kalerkantho

মঙ্গলবার । ১২ নভেম্বর ২০১৯। ২৭ কার্তিক ১৪২৬। ১৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

চুয়েটের ১৭ বছর

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম   

২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



চুয়েটের ১৭ বছর

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে গতকাল আনন্দ শোভাযাত্রা। ছবি : কালের কণ্ঠ

টেকসই উন্নয়নে প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরিসীম অবদান রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘দেশ এখন কৃষিভিত্তিক অর্থনীতি থেকে বেরিয়ে উৎপাদনশীল অর্থনীতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে সনাতনী চিন্তাধারা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।’

তিনি রবিবার চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) ১৭তম ‘বিশ্ববিদ্যালয় দিবস’ উপলক্ষে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে ওই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন ও চুয়েটের ভাইস চ্যান্সেলর ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম। অধ্যাপক ড. মো. সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন অধ্যাপক রণজিৎ কুমার সূত্রধর, পুরকৌশল অনুষদের ডিন ড. মো. রবিউল আলম, তড়িৎ ও কম্পিউটার কৌশল অনুষদের ডিন ড. মুহাম্মদ কামরুজ্জামান, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ড. ফারুক-উজ-জামান চৌধুরী ও ছাত্রকল্যাণ পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মশিউল হক।

বিশেষ অতিথি ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ‘আমাদের প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে বর্তমানে ৪র্থ শিল্প বিপ্লবের নেতৃত্ব দিতে হবে। শিক্ষার্থীদেরকে ইনোভেশন, গবেষণা ও নিত্যনতুন আবিষ্কার নিয়ে কাজ করতে হবে। পুরো বিশ্বটাই এখন গ্লোবাল ভিলেজে পরিণত হয়েছে। বর্তমানে সরকার গবেষণায় অর্থায়ন বরাদ্দ বাড়িয়েছে।’

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন চুয়েট শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সামসুল আরেফিন, কর্মকর্তা সমিতির সভাপতি প্রকৌশলী সৈয়দ মোহাম্মদ ইকরাম, কর্মচারী সমিতির সভাপতি মো. জামাল উদ্দীন, ছাত্র-ছাত্রীদের পক্ষে হুমায়রা জান্নাত মীম ও এ কে এম সাজিদ উদ্দিন আহমেদ জয়।

এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রা বের করা হয়। পরে জাতীয় পতাকা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলন এবং শান্তির প্রতীক পায়রা উড়িয়ে দিনব্যাপী অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী। অনুষ্ঠানের শুরুতে চুয়েটের শিক্ষা-গবেষণার বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তুলে ধরে একটি প্রামাণ্যচিত্র উপস্থাপন করেন সহকারী রেজিস্ট্রার (সমন্বয়) মোহাম্মদ ফজলুর রহমান। দিনব্যাপী আয়োজনে আরো ছিল রক্তদান কর্মসূচি, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, ছাত্র বনাম শিক্ষক ও কর্মকর্তা বনাম কর্মচারী প্রীতি ফুটবল ম্যাচ, পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান প্রভৃতি। প্রসঙ্গত, ২০০৩ সালের ১ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম প্রকৌশল মহাবিদ্যালয় থেকে বিআইটি, চট্টগ্রাম এবং পরবর্তীতে স্বায়ত্তশাসিত একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) যাত্রা শুরু হয়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা