kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২১ নভেম্বর ২০১৯। ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

নোয়াখালী ও সীতাকুণ্ডে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার ২

নোয়াখালী ও সীতাকুণ্ড প্রতিনিধি   

১৪ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নোয়াখালীর সদর উপজেলার এওজবালিয়া ইউনিয়নে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী এবং চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে এক কলেজছাত্রী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। পৃথক দুটি ঘটনায় মামলা দায়েরের পর পুলিশ দুই ধর্ষককে গ্রেপ্তার করেছে। 

নোয়াখালীর সদর উপজেলার এওজবালিয়া ইউনিয়নে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রীকে (১১) ধর্ষণের ঘটনায় ধর্ষক সুমন (১৮) কে গ্রেপ্তার করে জেলহাজতে প্রেরণ করেছে পুলিশ।

রবিবার দুপুরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত সুমন চরশুল্লকিয়া এলাকার আব্দুল আজিজের ছেলে। এর আগে শনিবার রাতে চরশুল্লকিয়া গ্রাম থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

সুধারাম মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নবীর হোসেন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চরশুল্লকিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে সুমনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গত শুক্রবার রাতে ভিকটিমের বাবা সেলিম বাদী হয়ে সুমনকে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।

গত বৃহস্পতিবার দুপুর ১টার দিকে স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে খাসেরহাট বাজার এলাকায় সুমন ওই স্কুলছাত্রীর (১১) এর গতিরোধ করে মুখ চেপে পার্শ্ববর্তী একটি কলাবাগানে নিয়ে ধর্ষণ করে।

এদিকে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে কলেজ পড়ূয়া এক তরুণীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে দফায় দফায় ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী তরুণীর মা বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করলে পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃত যুবকের নাম রিয়াজ উদ্দিন রাহাত (২৮)। সে উপজেলার ভাটিয়ারী ইউনিয়নের ভাটিয়ারী বালু রাস্তার রমজান আলী মেম্বার বাড়ির মো. সিরাজউদ্দৌলার ছেলে।

সীতাকুণ্ড থানার অফিসার ইনচার্জের দায়িত্বে থাকা ওসি (তদন্ত) মো. শামীম শেখ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘মেয়েটিকে বিয়ের প্রলোভনে সে বারবার ধর্ষণ করেছে। কিন্তু এখন বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছে। তার মা শনিবার রাতে মামলা দায়ের করলে আমরা আসামিকে গ্রেপ্তার করি।’

তিনি জানান, পরে আসামিকে আদালতে সোপর্দ করলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা