kalerkantho

বুধবার । ২৩ অক্টোবর ২০১৯। ৭ কাতির্ক ১৪২৬। ২৩ সফর ১৪৪১                 

সন্দ্বীপে আ. লীগের দুপক্ষে মারামারি, আহত ১০

মাইটভাঙা ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের কাউন্সিল স্থগিত

সন্দ্বীপ (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি   

১০ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নতুন নেতা নির্বাচনের কাউন্সিল অধিবেশন ঘিরে সন্দ্বীপে আওয়ামী লীগের দুপক্ষে মারামারির ঘটনায় প্রায় ১০ জন আহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার বিকেলে স্থানীয় নুরুল আহাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মাইটভাঙা ৭ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের কাউন্সিল অধিবেশনে এ ঘটনা ঘটে।

পরে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতারা সন্মেলন স্থগিত করেছেন।

মারামারির ঘটনায় আহতরা হলেন নুরছাপা মালাদার (৫০), ফরিদুল মাওলা রাসেল (৩৫), নুর হোসেন (২৭), রহমানুল ইসলাম (২৫), রহিমা বেগম (৫২) রাশেদ (৩২), মো. করিম (৩৫), মো. সেলিম (৪৩), আমজাদ (৩৮) ও ফারহানা (৩৩)। আহতরা প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ঘরে ফিরেছেন বলে জানা গেছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। আহত কাউন্সিলর নুরছাপা মালাদার সন্দ্বীপ থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।

ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক দিদারুল আলম বলেন, ‘সভাপতি প্রার্থী করিম মেম্বার অনৈতিক সুবিধা আদায়ে ব্যর্থ হয়ে স্থানীয় যুবলীগ নেতা-কর্মীর সহযোগিতায় পরিকল্পিতভাবে এ ঘটনার সৃষ্টি করেছেন।’

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও জেলা যুবলীগ নেতা মিজানুর রহমান বলেন, ‘যুবলীগ ঘটনায় কোনোভাবে জড়িত ছিল না, ঝগড়া মীমাংসার দায়িত্ব পালন করেছে।’

এদিকে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রার্থী ও ইউপি সদস্য করিম তাঁর বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ অস্বীকার করে প্রতিপক্ষ সভাপতি প্রার্থী হেলালের লোকেরা তাঁদেরকে মারধর করেছে বলে পাল্টা অভিযোগ করেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার ২/৩ মিনিটের মধ্যে প্রার্থী করিম মেম্বার জনৈক ভোটারের বৈধতা নিয়ে চ্যালেঞ্জ করেন।

এর পর তিনি গোপন বুথে কাউন্সিল নেতাদের মনোনীত প্রতিনিধির নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং তাঁকে পরিবর্তন করে নিজের প্রস্তাবিত জনৈক কাউন্সিলরকে নিরপেক্ষ আখ্যায়িত করে তাঁকে নিয়োগের দাবি জানাতে থাকেন। ওই দাবির যৌক্তিকতা নিয়ে তিনি উপস্থিত ইউনিয়ন ও উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতাদের সাথে তুমুল বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন।

দুপক্ষের তর্কাতর্কি-হাতাহাতি এক পর্যায়ে মারামারিতে রূপ নেয়। এতে ১০ জন আহত হন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা