kalerkantho

মঙ্গলবার । ১২ নভেম্বর ২০১৯। ২৭ কার্তিক ১৪২৬। ১৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিবিজড়িত ঝাউবাগান

আড়াই লাখ চারা রোপণ

নিজস্ব প্রতিবেদক, কক্সবাজার   

১ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কক্সবাজারে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকতে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি বিজড়িত ঝাউবাগানটির পরিধি বাড়ানো হচ্ছে। প্রতিবছরের ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসসহ নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলার জন্য কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগ চলতি অর্থ বছরের ইতোমধ্যে ২ লাখ ৫০ হাজার ঝাউগাছের চারা রোপণের কাজ সম্পন্ন করেছে। ঝাউবাগান সৃজন প্রকল্পের আওতায় কক্সবাজার বন বিভাগের পাঁচ রেঞ্জের আওতায় এসব ঝাউগাছ রোপণ করা হয়।

এ প্রসঙ্গে কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক মোহাম্মদ সোহেল রানা জানান, কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের নাজিরারটেক থেকে বাগানপাড়া পর্যন্ত ২০ হেক্টর জমিতে ৫০ হাজার, হিমছড়ির আমতলী এলাকার ২০ হেক্টর জমিতে ৫০ হাজার, সোয়ানখালী খাল থেকে রূপপতি খাল পর্যন্ত ৪০ একর জমিতে ১ লাখ এবং হিমছড়ি হেফজখানা থেকে রেজু ব্রিজ পর্যন্ত ২০ একর জমিতে ৫০ হাজার ঝাউগাছের চারা রোপণ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘সাগরের ভাঙন থেকে শহরকে রক্ষা করতে এবং সমুদ্রসৈকতের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে বিদ্যমান ঝাউবাগানের পাশাপাশি নতুন ঝাউ বাগান গড়ে তোলার জন্য বন অধিদপ্তর প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করেছে।’

প্রসঙ্গত, এসব ঝাউ বিথীর কারণে সাগরের ঝড়ঝঞ্জা থেকে কক্সবাজার শহর রক্ষা পায়। বাগানটি সৈকতের রক্ষাকবচ হিসেবেও বিবেচিত।

কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির এ প্রসঙ্গে জানান, স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশে বন বিভাগ কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের পাশে ঝাউ বাগান সৃজন প্রকল্পের কাজ শুরু করেন। এ পর্যন্ত ৫৮৫ হেক্টর ঝাউ বাগান সৃজন করা হয়েছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে কক্সবাজার সাগর পাড়ের ডায়াবেটিক হাসপাতাল পয়েন্টে এবং শেবাল পয়েন্টে ঝাউ বাগানগুলোর গাছ ধ্বংস হয়ে যাওয়ায় সেখানেও নতুন চারা রোপণ করা হচ্ছে।

বিভাগীয় বন কর্মকর্তা জানান, টেকসই বন ও জীবিকা (সুফল) প্রকল্পের আওতায় আগামী ৫ বছরে ৪০০ হেক্টর জমিতে এবং কক্সবাজার জেলায় সবুজ বেষ্টনী সৃজন ও ইকো ট্যুরিজম উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ১৪০ হেক্টর জমিতে ঝাউবাগান গড়ে তোলা হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা