kalerkantho

রবিবার। ১৭ নভেম্বর ২০১৯। ২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

কালুরঘাটে নতুন সেতু দেখে যেতে পারলেন না বাদল

কাজী আয়েশা ফারজানা, বোয়ালখালী (চট্টগ্রাম)   

৮ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কালুরঘাটে নতুন সেতু দেখে যেতে পারলেন না বাদল

জনগণের দুর্ভোগ আর দুর্দশা সহ্য করতে না পেরে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে কালুরঘাটে নতুন রেল-সড়ক সেতু নির্মাণকাজ শুরু না হলে সংসদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য মঈনউদ্দিন খান বাদল। শুধু তাই নয়, সেতুর জন্য নিজ দল জাসদ ছেড়ে প্রয়োজনে আওয়ামী লীগে যোগ দিতেও রাজি ছিলেন তিনি। কিন্তু কর্ণফুলী নদীর উপর কালুরঘাট নতুন সেতু দেখে যেতে পারলেন না তিনি। ক্ষোভ আর অভিমান নিয়ে সংসদ থেকে পদত্যাগের আগেই চলে গেলেন না ফেরার দেশে।

বৃহস্পতিবার ভোরে বাদলের মৃত্যুর খবরে তাঁর জন্মস্থান বোয়ালখালীতে শোকের ছায়া নেমে আসে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কালুরঘাট সেতু ও মঈনউদ্দিন খান বাদলকে নিয়ে নানা মন্তব্য ও শোকগাথার বন্যা বয়ে যায়। বোয়ালখালী মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডার হারুন মিয়া বলেন, ‘৬ জুলাই কালুরঘাট নতুন সেতুর দাবিতে অনশন কর্মসূচিতে এসে সেতু নিয়ে মানুষের কষ্টের কথা বলতে গিয়ে তাঁর অঝোর কান্না আজো আমাদের তাড়িত করে। মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর কাছে দাবি, যদি কখনো কালুরঘাটে নতুন সেতু হয় তাহলে সেটি যেন মুক্তিযোদ্ধা বাদলের নামে রাখা হয়। এমপি বাদল এই সেতুর মাঝে বেঁচে থাকবেন।’

কালুরঘাট সেতু বাস্তবায়ন পরিষদের আহ্বায়ক আবদুল মোমিন বলেন, ‘তিনি এমন নেতা যিনি একটি সেতুর জন্য সংসদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। তাঁর এ দৃঢ়চেতা মনোভাব আমাদের সাহস জোগাবে।’

বোয়ালখালী পৌরসভার মেয়র আবুল কালাম আবু বলেন, ‘ডিসেম্বরের মধ্যে কালুরঘাট সেতুর সুরাহা করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এমপি বাদলের শেষ ইচ্ছাকে সম্মান জানাবেন বলে জনগণ আশাবাদী। কালুরঘাট সেতু নিয়ে তাঁর অবদানের জন্য তিনি মরেও অমর হয়ে থাকবেন।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা