kalerkantho

সোমবার । ০৯ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১১ রবিউস সানি ১৪৪১     

করমেলা বৃহস্পতিবার থেকে

এবার ৬০ হাজার রিটার্ন জমা হওয়ার আশা

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম   

১২ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



এবার ৬০ হাজার রিটার্ন জমা হওয়ার আশা

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন মেলা কমিটির আহ্বায়ক জি এম আবুল কালাম কায়কোবাদ। ছবি : কালের কণ্ঠ

নগরে আয়কর মেলা শুরু হচ্ছে আগামী বৃহস্পতিবার। চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও তিন পার্বত্য জেলায় অনুষ্ঠেয় মেলা থেকে এবার ৬০ হাজার টিআইএনধারি (ট্যাক্স আইডেন্টিফিকেশন নম্বর) ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান রিটার্ন জমা দেবে বলে আশা করছে আয়োজক কর্তৃপক্ষ। গতবছর  মেলায় রিটার্ন দাখিল হয়েছিল ৪৭ হাজারটি।

সোমবার আগ্রাবাদে সরকারি কার্যভবনে কর বিভাগের সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন আয়োজকরা। মেলা উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক জি এম আবুল কালাম কায়কোবাদ বলেন, ‘মেলার নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা থাকে না। কর বিষয়ক সেবা দেওয়া, কর প্রদান সহজ করা এবং করবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টিই মেলার মূল লক্ষ্য। এর পরও আশা করি এবার ৬০ হাজার টিআইএন রিটার্ন জমা হবে।’

‘গত বছর আয়কর মেলায় ৪৭ হাজার ১২৯ রিটার্ন জমা পড়েছিল, এর বিপরীতে রাজস্ব জমা হয়েছিল প্রায় ৫৬১ কোটি টাকা। এবারও রাজস্ব আয় বাড়বে।’-যোগ করেন তিনি। 

কর বিভাগের তথ্যমতে, চট্টগ্রামের চারটি কর অঞ্চলে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ১১ হাজার ১৭৭ কোটি টাকা আয়কর জমা হয়েছিল। এর আগের অর্থবছরে আয়কর জমা হয়েছিল ১০ হাজার ১১২ কোটি টাকা। এক বছরের ব্যবধানে কর জমার পরিমাণ বেড়েছে এক হাজার ৬৫ কোটি টাকা। আর প্রবৃদ্ধি হয়েছে সাড়ে ১০ শতাংশ। কিন্তু এর আগের বছর কর জমার প্রবৃদ্ধি হয়েছিল ২০ শতাংশের বেশি।

এর কারণ জানতে চাইলে কর কমিশনার-১ মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন বলেন, ‘চট্টগ্রাম থেকে আয়কর প্রদান প্রতিবছর বেড়েছে। কিন্তু কর প্রবৃদ্ধি কমার কারণ রাজস্ব আয়ের খাত কমে যাওয়া, শুল্কহার ওঠানামা ইত্যাদি। এটা দেশব্যাপী একই সমস্যা শুধু চট্টগ্রাম নয়।’

চট্টগ্রামের চারটি কর অঞ্চল যৌথভাবে এই আয়কর মেলা আয়োজন করছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় নগরের জিইসি কনভেনশন সেন্টারে সপ্তাহব্যাপী আয়কর মেলা উদ্বোধন করবেন সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। এর আগের দিন বুধবার সকাল ১১টায় চার কর বিভাগের সর্বোচ্চ ও দীর্ঘমেয়াদি করদাতাদের সম্মাননা দেওয়া হবে। এতে প্রধান অতিথি থাকবেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

এবার কক্সবাজার, রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি জেলা সদরে ৪ দিনব্যাপী আয়কর মেলার আয়োজন করা হয়েছে। এ ছাড়া সীতাকুণ্ড, পটিয়া ও লোহাগাড়া উপজেলায় দুই দিনব্যাপী এবং চকরিয়া ও টেকনাফে এক দিনব্যাপী আয়কর মেলা হবে।

মেলায় ২০১৯-২০ অর্থবছরের আয়কর রিটার্ন জমা, প্রতিটি কর অঞ্চল বা সার্কেলের জন্য পৃথক ৪৬টি বুথ, নতুন করদাতার জন্য ইটিআইএন রেজিস্ট্রেশন বুথ, নারী, সিনিয়র সিটিজেন, প্রতিবন্ধী, সশস্ত্র বাহিনীর করদাতা, অবসরপ্রাপ্ত সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাদের জন্য নির্দিষ্ট কাউন্টার থাকবে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন কর কমিশনার-৩ মাহবুবুর রহমান, কর অঞ্চল-৪ কমিশনার ব্যারিস্টার মুতাসিম বিল্লাহ ফারুকী, সদ্য পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর কমিশনার মোহাম্মদ মফিজ উল্লাহ, অতিরিক্ত কর কমিশনার সাফিনা জাহান, মাহমুদুর রহমান ও যুগ্ম কমিশনার ভুবন মোহন ত্রিপুরা প্রমুখ।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা