kalerkantho

সোমবার । ১৮ নভেম্বর ২০১৯। ৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২০ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

সুবর্ণচরে ডোবায় যুবকের গলিত লাশ

লামায় গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যা

নোয়াখালী ও লামা (বান্দরবান) প্রতিনিধি   

২১ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



লামায় ৬ সন্তানের জননীকে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। তাঁর নাম গোলাপী বেগম (৪৭)। উপজেলার লামা ইউনিয়নের দুর্গম পাহাড়ি এলাকা চিউনি খালপাড়ায় নিজ বাড়িতে রবিবার রাতের কোনো সময় দুর্বৃত্তরা তাঁকে খুন করে। নিহত গোলাপী একই এলাকার মো. শাহজাহানের স্ত্রী।

সূত্র জানায়, গোলাপী বেগম শনিবার দিবাগত রাতে ৬ বছরের ছোট মেয়ে এবং ৪ বছরের এক নাতনিকে সঙ্গে নিয়ে নিজ ঘরে ঘুমিয়ে পড়েন। রাতের কোনো এক সময় দুর্বৃত্তরা ঘরে ঢুকে তাঁকে জবাই করে হত্যা করে পালিয়ে যায়। ভোরে নামাজ পড়তে উঠে পরিবারের লোকজন জবাই করা লাশ দেখতে পেয়ে লামা থানা পুলিশ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের খবর দেন।

জানা গেছে, নিহত গোলাপীর স্বামী মো. শাহজাহানের দুই স্ত্রী। ঘটনার দিন রাতে স্বামী শাহজাহান ছোট স্ত্রীর সাথে অন্য বাড়িতে ছিলেন। গোলাপীর ২ ছেলে ও ৪ মেয়ে রয়েছে। বড় ছেলে পাশের বাড়িতে স্ত্রী নিয়ে আলাদা থাকেন। পরিবারের অন্য সদস্যরা পাশের ঘরে ঘুমিয়েছিল।

স্থানীয় ইউপি সদস্য আবুল কাশেম জানান, শাহজাহানের দুই স্ত্রী থাকলেও উভয় পরিবারের মাঝে সুন্দর সম্পর্ক ছিল। প্রতিবেশীসহ কারো সঙ্গে কোনো বিরোধ ছিল না।

নিহতের বড় ছেলে মো. জসিম উদ্দিন বলেন, ‘আমার মেয়ে আমেনা বেগম রাতে মার সঙ্গে ঘুমিয়েছিল। কী কারণে, কারা মাকে খুন করেছে আমরা কিছুই জানি না।’

লামা সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মিন্টু কুমার সেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, দুর্বৃত্তরা কেন গোলাপী বেগমকে হত্যা করেছে এর কারণ এখনো জানা যায়নি।

লামা থানা পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আমিনুল হক জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে। সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি শেষে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য বান্দরবান মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে হত্যাকাণ্ডের কারণ জানা যায়নি।

নোয়াখালী : সুবর্ণচর উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের একটি ডোবা থেকে অচেনা যুবকের গলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রবিবার সকাল ১১টার দিকে ২ নম্বর ওয়ার্ড চর তোরাব আলী গ্রাম থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে চর তোরাব আলী গ্রামের ওই ডোবার পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় পচা গন্ধ পায় স্থানীয়রা। পরে তাঁরা ডোবার কাছে গিয়ে একটি লাশ ভাসতে দেখে থানায় খবর দিলে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।

চর জব্বার থানার ওসি সাহেদ উদ্দিন জানান, লাশটি গলে যাওয়ায় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা