kalerkantho

রবিবার। ১৭ নভেম্বর ২০১৯। ২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

সন্দ্বীপে ধসে যাওয়া সেতু এক যুগেও পুনঃনির্মাণ হয়নি

পাশের সাঁকোও নড়বড়ে

রহিম মোহাম্মদ, সন্দ্বীপ (চট্টগ্রাম)   

৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সন্দ্বীপে ধসে যাওয়া সেতু এক যুগেও পুনঃনির্মাণ হয়নি

সন্দ্বীপের হরিশপুর-রহমতপুর সংযোগ সেতু ধসে যাওয়ার পর নির্মিত সাঁকোটিও সম্প্রতি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। ছবি : কালের কণ্ঠ

ধসে যাওয়া সেতু একযুগেও পুনঃনির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। হরিশপুর-রহমতপুর সংযোগ সেতুটি সন্দ্বীপের কালাপানিয়া, বাউরিয়া, হরিশপুর, রহমতপুর ও আজিমপুর ইউনিয়নের জনসাধারণের সরাসরি যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম। সেতুটি ধসে যাওয়ার পর ওই স্থানে চলাচলের জন্য সন্দ্বীপ পৌরসভা একটি সাঁকো নির্মাণ করে। কিন্তু সাম্প্রতিক টানা বর্ষণে পানির প্রবল স্রোতে সাঁকোটি নড়বড়ে হয়ে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।

১৯৯৬ সালে সেতুটি নির্মিত হয়। ১০ বছর না যেতেই সাগরের জোয়ার-ভাটার তাণ্ডবে সেতু ধসে পড়ে। ২০০৭ সালে এটি যান চলাচলে অকার্যকর হয়ে পড়ে। পরে সন্দ্বীপ পৌরসভা সেখানে একটি সাঁকো বানিয়ে দেয়। এতে হেঁটে চলাচল করা সম্ভব হলেও যানবাহনে যাতায়াত কিংবা মালামাল পরিবহনে সংকটের সৃষ্টি হয়। এ ছাড়া গেল বর্ষায় টানা বর্ষণে পানির প্রবল স্রোতে সাঁকোটিও নড়েবড়ে হয়ে পারাপারে চরম ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে।

জানা গেছে, ধসে যাওয়া সেতু দিয়ে মালামাল পরিবহন সম্ভব না হওয়ায় মালঘাট এবং উপজেলা সদরে যাতায়াত বা পরিবহনে ভাড়া ও সময় লাগে কয়েক গুণ বেশি। কয়েক মাইল দূরের পথ দিয়ে ওই এলাকায় ব্যবসায়ীদের পণ্য পৌঁছাতে হয়। ফলে দৈনন্দিন বাজারে সাধারণ মানুষকে চড়াদামে মালামাল কিনতে হয়। সেতুর উত্তর পাশে রয়েছে হরিশপুর ১০ শয্যা হাসপাতাল এবং পূর্ব পাশে রহমতপুর হাই স্কুল ও উপজেলা সদর। এসব স্থানে যাতায়াতে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের সীমা নেই।

হরিশপুরের বাসিন্দা কবি বাদল রায় স্বাধীন বলেন, ‘আগে স্লুইসগেট ছিল না বিধায় জোয়ার-ভাটার নিত্য তাণ্ডব ছিল। তাই সেতুটি ধসে যায়। এখন স্লুইসগেট নির্মাণের কারণে ওই ঝুঁকি আর নেই। অতি প্রয়োজনীয় সেতুটি পুনঃনির্মাণ খুবই জরুরি।’

উপজেলা প্রকৌশল দপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মজিবুর রহমান বলেন, ‘সেতুটি পুনঃনির্মাণের জন্য প্রকল্প তৈরি করে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন পাওয়া গেলে পুনঃনির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা