kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২১ নভেম্বর ২০১৯। ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

বাগান মালিকরা উদ্বিগ্ন

লামা-আলীকদমে সেগুন গাছের পাতায় পোকা

লামা (বান্দরবান) প্রতিনিধি   

২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



লামা-আলীকদমে সেগুন গাছের পাতায় পোকা

সেগুনবাগানে পোকার আক্রমণ। লামা পৌরসভার টি টি অ্যান্ড ডিসি এলাকার বাগানের ছবি গতকালের। ছবি : কালের কণ্ঠ

চলতি মৌসুমে যখন বিভিন্ন বাগান সবুজে সবুজে ভরে ওঠার কথা, ঠিক সেই সময়ে বান্দরবানের লামা ও আলীকদমে সেগুনবাগানগুলো বাদামি রং ধারণ করেছে। এক ধরনের পোকার আক্রমণে সেগুন গাছের পাতা বাদামি রং ধারণ করে অসময়ে ঝরে যাচ্ছে। এর ফলে গাছের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন বাগান মালিকরা।

সূত্র জানায়, লামা ও আলীকদম উপজেলার বিভিন্ন পাহাড় ও পাহাড়ের পাদদেশের জমিতে ব্যক্তি উদ্যোগে হাজার হাজার একর সেগুনবাগান গড়ে উঠেছে। অনেকে ব্যাংক বিমায় সঞ্চয় না করে এসব বাগান করতে পুঁজি বিনিয়োগ করেছেন।

চলতি বর্ষা মৌসুমের যে সময়ে বাগানগুলো সবুজ পাতায় ভরে ওঠার কথা, ঠিক সে সময়ে এক ধরনের পোকার আক্রমণে গাছের পাতাগুলো ছিদ্র হয়ে বাদামি রং ধারণ করে অসময়ে ঝরে যাচ্ছে। পুরো বাগান পোকার আক্রমণে সবুজের বদলে বাদামি রং ধারণ করেছে।

সরেজমিন দেখা যায়, আলীকদমের শিবাতলী এলাকা, লামা উপজেলার মিরিঞ্জা, পৌরএলাকার লাইনঝিরি, নুনারঝিরি, চাম্পাতলী, টি টি অ্যান্ড ডিসিসহ বিভিন্ন এলাকার সেগুনবাগানগুলোতে পোকা আক্রমণ করতে দেখা গেছে। প্রতিটি পাতায় ছোট আকারের সবুজ রংয়ের ৩ থেকে ৪টি পোকা পাতার সবুজ অংশ খেয়ে ফেলছে। পাতার সবুজ অংশ খেয়ে ফেলার পর পাতাটি দেখতে ছিদ্র ছিদ্র ও বাদামি রং ধারণ করে এবং এক পর্যায়ে ঝরে পড়ে। কৃষি বিভাগের লোকদের মতে এগুলো ছিদ্র পোকা।

আলীকদমের চৈক্ষ্যং এলাকার মোদাচ্ছের, লামা নুনারঝিরি এলাকার মো. ইউছুপসহ অন্য বাগান মালিকরা জানান, সেগুন গাছের পাতা পোকার আক্রমণে বাদামি রং ধারণ করেছে। একটি বাগান আক্রমণ করার পর পাশের বাগানটি পর্যায়েক্রমে পোকার আক্রমণের শিকার হচ্ছে। গাছের পাতা ঝরে যাওয়ার কারণে চলতি মৌসুমে গাছের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত হবে।

লামা বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. কামাল আহমেদ জানান, বিষয়টি তাঁদের দৃষ্টিতে এসেছে। এ নিয়ে ভয়ের কোনো কারণ নেই। তিনি বলেন, ‘বৈশ্বিক জলবায়ুর বিরূপ প্রভাবে এসব বালাই দেখা দিতে পারে। লামা বন বিভাগ আলামত সংগ্রহ করেছে। এগুলো বন গবেষণাগারে পাঠানো হবে।’ এর ফলে সেগুন গাছের বর্ধন সামান্য ব্যাহত হবে। তবে এতে তেমন ক্ষতি হবে না বলে তিনি জানান।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা