kalerkantho

সোমবার । ২১ অক্টোবর ২০১৯। ৫ কাতির্ক ১৪২৬। ২১ সফর ১৪৪১                       

নগরে নববধূকে হত্যার অভিযোগ, স্বামী গ্রেপ্তার

ফটিকছড়িতে গৃহকর্তার ঝুলন্ত লাশ

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম ও ফটিকছড়ি প্রতিনিধি   

৯ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



‘যৌতুক না দেওয়ায়’ শারমিন আক্তার সুমি (১৯) নামে এক নববধূকে পরিকল্পিতভাবে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগ ওঠেছে স্বামী ও শাশুড়ির বিরুদ্ধে। গত সোমবার রাতে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে মুমূর্ষু অবস্থায় নিয়ে আসা হলে সেখানেই মৃত্যু হয় নববধূ সুমির।

এর পর পরই অভিযুক্ত স্বামী সোলায়মান হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পাশাপাশি স্বামীসহ শাশুড়ির বিরুদ্ধে নগরের পাঁচলাইশ থানায় একটি হত্যামামলা করেছেন সুমির মা চেমন আরা বেগম।

স্বামীকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কাসেম ভূঁইয়া বলেন, ‘স্বামী সোলায়মানকে গ্রেপ্তার করার পর জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানিয়েছেন, সুমির গলার ওড়না টান দেওয়ার সময় তাঁর মৃত্যু হয়। কিন্তু আমাদের কাছে প্রাথমিকভাবে মনে হয়েছে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’

ওসি বলেন, ‘আটক স্বামীকে আমরা আদালতে প্রেরণের প্রস্তুতি নিচ্ছি। তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলায় আমরা আদালতের কাছে সাত দিনের রিমান্ড চাইব।’

জানা যায়, দুই মাস আগে নোয়াখালীর উত্তর শুল্লিকা এলাকার কামাল উদ্দিনের ছেলে সোলায়মানের সঙ্গে সুমির বিয়ে হয়। পরে নগরের পাঁচলাইশস্থ নাজিরপাড়ায় মানিক ভিলার নিচতলায় স্বামীসহ শ্বশুরের বাসায় থাকতেন হত্যার শিকার নববধূ সুমি।

সুমির পরিবারের দাবি, বিভিন্ন সময় তাঁকে যৌতুকের দাবিতে নির্যাতন করত স্বামীসহ শ্বশুরপক্ষ। সর্বশেষ শ্বাসরোধ করে সুমিকে মৃত্যুর কোলে ঠেলে দেন তাঁরা।

ফটিকছড়ি : ঝুলন্ত অবস্থায় মাহাবুবুল আলম (৫০) নামে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল  মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার নাজিরহাট পৌরসভার  ইমামনগর গ্রামের নেজাম আলী বাড়ি থেকে পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে। নিহত মাহবুবুল আলম ওই এলাকার শামসুল আলমের ছেলে। তিনি তিন সন্তানের জনক।

নিহতের পরিবার সূত্রে  জানা যায় , স্ত্রী-সন্তান বাড়িতে না থাকায় সোমবার রাতে এশার নামাজ শেষ করে ঘরে একা ঘুমিয়ে পড়েন মাহাবুবুল আলম। সকালে ঘুম থেকে জাগতে না দেখে পরিবারের অন্যান্য লোকজন বাইরে থেকে কোনো সাড়া শব্দ না পেয়ে পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ এসে ঘরের বিমের সঙ্গে গলায় ফাঁস লাগানো ঝুলন্ত অবস্থায় লাশ উদ্ধার করে।

ফটিকছড়ি থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) দেলোয়ার হোসেন মঙ্গলবার বিকেলে বলেন, ‘নিহতের পরিবার এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ করেনি। লাশ উদ্ধারের পর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা