kalerkantho

শুক্রবার । ০৬ ডিসেম্বর ২০১৯। ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ৮ রবিউস সানি ১৪৪১     

নষ্ট অস্ত্র ঠিক করে বিক্রি করে ওঁরা

‘গ্রেপ্তার পাঁচজনের মধ্যে সিআরবির জোড়া খুন মামলার আসামি ফরিদও রয়েছে। সে ৩০-৪০ জনের কিশোর গ্যাং নিয়ে রেলওয়ের টেন্ডারবাজিতে প্রভাব বিস্তার, সিআরবি এলাকার আশপাশ এবং পলোগ্রাউন্ডে বাণিজ্যমেলা ঘিরে চাঁদাবাজি করে।’

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম   

১৭ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নষ্ট অস্ত্র ঠিক করে বিক্রি করে ওঁরা

নগরের কোতোয়ালী পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার পাঁচ মাদকসেবী। ছবি : কালের কণ্ঠ

নগরের কোতোয়ালী থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে পাঁচ মাদকসেবীকে গ্রেপ্তার করেছে। যাঁদের মধ্যে শেখ ফরিদ আহম্মদ সিআরবির জোড়া খুনের মামলার এজাহারভুক্ত আসামি।

গতকাল শনিবার ভোররাতে নগরের এনায়েতবাজার রাণীরদিঘির পাড়ের ইসহাক ভিলার তৃতীয় তলায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাঁদের হেফাজত থেকে মাদক ছাড়াও পিস্তলের যন্ত্রাংশ জব্দ করে পুলিশ।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন মোহাম্মদ ইয়াকুব (৩৮), সিরাজুল ইসলাম (৪৩), শেখ ফরিদ আহম্মদ (৪৩), শিমুল বিশ্বাস (৫০) ও মো. আলাউদ্দিন (৪৬)। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে কোতোয়ালীসহ বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। এর মধ্যে আলাউদ্দিনের বিরুদ্ধে ১৪টি এবং শিমুল বিশ্বাসের বিরুদ্ধে একটি মামলা রয়েছে।

উদ্ধারকৃত অস্ত্রের সরঞ্জাম ও মাদকের মধ্যে রয়েছে, অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম স্লাইড কেইস, ব্যারেল, পিস্তল গ্রিফ উইথ ট্রেগার মেকানিজম এর ভাঙা অংশ, স্প্রিং, স্প্রিংবিহীন ম্যাগজিন, পিস্তলের গ্রিফ কভার, রেত পাথর, পিস্তলের বডি লগিং পিন, অস্ত্র মেরামতের ধাতব প্লেট। সেই সঙ্গে ১১০ ইয়াবা ও ২০০ গ্রাম গাঁজা জব্দ করা হয়।

ঘটনার বিষয়ে কোতোয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মহসিন বলেন, ‘গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে ফরিদ সিআরবির জোড়া খুনের মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। ফরিদ কিশোর গ্যাং তৈরি করে সিআরবি এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে। ৩০-৪০ জনের কিশোর গ্যাং নিয়ে রেলওয়ে টেন্ডারবাজিতে প্রভাব বিস্তার, সিআরবি এলাকার আশপাশ এবং পলোগ্রাউন্ড বাণিজ্যমেলা ঘিরে চাঁদাবাজি করে বলে অভিযোগ আছে।’

অস্ত্রের যন্ত্রাংশ জব্দের বিষয়ে তিনি বলেন, আসামিরা পুরনো নষ্ট অস্ত্র মেরামত করতে সক্ষম। তারা পুরনো ও নষ্ট অস্ত্র মেরামত করে অন্য সন্ত্রাসীদের কাছে বিক্রি করে বলেও অভিযোগ আছে।’

প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালে বাংলাদেশ রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলে টেন্ডারবাজি করতে গিয়ে সশস্ত্র সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে যুবলীগ ক্যাডার হেলাল আকবর বাবর ও ছাত্রলীগ ক্যাডার সাইফুল ইসলাম লিমন। দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে ওইদিন ঘটনাস্থলেই এক শিশু ও অপর এক যুবলীগ কর্মীসহ দুজনের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলাটি সিআরবির জোড়া খুনের মামলা নামে পরিচিতি পেয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা