kalerkantho

রবিবার। ১৭ নভেম্বর ২০১৯। ২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

বাঁশখালীর ২৪ স্পটে বালি উত্তোলন

পূর্ব পুঁইছড়িতে ব্রিজ রাস্তা ভেঙে চৌচির

উজ্জ্বল বিশ্বাস, বাঁশখালী   

১৩ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বাঁশখালীর পুঁইছড়ি ইউনিয়নের পূর্ব পুঁইছড়ি গ্রামে ২৪ স্পটে বালি খেকোরা নিয়মিত বালি উত্তোলন করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে করে গ্রামের ব্রিজ, কালভার্ট ও রাস্তাঘাটের সবই চলাচলের অনুুপযুক্ত হয়ে পড়েছে।

বালি উত্তোলনকারীদের তাণ্ডবে পুরো গ্রামীণ সড়ক ও বনবিভাগের সড়কে ৫০ হাজার গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। বনবিভাগের সড়কে চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের অধীনে গত ২০১৫ সালে নির্মিত ১৬ লাখ টাকা ব্যয়ে ব্রিজটিও মাত্র ৫ বছরের মাথায় ভেঙে গেছে। ব্রিজের পিলারের নিচ থেকে নির্বিচারে বালি উত্তোলন হওয়ায় ব্রিজটি ভেঙে গেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। গতকাল শনিবার দুপুরে সরেজমিন দেখা গেছে, ওই ব্রিজের পাশে এবং নিচ থেকে স্থানীয় ডা. নুরুন্নবী নামের এক ব্যক্তি বালি উত্তোলন করে ট্রাকযোগে বিক্রয় করছেন।

পূর্ব পুঁইছড়ি ঘুরে দেখা গেছে, অন্ততঃ ২৪টি স্পটে বালি উত্তোলন করছে বালি খেকোরা। বিভিন্ন স্পটে প্রায় ১০ কোটি টাকার বালি মজুত রয়েছে। ফরেস্ট রেঞ্জ অফিসের পাশেই আছে বিশাল বালির স্তূপ।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, পূর্ব পুঁইছড়ি গ্রামে বালিখেকোদের রাজত্ব চলছে। প্রতিদিন অন্ততঃ ৫০ ট্রাক বালি বিক্রয় হয়। ওই ট্রাকগুলো বালি নিতে দিনে অন্তত ১০০ বার আসা-যাওয়া করে। ফলে রাস্তার বেহাল দশা।

পুঁইছড়ি বনবিভাগের রেঞ্জার মো. আনিচ্ছুজামান শেখ বলেন, ‘ব্রিজটি শুধুমাত্র বালি খেকোদের অত্যাচারে ভেঙেছে। পিলারের নিচ থেকে বালি নিলে কী ব্রিজ ঠিক থাকে? এ ব্রিজ ভেঙে যাওয়ায় আমাদের চরম ভোগান্তি হচ্ছে।’

বাঁশখালী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আল বশিরুল ইসলাম বলেন, ‘পুঁইছড়ির বালিখেকোদের চিহ্নিত করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। এ ছাড়া ৭টি ড্রেজার জব্দ করা হয়েছে এবং ১ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা