kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৪ নভেম্বর ২০১৯। ২৯ কার্তিক ১৪২৬। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

বন্দরে খাবার অনুপযোগী ১৩ টন ফুচকা জব্দ

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম   

২৩ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বন্দরে খাবার অনুপযোগী ১৩ টন ফুচকা জব্দ

ধরা না পড়লে জালিয়াতি করে উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের নতুন তারিখ বসিয়ে বিক্রি করা হত এসব ফুচকা। ছবি : কালের কণ্ঠ

১৩ টন মেয়াদোত্তীর্ণ ফুচকা তৈরির কাঁচামাল আমদানির একটি চালান চট্টগ্রাম বন্দরে আটক করল কাস্টমসের গোয়েন্দা দল (এআইআর)। কন্টেইনার খুলে কায়িক পরীক্ষা করে নিশ্চিত হওয়ার পর গতকাল মঙ্গলবার চালানটি জব্দ করা হয়। এটির ঘোষিত মূল্য ৪ লাখ টাকা আর এতে রাজস্ব ছিল ২ লাখ ৬১ হাজার টাকা।

ধারণা করা হচ্ছে, মেয়াদোত্তীর্ণ এই পণ্য জালিয়াতি করে উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের নতুন তারিখ বসিয়ে বাজারে বিক্রি করা হত।

এ প্রসঙ্গে কাস্টমস গোয়েন্দা এআইআর সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা রাসেল মাহমুদ জুয়েল কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘চালানটির বিল অব এন্ট্রি খালাসের জন্য কাস্টমসে জমা দিলে আমার পণ্যের কায়িক পরীক্ষা করতে গেলে বিষয়টি ধরা পড়ে। ১৩ টন ফুচকার সবই ২২ সেপ্টেম্বর মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে গেছে। সব চালানই খাবার অনুপযোগী বিধায় বাজেয়াপ্ত করা হবে।’

জানা গেছে, যশোরের আমদানিকারক মেসার্স হাসান ব্রাদার্স একটি কন্টেইনারে ১৩ টন ফুচকা আমদানির জন্য ইসলামী ব্যাংক থেকে একটি ঋণপত্র খুলে। চালানটি জাহাজীকরণ হয় মালয়েশিয়া পোর্ট কেলাঙ বন্দর থেকে। কিন্তু চালানটি তৈরি হয় ভারতে। এর পর এটি ২১ মার্চ চট্টগ্রাম বন্দরে নামানো হয়; দীর্ঘদিন ফেলে রাখার পর গত ৩ অক্টোবর চালানটির বিল অব এন্ট্রি চট্টগ্রাম কাস্টমসে জমা দেয় সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জের কুমিল্লা শিপিং। এ জন্য চালানটির বিপরীতে ২ লাখ ৬১ হাজার টাকা রাজস্বও পরিশোধ করে আমদানিকারক। পরে কন্টেইনার খুলে পরীক্ষায় দেখা যায় সব প্যাকেটই মেয়াদোত্তীর্ণ।

রাসেল মাহমুদ জুয়েল বলেন, ‘ভারতের তৈরি ফুচকা তৈরির কাঁচামাল মালয়েশিয়া থেকে তো আসার কথা নয়। এটা নিশ্চিত যে আমরা ধরতে না পারলে এসব পণ্য নতুন উৎপাদন-উত্তীর্ণ তারিখ বসিয়ে ভোক্তাদের খাওয়ানো হত।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা