kalerkantho

মিরসরাইয়ে অবশেষে ধরা পড়ল ইয়াবার পাইকার

মিরসরাই (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি   

১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মিরসরাইয়ে অবশেষে ধরা পড়ল ইয়াবার পাইকার

জোরারগঞ্জ থানা পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার ইয়াবা কারবারি রুবেল (মাঝে হাতকড়া পরা)। ছবি : কালের কণ্ঠ

মিরসরাইয়ে পুলিশের হাতে প্রায়ই ধরা পড়ছে মরণনেশা ইয়াবা। এতদিন মহাসড়কের মতো গুরুত্বপূর্ণ রুটে একের পর এক চালান ধরা পড়লেও অধরা ছিল খুচরা বিক্রেতাদের হাতে পৌঁছে দেওয়া পাইকাররা। তবে মিরসরাইয়ের জোরারগঞ্জ থানা পুলিশ রুবেল নামে স্থানীয় এক মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তারের পর জানা গেল তাঁর রুটিন কাজ গ্রামের প্রত্যন্ত এলাকায় খুচরা বিক্রেতাদের হাতে ইয়াবা পৌঁছে দেওয়া।

গত রবিবার দিবাগত রাতে স্থানীয় বারইয়াহাট পৌরসভা এলাকার আরাফাত হোটেলের সামনে থেকে ৮ হাজার ৬০০ ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার হওয়া মো. রিয়াজ উদ্দিন ওরফে রুবেলের বাড়ি মিরসরাই উপজেলার ধুম ইউনিয়নের উত্তর নাহেরপুর গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের মো. ইউসুফ মিয়ার ছেলে। তাঁর বিরুদ্ধে মিরসরাইয়ের জোরারগঞ্জ থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশের ধারণা, তিনি মিরসরাইয়ের প্রত্যন্ত গ্রামে খুচরা বিক্রেতাদের হাতে ইয়াবা পৌঁছে দিতেন।

মিরসরাইয়ের জোরারগঞ্জ থানার ওসি মফিজ উদ্দিন ভূঁইয়া কালের কণ্ঠকে জানান, ‘অন্য ইয়াবা কারবারিদের চেয়ে রুবেলের ধরন একটু ভিন্ন। আমরা ধারণা করছি ইয়াবা সরবরাহ এবং এর নেপথ্যে থাকা কুশীলবদের সম্পর্কে তাঁর থেকে আমরা বিশদ জানতে পারব।’

গ্রেপ্তার হওয়া রুবেল পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে কোনোরকম তথ্য দিয়েছে কি না জানতে চাইলে ওসি বলেন, ‘বেশ কিছু নাম তাঁর কাছ থেকে জানা গেছে তবে নামগুলো আমরা যাচাই-বাছাই করে দেখছি। প্রকৃত কারবারিদের নাম জানার জন্য আদালতে আসামির রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে। আশা করি ভালো কিছু মিলবে।’ 

এদিকে গতকাল সোমবার মাদক কারবারি রুবেলকে আদালতে হাজির করার পর আদালত তাঁর জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণ করেন। তবে পুলিশ ইয়াবা কারবারের সাথে জড়িত নেপথ্যের কুশীলবদের ধরতে আদালতের কাছে ৫ দিনের রিমান্ড আবেদন করেছে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জোরারগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আলমগীর হোসাইন কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার হওয়া রুবেলকে আদালতে হাজির করে ৫ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে। আদালতের শুনানির পর জানতে পারবেন। তবে আমরা আশা করছি রুবেলকে জিজ্ঞাসাবাদে স্থানীয় মাদক কারবারের মূল উৎপাটন করা সম্ভব হবে।’

মন্তব্য