক এ কে এম সামসুদ্দিন জেহান বলেন, ‘এখানে গত ১১ বছরে যে উন্নয়ন হয়েছে স্বাধীনতার পর এমন কাজ আর হয়নি।’

জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মাহমুদুর রহমান জাবেদ বলেন, ‘নোয়াখালী একসময় ছিল বিএনপির ঘাঁটি। দূরদর্শী নেতৃত্বের কারণে আজ এটি আওয়ামী লীগের ঘাঁটিতে পরিণত হয়েছে।’

জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক ইমন ভট্ট বলেন, ‘একরাম চৌধুরীর কারণে এখানে আওয়ামী লীগ, যুবলীগসহ সকল সহযোগী সংগঠন চাঙ্গা।’

জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আসাদুজ্জামান আরমান বলেন, ‘একরাম চৌধুরী আমাদের অভিভাবক।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা