kalerkantho

কোরবানির পশু

রাউজানেও প্রচুর বিক্রি

রাউজান (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি   

১০ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



রাউজানে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট। বিশেষ করে গত বুধ, বৃহস্পতি ও গতকাল শুক্রবার উপজেলার বিভিন্ন সাপ্তাহিক হাটে (বাজার) প্রচুর গরু, ছাগল ওঠে। বিক্রিও হয়েছে প্রচুর।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ১৪ ইউনিয়ন ও এক পৌরসভায় ১৫ থেকে ১৮টি গরু-ছাগলের হাট বসেছে। এর মধ্যে পশুর বড় হাট হলো ফকির হাট, পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের চারাবটতল বাজার, গহিরা কালচান্দ চৌধুরী হাট, হলদিয়া আমির হাট, কাগতিয়া বাজার, কচুখাইন মিয়া আলীর হাট, রমজান আলী হাট, নাতোয়ান বাগিছা, জানালী হাট, নোয়াপাড়া চৌধুরী হাট, লাম্বুর হাট, অলিমিয়া হাট, নতুন রঘুনন্দন চৌধুরী হাট, নোয়াজিষপুর নতুন হাট। গতকাল চৌধুরী হাট, নাতোয়ান বাগিছা, ফকিরটিলা বাজার, কাগতিয়াসহ বেশ কিছু বাজারে সাপ্তাহিক হাটের দিন ছিল। এগুলোতে প্রচুর বেচাকেনা হয়েছে বলে জানিয়েছে ক্রেতা-বিক্রেতারা।

গত বৃহস্পতিবার ফকিরহাট, অলিমিয়া হাট ও বুধবার উপজেলার বিভিন্ন স্থানে সাপ্তাহিক হাটের দিন ছিল। এর মধ্যে চারাবটতল বাজার, কালাচান্দ চৌধুরী হাট, লাম্বুর হাট, নতুন রঘুনন্দন চৌধুরী হাট, রমজান আলী হাটে বিপুলসংখ্যক গরু-ছাগল বাজারে দেখা গেছে। চারাবটতল বাজারে রাতেও বাতির ব্যবস্থা করে বেচাকেনা চলছে।

গহিরা ইউপির চেয়ারম্যান নুরুল আবছার বাশি বলেন, ‘কালাচান্দ চৌধুরী বাজারে বিনা হাসিলে গরু-ছাগল বিক্রি হচ্ছে। রাস্তার পাশে গরু-ছাগল কেনাকাটাও বন্ধ করা হয়েছে।’

বাগোয়ান ইউপি চেয়ারম্যান ভুপেশ বড়ুয়া বলেন, ‘ইউনিয়নের লাম্বুর হাটের সাপ্তাহিক বাজারের দিন ছিল বুধবার। এ দিন গত বছরের তুলনায় অনেক বেশি গরু-ছাগল এসেছে। আমরা চেষ্টা করছি আইন-শৃঙ্খলা ঠিক রেখে উৎসবমুখর পরিবেশে কোরবানির বাজার শেষ করতে।’

একটি সূত্র জানায়, রাউজানের পশুর হাটগুলোতে রাউজান ছাড়াও পার্শ্ববর্তী কাউখালী, রাঙ্গুনিয়া, ফটিকছড়ি এলাকা থেকেও প্রচুর পরিমাণে গরু-ছাগল বিক্রি করতে আনে স্থানীয় লালনপালনকারীরা। আবার চট্টগ্রামের বাইরে থেকে গরু বিক্রি করতে নিয়ে আসে পেশাদার ব্যবসায়ীরা। ফলে উপজেলায় গরুর দাম চড়া নয় বলে অনেকে জানায়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জোনায়েদ কবীর সোহাগ বলেন, এবার সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী উপজেলার কোনো জায়গায় সড়কের ওপর পশুর বাজার বসতে দেওয়া হচ্ছে না।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা